এখন ০৪:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিরামপুরে আমন ধানের বাম্পার ফলন, কৃষকের মুখে সোনালী হাসি

এস এম মাসুদ রানা, বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি -ঃ- দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলায় এ বছর রোপা আমন ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। আশানুরূপ ফলন হওয়ায় কৃষকদের মুখে খুশির ঝিলিক।

এরই মধ্যে উপজেলায় দোষরা পলাশ বাড়ি, কাদিপুর, হাবিবপুর, মুকুন্দপুর এলাকায় ধান কাটা শুরু হয়েছে। এদিকে বিগত বছরের চেয়ে এবার ধানের মূল্য বেশি পাবেন বলে আশা করছেন কৃষকরা।উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, উপজেলায় এ বছর রোপা আমন ধান চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্র নির্ধারণ করা হয়েছিল ১৭ হাজার ৪৪৫ হেক্টর। অর্জন হয়েছে শতভাগ।

সরেজমিনে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেয়া যায়, মাঠে মাঠে কৃষাণ-কৃষাণীদের ব্যস্ত সময় কাটছে। কৃষকরা ধান কেটে জমিতে সাজিয়ে রাখছে।

উপজেলার পৌর শহরের দোসরা পলাশবাড়ী গ্রামের কৃষক আবুল হোসেন বলেন, ‘ মহান আল্লাহতালার কৃপা ও নিজের পরিশ্রমে এবার ভালোই ফসল পেয়েছি। তবে শ্রমিক সংকট থাকায় কিছুটা দুর্ভোগ হচ্ছে আমাদের।

এ বিষয়ে বিরামপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ নিক্সন চন্দ্র পাল ‘ বলেন, এ ‘উপজেলায় ৭৮ হাজার ৮৫০ মেট্রিক টন রোপা আমন ধান উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। বাজারে ধানের ভালো দাম রয়েছে। এছাড়াও সরকারি মূল্যে ধান বিক্রির জন্য কৃষক নিবন্ধন চলমান রয়েছে। কৃষি বিভাগ এ বিষয়ে কৃষকদের সর্বোচ্চ সহযোগীতা দিয়ে আসছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

বিরামপুরে আমন ধানের বাম্পার ফলন, কৃষকের মুখে সোনালী হাসি

প্রকাশিত হয়েছে: ০৯:৫১:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ নভেম্বর ২০২২

এস এম মাসুদ রানা, বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি -ঃ- দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলায় এ বছর রোপা আমন ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। আশানুরূপ ফলন হওয়ায় কৃষকদের মুখে খুশির ঝিলিক।

এরই মধ্যে উপজেলায় দোষরা পলাশ বাড়ি, কাদিপুর, হাবিবপুর, মুকুন্দপুর এলাকায় ধান কাটা শুরু হয়েছে। এদিকে বিগত বছরের চেয়ে এবার ধানের মূল্য বেশি পাবেন বলে আশা করছেন কৃষকরা।উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, উপজেলায় এ বছর রোপা আমন ধান চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্র নির্ধারণ করা হয়েছিল ১৭ হাজার ৪৪৫ হেক্টর। অর্জন হয়েছে শতভাগ।

সরেজমিনে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেয়া যায়, মাঠে মাঠে কৃষাণ-কৃষাণীদের ব্যস্ত সময় কাটছে। কৃষকরা ধান কেটে জমিতে সাজিয়ে রাখছে।

উপজেলার পৌর শহরের দোসরা পলাশবাড়ী গ্রামের কৃষক আবুল হোসেন বলেন, ‘ মহান আল্লাহতালার কৃপা ও নিজের পরিশ্রমে এবার ভালোই ফসল পেয়েছি। তবে শ্রমিক সংকট থাকায় কিছুটা দুর্ভোগ হচ্ছে আমাদের।

এ বিষয়ে বিরামপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ নিক্সন চন্দ্র পাল ‘ বলেন, এ ‘উপজেলায় ৭৮ হাজার ৮৫০ মেট্রিক টন রোপা আমন ধান উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। বাজারে ধানের ভালো দাম রয়েছে। এছাড়াও সরকারি মূল্যে ধান বিক্রির জন্য কৃষক নিবন্ধন চলমান রয়েছে। কৃষি বিভাগ এ বিষয়ে কৃষকদের সর্বোচ্চ সহযোগীতা দিয়ে আসছে।