এখন ০৫:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লক্ষীপুরের যুগীর হাটে বড় কলম দিয়ে লাইন্সেস বিহীন মোরশেদের কিডনাশক ঔষুধ ও সার বিক্রি চলছে জমজমাট ব্যবসা

রাকিব হোসেন সোহেল, লক্ষীপুর জেলা প্রতিনিধি -ঃ- লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার ৬নং বাঙ্গাখাঁ ইউনিয়নের যুগীর হাটে লাইন্সেস বিহীন কিডনাশক ঔষুধ ও সার বিক্রি করেন মোরশেদ। দীর্ঘ ৮ বছর ধরে যুগীর হাটের ব্যবসায়ী মোরশেদ আলম নামের একব্যক্তি (৪৫) পিতা-কালা মিয়া ১৭নং ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নে বয়ালী বাড়ীর স্থায়ী বাসিন্দা হন বয়ালী বাড়ী বড় কলমদার মোরশেদ।এবিষয়ে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার কৃষি অফিসার হাসান ইমাম এর সাথে দৈনিক গণজাগরণ সাক্ষাৎ করে বয়ালী কলমদার কিডনাশক ঔষুধ ও সার বিক্রি করার লাইন্সেস দেওয়া হয়েছে কি-না তাই জানতে চেয়ে জিজ্ঞেস করা হয় কৃষি অফিসার কে।তিনি প্রশ্নের উত্তরে বলেন, আমি এবিষয়ে কিছুই জানিনা, তবে ইউনিয়নের কৃষি অফিসার বলতে পারে। আমি তার কাছ থেকে জেনে নিয়ে আপনাকে জানিয়ে দেওয়া হবে। এদিকে কিডনাশক ঔষুধ ও সার বিক্রি করতে শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট ও প্রশিক্ষণের অভিজ্ঞা কত বছর হলে কিডনাশক ঔষুধ ও সার বিক্রি করা যাবে,জানতে চাইলে কৃষি অফিসার সাক্ষাৎতে বলেন,কিডনাশক ঔষুধ ও সার বিক্রি করার জন্য কোনো প্রশিক্ষণ অথবা শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট প্রয়োজন হয়না।কিডনাশক ঔষুধ বিক্রি করার অভিজ্ঞা থাকলেই হবে।মোরশেদ কৃষি অফিসে ২০২০- ২০২১ সাল পর্যন্ত সদস্য হয়ে কৃষি লাইন্সেস নিয়ে কিডনাশক ঔষুধ বিক্রি করে আসছেন।দেখা যাচ্ছে মোরশেদ সরকার কে আয়কর না দেওয়ার পরিকল্পনা করে ভূয়া লাইন্সেস দেখিয়ে ২০২০-২০২১ এর পর থেকে সাধারণ মানুষের কাছে এই মোরশেদ বড় প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত কিডনাশক ঔষুধ বিক্রয়তার পরিচয় দিয়ে বেড়াচ্ছে মোরশেদ। এই যুগীর হাটের মোরশেদ বড় কলমদার হয়ে লাইন্সেস ভূক্ত পরিচর দিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন যুগীর হাট থেকে। মোরশেদ এর মতো কিছু টাকার বিনিময়ে জনবল থাকলেই চলে শিক্ষার দরকার নেই,মুর্খ হয়ে শিক্ষার প্রয়োজন হয়না তায় বুঝিয়ে দিলেন লাইন্সেস বিহীন কিডনাশক ঔষুধ ও সার বিক্রিতা মোরশেদ।লাইন্সেস বিহীন কিডনাশক ঔষুধদের দোকান গিয়ে লাইন্সেস সর্ম্পকে ও শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং কিডনাশকের উপর কত বছরের অভিজ্ঞা রয়েছে এই সব জানতে চাইলে মোরশেদ বলেন আমি দীর্ঘদিন ধরে সার ও কিডনাশক ঔষুধদের দোকান দিয়ে ব্যবসা করে আসছি বর্তমানে সার ও কিডনাশক ঔষুধ বিক্রিতে তেমন লাভ আসেনা আগের মতো।কৃষি অফিসের লাইন্সেস নিয়ে সদস্য হয়ে সার ও কিডনাশক ঔষুধ বিক্রি করা হচ্ছে এছাড়া আমার ট্রেড লাইন্সেস সহ সকল কাগজপত্র আছে এগুলো দোকানে নেই এবং আমার সাথে রাখা হয়না।অবশেষে বুঝতে বাকী নেই, মোরশেদ তার কিডনাশক ঔষুধ ও সার বিক্রি করার কোনো ধরণের লাইন্সেস নেই। যদিও দুই একটা লাইন্সেস থাকে সেগুলো মেয়াদ বিহীন,যার ফলে লাইন্সেস দেখাতে অনিয়াহা প্রকাশ করেছেন মোরশেদ। এদিকে কিছু ফসলী জমির অপরিচিত কৃষক জানান, এই মোরশেদের ভূল কিডনাশক ঔষুধ দেওয়ার কারণে আমাদের ফসলী জমি থেকে ফসল ঘরে নেওয়া আর হবেনা।একে সবাই পাগল বলে কিন্তু কি করে একজন পাগল কে কৃষি অফিসার লাইন্সেস দেয়।আমরা এর উপযুক্ত বিচার চাই মোরশেদ এর বিরুদ্ধে। সেই দেশের আইন কানুন কিছুই তোয়াক্কা না করে নিজের মর্জি মতো কিডনাশক ঔষুধ ও সার বিক্রি করে কৃষকদের শত শত ফসল নষ্ট করেন মোরশেদ।

