মিরু হাসান বাপ্পী, বগুড়া সংবাদদাতা -ঃ- বগুড়ায় প্রাইভেট কার চালক সবুজ খন্দকার হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচিত হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের প্রাইভেট কারসহ ঘটনায় জড়িত দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- নারায়নগঞ্জের বন্দর থানা এলাকার হাজিপুর এলাকার (বগুড়ার দুপচাচিয়ায় শ্বশুর বাড়ি এবং ভাড়া বাসায় থাকে) মৃত সওদাগরের ছেলে আবুল কালাম আজাদ ওরফে বাবুল (৫২) ও দুপচাঁচিয়ার মাগুড়া গ্রামের মৃত তছির উদ্দিনের ছেলে জহুরুল ইসলাম(৪২)। শুধুমাত্র প্রাইভেট কার ছিনতাই করার জন্য সবুজ খন্দকারকে তারা হত্যা করে বলে জানিয়েছেন দুপচাঁচিয়া থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ।
ওসি আবুল কালাম আজাদ জানান, গত ৩ নভেম্বর রাত ৮টার দিকে নারায়ণগঞ্জ বন্দর থানা এলাকার বাসিন্দা সবুজ খন্দকারের প্রাইভেট কার আসামীরা সোনারগাঁও মদনপুর এলাকা থেকে বগুড়ায় যাওয়ার জন্য তিনদিনের রিজার্ভ বলে ভাড়া করেন। ৬ নভেম্বর গ্রেফতারকৃত আজাদের ভাড়া বাড়িতে রাতের খাবার খাওয়ার কথা বলে সবুজ খন্দকারকে বাড়ির ভেতর নিয়ে হত্যা করে এবং লাশ বস্তাবন্দি করে বেলোহালি স্কুলের পিছনে পুকুরের পানিতে ফেলে দেয়। ৮ নভেম্বর সকাল ৯টার দিকে লাশ ভেসে উঠলে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে দুপচাচিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তদন্ত শুরু করে। পরে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তা এবং অধিকতর তদন্তে এ ঘটনায় জড়িত দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে নিহত ব্যক্তির মোবাইল ফোন ও পায়ের স্যান্ডেল গ্রেপ্তারকৃত আজাদের ভাড়া বাড়ি থেকে এবং চৌমুহনী এলাকার তাওসিফ ফিলিং স্টেশন থেকে নিহত ব্যক্তির ব্যবহৃত প্রাইভেটকার উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরও জানান, শুধুমাত্র প্রাইভেট কার ছিনতাই করতেই সবুজ খন্দকারকে হত্যা করা হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে গ্রেফতারকৃত আসামিদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।













