এখন ০৩:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আশ্রয়ণ প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতি আখাউড়ার সাবেক ইউএনও’র বেতন ‘অবনমন’, অ্যাসিল্যান্ডকে তিরস্কার

মইনুল ভূইয়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি -ঃ- অবশেষে আশ্রয়ণ প্রকল্পে অনিয়ম, দুর্নীতি ও গাফিলতি করে বিভাগীয় ‘সাজা’ ভুগতে হচ্ছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার সাবেক উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রুমানা আক্তারকে। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ওই কর্মকর্তার বেতন ‘অবনমন’ করা হয়েছে, যা চাকরিকালীন সব সময় বলবৎ থাকবে। তিনি প্রতি বছর একটি করে ইনক্রিমেন্ট কম পাবেন। 

একই সঙ্গে এ ঘটনায় সাবেক সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো. সাইফুল ইসলামকে তিরস্কার করা হয়েছে। তদন্ত চলমান আছে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) তাপস কুমার চক্রবর্তীর। তবে প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে উঠা অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক মো. শাহগীর আলম শুক্রবার একটি বেসরকারি টেলিভিশনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকির অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদেরকে এ তথ্য জানান। ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শাহগীর আলম জানান, দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় ইউএনও এখন থেকে একটি ইনক্রিমেন্ট কম পাবেন। তিরস্কার করা হয়েছে অ্যাসিল্যান্ডকে। পিআইও’র বিরুদ্ধে তদন্ত করতে শনিবার একজন উপ-সচিব আসছেন।

ইউএনও রুমানা আক্তার রাঙামাটি ও সহকারি কমিশনার মো. সাইফুল ইসলাম বর্তমানে সুনামগঞ্জ জেলায় কর্মরত আছেন। অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠার পর তাদেরকে বদলি করা হয়। পিআইও তাপস কুমার বর্তমানে আখাউড়ায় কর্মরত আছেন। 

আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরে রডের বদলে তার দেওয়াসহ নানা ধরণের অভিযোগ উঠে আখাউড়ার ইউএনও রুমানা আক্তারসহ সংশ্লিষ্ট কয়েকজনের বিরুদ্ধে। জেলা প্রশাসক শাহগীর আলম প্রকল্প ঘুরে অনিয়ম দেখতে পান। এ অবস্থায় গত মে মাসে ইউএনওকে রাঙামাটির বাঘাইছড়ি ও অ্যাসিল্যান্ডকে বান্দরবনের থানচি বদলি করা হয় এবং পরে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

আশ্রয়ণ প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতি আখাউড়ার সাবেক ইউএনও’র বেতন ‘অবনমন’, অ্যাসিল্যান্ডকে তিরস্কার

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:২২:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ নভেম্বর ২০২২

মইনুল ভূইয়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি -ঃ- অবশেষে আশ্রয়ণ প্রকল্পে অনিয়ম, দুর্নীতি ও গাফিলতি করে বিভাগীয় ‘সাজা’ ভুগতে হচ্ছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার সাবেক উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রুমানা আক্তারকে। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ওই কর্মকর্তার বেতন ‘অবনমন’ করা হয়েছে, যা চাকরিকালীন সব সময় বলবৎ থাকবে। তিনি প্রতি বছর একটি করে ইনক্রিমেন্ট কম পাবেন। 

একই সঙ্গে এ ঘটনায় সাবেক সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো. সাইফুল ইসলামকে তিরস্কার করা হয়েছে। তদন্ত চলমান আছে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) তাপস কুমার চক্রবর্তীর। তবে প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে উঠা অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক মো. শাহগীর আলম শুক্রবার একটি বেসরকারি টেলিভিশনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকির অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদেরকে এ তথ্য জানান। ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শাহগীর আলম জানান, দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় ইউএনও এখন থেকে একটি ইনক্রিমেন্ট কম পাবেন। তিরস্কার করা হয়েছে অ্যাসিল্যান্ডকে। পিআইও’র বিরুদ্ধে তদন্ত করতে শনিবার একজন উপ-সচিব আসছেন।

ইউএনও রুমানা আক্তার রাঙামাটি ও সহকারি কমিশনার মো. সাইফুল ইসলাম বর্তমানে সুনামগঞ্জ জেলায় কর্মরত আছেন। অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠার পর তাদেরকে বদলি করা হয়। পিআইও তাপস কুমার বর্তমানে আখাউড়ায় কর্মরত আছেন। 

আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরে রডের বদলে তার দেওয়াসহ নানা ধরণের অভিযোগ উঠে আখাউড়ার ইউএনও রুমানা আক্তারসহ সংশ্লিষ্ট কয়েকজনের বিরুদ্ধে। জেলা প্রশাসক শাহগীর আলম প্রকল্প ঘুরে অনিয়ম দেখতে পান। এ অবস্থায় গত মে মাসে ইউএনওকে রাঙামাটির বাঘাইছড়ি ও অ্যাসিল্যান্ডকে বান্দরবনের থানচি বদলি করা হয় এবং পরে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়।