রাকিব হোসেন সোহেল, লক্ষীপুর জেলা প্রতিনিধি -ঃ- লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার ১৫নং লাহারকান্দি ইউনিয়নের যুগীর হাট বাজারে লাইন্সেস বিহীন কিটনাশক ঔষুধ ও সার বিক্রি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে মোরশেদের বিরুদ্ধে । দীর্ঘ ২০ বছর ধরে ভবানীগঞ্জ বাজার ও যুগীর হাটে ব্যবসা করে আসছে মোরশেদ নামের একব্যক্তি। মোরশেদ (৪৫) পিতা-কালা মিয়া ১৭নং ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নে ভয়াতী বাড়ীর স্থায়ী বাসিন্দা হন মোরশেদ। এবিষয়ে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার কৃষি অফিসার হোসেন ইমাম এর সাথে দৈনিক গণজাগরণ সাক্ষাৎ করে বয়ালী কলমদার মোরশেদ কে কিটনাশক ঔষুধ ও সার বিক্রি করার লাইন্সেস দেওয়া হয়েছে কি-না তা জানতে চেয়ে জিজ্ঞেস করা হয় কৃষি অফিসার মিজানুর রহমান কে।তিনি প্রশ্নের উত্তরে বলেন, আমি এবিষয়ে কিছুই জানিনা, তবে ইউনিয়নের কৃষি অফিসার বলতে পারে। আমি তার কাছ থেকে জেনে নিয়ে আপনাকে জানিয়ে দেওয়া হবে। এদিকে কিডনাশক ঔষুধ ও সার বিক্রি করতে শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট ও প্রশিক্ষণের অভিজ্ঞা কত বছর হলে কিটনাশক ঔষুধ ও সার বিক্রি করা যাবে,তা জানতে চাইলে কৃষি অফিসার সাক্ষাৎতে বলেন,কিডনাশক ঔষুধ ও সার বিক্রি করার জন্য কোনো প্রশিক্ষণ অথবা শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট প্রয়োজন হয়না।কিডনাশক ঔষুধ বিক্রি করার অভিজ্ঞা থাকলেই চলবে।মোরশেদ কৃষি অফিসে ২০২০- ২০২১ সাল পর্যন্ত সদস্য হয়ে কৃষি লাইন্সেস নিয়ে কিটনাশক ঔষুধ বিক্রি করে আসছেন।দেখা যাচ্ছে মোরশেদ সরকার কে আয়কর না দেওয়ার পরিকল্পনা করে ভূয়া লাইন্সেস দেখিয়ে ২০২০-২০২১ এর পর থেকে সাধারণ মানুষের কাছে এই মোরশেদ বড় প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত কিটনাশক ঔষুধ বিক্রয়তার পরিচয় দিয়ে বেড়াচ্ছে। মোরশেদ বড় কলমদার হয়ে লাইন্সেস ভূক্ত পরিচর দিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন ভবানী গঞ্জ বাজার ও যুগীর হাট বাজার থেকে। মোরশেদ এর মতো কিছু টাকার বিনিময়ে জনবল থাকলেই চলে শিক্ষার দরকার নেই,মুর্খ হয়ে শিক্ষার প্রয়োজন হয়না তা বুঝিয়ে দিলেন লাইন্সেস বিহীন কিটনাশক ঔষুধ ও সার বিক্রিতা মোরশেদ।লাইন্সেস বিহীন কিডনাশক ঔষুধদের দোকানে গিয়ে লাইন্সেস সর্ম্পকে ও শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং কিটনাশকের উপর কত বছরের অভিজ্ঞা রয়েছে এই সব জানতে চাইলে মোরশেদ বলেন। আমি দীর্ঘদিন ধরে সার ও কিটনাশক ঔষুধদের দোকান দিয়ে ব্যবসা করে আসছি বর্তমানে সার ও কিটনাশক ঔষুধ বিক্রিতে তেমন লাভ আসেনা আগের মতো। আমার লাইন্সেস ও কিটনাশক ঔষুধ বিক্রির উপর কোনো অভিজ্ঞা নেই।কৃষি অফিসের লাইন্সেস নিয়ে সদস্য হয়ে সার ও কিটনাশক ঔষুধ বিক্রি করা হচ্ছে।আমি এর আগে বিভিন্ন জাগায় গিয়ে হেটে হেটে কিটনাশক ঔষুধ বিক্রি করছি।এছাড়া আমার ট্রেড লাইন্সেস সহ সকল কাগজপত্র আছে এগুলো দোকানে নেই।অবশেষে বুঝতে বাকী নেই, মোরশেদ তার কিটনাশক ঔষুধ ও সার বিক্রি করার কোনো ধরণের লাইন্সেস নেই। যদিও দুই একটা লাইন্সেস থাকে সেগুলো মেয়াদ বিহীন,যার ফলে লাইন্সেস দেখাতে অনিয়াহা প্রকাশ করেছেন মোরশেদ। এদিকে কিছু ফসলী জমির অপরিচিত কৃষক জানান, এই মোরশেদের ভূল কিটনাশক ঔষুধ দেওয়ার কারণে আমাদের ফসলী জমি থেকে ফসল ঘরে নেওয়া আর হবেনা।একে সবাই পাগল বলে, কিন্তু কি করে একজন পাগল কে কৃষি অফিসার লাইন্সেস দেয়।আমরা এর উপযুক্ত বিচার চাই মোরশেদ এর বিরুদ্ধে। সেই দেশের আইন কানুন কিছুই তোয়াক্কা না করে নিজের মর্জি মতো কিটনাশক ঔষুধ ও সার বিক্রি করেন এতে কৃষকদের শত শত ফসল নষ্ট হচ্ছে।