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

লক্ষীপুরের যুগীর হাটে বড় কলম দিয়ে লাইন্সেস বিহীন মোরশেদের কিডনাশক ঔষুধ ও সার বিক্রি চলছে জমজমাট ব্যবসা

প্রকাশিত হয়েছে: ০৪:০৯:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ নভেম্বর ২০২২

রাকিব হোসেন সোহেল, লক্ষীপুর জেলা প্রতিনিধি -ঃ- লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার ৬নং বাঙ্গাখাঁ ইউনিয়নের যুগীর হাটে লাইন্সেস বিহীন কিডনাশক ঔষুধ ও সার বিক্রি করেন মোরশেদ। দীর্ঘ ৮ বছর ধরে যুগীর হাটের ব্যবসায়ী মোরশেদ আলম নামের একব্যক্তি (৪৫) পিতা-কালা মিয়া ১৭নং ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নে বয়ালী বাড়ীর স্থায়ী বাসিন্দা হন বয়ালী বাড়ী বড় কলমদার মোরশেদ।এবিষয়ে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার কৃষি অফিসার হাসান ইমাম এর সাথে দৈনিক গণজাগরণ সাক্ষাৎ করে বয়ালী কলমদার কিডনাশক ঔষুধ ও সার বিক্রি করার লাইন্সেস দেওয়া হয়েছে কি-না তাই জানতে চেয়ে জিজ্ঞেস করা হয় কৃষি অফিসার কে।তিনি প্রশ্নের উত্তরে বলেন, আমি এবিষয়ে কিছুই জানিনা, তবে ইউনিয়নের কৃষি অফিসার বলতে পারে। আমি তার কাছ থেকে জেনে নিয়ে আপনাকে জানিয়ে দেওয়া হবে। এদিকে কিডনাশক ঔষুধ ও সার বিক্রি করতে শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট ও প্রশিক্ষণের অভিজ্ঞা কত বছর হলে কিডনাশক ঔষুধ ও সার বিক্রি করা যাবে,জানতে চাইলে কৃষি অফিসার সাক্ষাৎতে বলেন,কিডনাশক ঔষুধ ও সার বিক্রি করার জন্য কোনো প্রশিক্ষণ অথবা শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট প্রয়োজন হয়না।কিডনাশক ঔষুধ বিক্রি করার অভিজ্ঞা থাকলেই হবে।মোরশেদ কৃষি অফিসে ২০২০- ২০২১ সাল পর্যন্ত সদস্য হয়ে কৃষি লাইন্সেস নিয়ে কিডনাশক ঔষুধ বিক্রি করে আসছেন।দেখা যাচ্ছে মোরশেদ সরকার কে আয়কর না দেওয়ার পরিকল্পনা করে ভূয়া লাইন্সেস দেখিয়ে ২০২০-২০২১ এর পর থেকে সাধারণ মানুষের কাছে এই মোরশেদ বড় প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত কিডনাশক ঔষুধ বিক্রয়তার পরিচয় দিয়ে বেড়াচ্ছে মোরশেদ। এই যুগীর হাটের মোরশেদ বড় কলমদার হয়ে লাইন্সেস ভূক্ত পরিচর দিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন যুগীর হাট থেকে। মোরশেদ এর মতো কিছু টাকার বিনিময়ে জনবল থাকলেই চলে শিক্ষার দরকার নেই,মুর্খ হয়ে শিক্ষার প্রয়োজন হয়না তায় বুঝিয়ে দিলেন লাইন্সেস বিহীন কিডনাশক ঔষুধ ও সার বিক্রিতা মোরশেদ।লাইন্সেস বিহীন কিডনাশক ঔষুধদের দোকান গিয়ে লাইন্সেস সর্ম্পকে ও শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং কিডনাশকের উপর কত বছরের অভিজ্ঞা রয়েছে এই সব জানতে চাইলে মোরশেদ বলেন আমি দীর্ঘদিন ধরে সার ও কিডনাশক ঔষুধদের দোকান দিয়ে ব্যবসা করে আসছি বর্তমানে সার ও কিডনাশক ঔষুধ বিক্রিতে তেমন লাভ আসেনা আগের মতো।কৃষি অফিসের লাইন্সেস নিয়ে সদস্য হয়ে সার ও কিডনাশক ঔষুধ বিক্রি করা হচ্ছে এছাড়া আমার ট্রেড লাইন্সেস সহ সকল কাগজপত্র আছে এগুলো দোকানে নেই এবং আমার সাথে রাখা হয়না।অবশেষে বুঝতে বাকী নেই, মোরশেদ তার কিডনাশক ঔষুধ ও সার বিক্রি করার কোনো ধরণের লাইন্সেস নেই। যদিও দুই একটা লাইন্সেস থাকে সেগুলো মেয়াদ বিহীন,যার ফলে লাইন্সেস দেখাতে অনিয়াহা প্রকাশ করেছেন মোরশেদ। এদিকে কিছু ফসলী জমির অপরিচিত কৃষক জানান, এই মোরশেদের ভূল কিডনাশক ঔষুধ দেওয়ার কারণে আমাদের ফসলী জমি থেকে ফসল ঘরে নেওয়া আর হবেনা।একে সবাই পাগল বলে কিন্তু কি করে একজন পাগল কে কৃষি অফিসার লাইন্সেস দেয়।আমরা এর উপযুক্ত বিচার চাই মোরশেদ এর বিরুদ্ধে। সেই দেশের আইন কানুন কিছুই তোয়াক্কা না করে নিজের মর্জি মতো কিডনাশক ঔষুধ ও সার বিক্রি করে কৃষকদের শত শত ফসল নষ্ট করেন মোরশেদ।