এখন ০৩:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অলিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম ইন্জিনিয়ারিং আতাউর রহমানের মৃত্যু বার্ষিকী পালিত

বিশেষ সংবাদদাতা -ঃ- অলিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম ইন্জিনিয়ারিং আতাউর রহমানের মৃত্যু বার্ষিকী পালিত হয়। এ উপলক্ষে অলিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল কাদের মিয়া নেতৃত্বে বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা ও ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে অলিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গনে চিরশায়িত বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম ইন্জিনিয়ারিং আতাউর রহমানের কবর জিয়ারত, দোয়া ও মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়।

মরহুম ইন্জিনিয়ারিং আতাউর রহমান ৫ মার্চ ১৯৫৬ ইং সালে মতলব উত্তর উপজেলার অলিপুর গ্রামে এক সম্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় নিজের জীবন বাজী রেখে দেশ মাতৃকার টানে দেশ রক্ষার প্রত্যয় নিয়ে যুদ্ধে অংশ গ্রহন করে বীরের ভূমিকায় সম্মুখ যুদ্ধ সহ অনক গেরিলা যুদ্ধের অগ্রভাগে থেকে দেশ স্বাধীন করে বিজয়ের বেশে লাল সবুজের পতাকা নিয়ে ফিরে আসেন। ফিরে এসেই তিনি ক্ষান্ত হননি। তিনি মনে প্রাণে দেশ গড়ার কাজে নিজেকে জড়িয়ে ফেলেন। এরই মধ্য তিনি প্রকৌশলী ডিগ্রি অর্জন করে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সড়ক ও জনপথ বিভাগে প্রকৌশলী হিসেবে যোগদান করে সফলতার সাথে কর্মকান্ড চালিয়ে যান। কিন্তু তার মনপ্রাণ পরে থাকে তার জন্ম স্থান অলিপুরে। তিনি স্বপ্ন দেখতে থাকেন কিভাবে গ্রামের মানুষের উন্নয়ন করা যায়! সেই লালিত স্বপ্ন থেকে এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, বন্ধুবান্ধব ও ছোট বড় সকলের সাথে সমন্বয় করে নিজের জীবনের কষ্টার্জিত টাকা পয়সা ব্যায় করে মতলব উত্তরের অলিপুর গ্রামে প্রতিষ্ঠিত করেন “অলিপুর উচ্চ বিদ্যালয়”।

এই বিদ্যালয়টি আজ মাথা উচু করে কালের স্বাক্ষী হয়ে দাড়িয়ে আছে। বিদ্যালয়টিতে ছাত্র-ছাত্রীদের মুখরিত পদচারণায় গ্রামটি যেন উজ্জ্বলতার হাসি হাসে। তিনি বিদ্যালয়ের পাশে চির শায়িত থাকা কামনা থেকে নিজের কবরের জন্য জায়গা নির্ধারন করে যান। সেই সাথে মসজিদ, মাদ্রাসা, ঈদগাঁ ও পাঠাগারের জন্য জায়গা দান করে যান। সেই জায়গায় আজ অলিপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ।

মুক্তিযোদ্ধা মরহুম ইন্জিনিয়ারিং আতাউর রহমান ৮ নভেম্বর ২০০৫ ইং সালে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যু কালে তিনি স্ত্রী, এক কণ্য ও এক পুত্র সহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

অলিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম ইন্জিনিয়ারিং আতাউর রহমানের মৃত্যু বার্ষিকী পালিত

প্রকাশিত হয়েছে: ০৮:২৭:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ নভেম্বর ২০২২

বিশেষ সংবাদদাতা -ঃ- অলিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম ইন্জিনিয়ারিং আতাউর রহমানের মৃত্যু বার্ষিকী পালিত হয়। এ উপলক্ষে অলিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল কাদের মিয়া নেতৃত্বে বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা ও ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে অলিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গনে চিরশায়িত বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম ইন্জিনিয়ারিং আতাউর রহমানের কবর জিয়ারত, দোয়া ও মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়।

মরহুম ইন্জিনিয়ারিং আতাউর রহমান ৫ মার্চ ১৯৫৬ ইং সালে মতলব উত্তর উপজেলার অলিপুর গ্রামে এক সম্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় নিজের জীবন বাজী রেখে দেশ মাতৃকার টানে দেশ রক্ষার প্রত্যয় নিয়ে যুদ্ধে অংশ গ্রহন করে বীরের ভূমিকায় সম্মুখ যুদ্ধ সহ অনক গেরিলা যুদ্ধের অগ্রভাগে থেকে দেশ স্বাধীন করে বিজয়ের বেশে লাল সবুজের পতাকা নিয়ে ফিরে আসেন। ফিরে এসেই তিনি ক্ষান্ত হননি। তিনি মনে প্রাণে দেশ গড়ার কাজে নিজেকে জড়িয়ে ফেলেন। এরই মধ্য তিনি প্রকৌশলী ডিগ্রি অর্জন করে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সড়ক ও জনপথ বিভাগে প্রকৌশলী হিসেবে যোগদান করে সফলতার সাথে কর্মকান্ড চালিয়ে যান। কিন্তু তার মনপ্রাণ পরে থাকে তার জন্ম স্থান অলিপুরে। তিনি স্বপ্ন দেখতে থাকেন কিভাবে গ্রামের মানুষের উন্নয়ন করা যায়! সেই লালিত স্বপ্ন থেকে এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, বন্ধুবান্ধব ও ছোট বড় সকলের সাথে সমন্বয় করে নিজের জীবনের কষ্টার্জিত টাকা পয়সা ব্যায় করে মতলব উত্তরের অলিপুর গ্রামে প্রতিষ্ঠিত করেন “অলিপুর উচ্চ বিদ্যালয়”।

এই বিদ্যালয়টি আজ মাথা উচু করে কালের স্বাক্ষী হয়ে দাড়িয়ে আছে। বিদ্যালয়টিতে ছাত্র-ছাত্রীদের মুখরিত পদচারণায় গ্রামটি যেন উজ্জ্বলতার হাসি হাসে। তিনি বিদ্যালয়ের পাশে চির শায়িত থাকা কামনা থেকে নিজের কবরের জন্য জায়গা নির্ধারন করে যান। সেই সাথে মসজিদ, মাদ্রাসা, ঈদগাঁ ও পাঠাগারের জন্য জায়গা দান করে যান। সেই জায়গায় আজ অলিপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ।

মুক্তিযোদ্ধা মরহুম ইন্জিনিয়ারিং আতাউর রহমান ৮ নভেম্বর ২০০৫ ইং সালে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যু কালে তিনি স্ত্রী, এক কণ্য ও এক পুত্র সহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।