এখন ০৩:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তেঁতুলিয়ায় বীর মুক্তিযোদ্ধার চা-বাগানের পাহারাদারের উপর স্থানীয় সন্ত্রাসী গ্রুপের  হামলা

বিশেষ প্রতিনিধি, পঞ্চগড় -ঃ- ঘটনাটি ঘটেছে পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার ডাংগাপাড়া গ্রামে গত ০৪/১১/২২ ইং রোজ শুক্রবার আনুমানিক রাত ১০.০০ ঘটিকায় স্থানীয় সন্ত্রাসী বাহিনীর লোকজন “মুক্তিযোদ্ধা টি গার্ডেন” এর পাহারাদারের উপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে গুরুতর আহত করায় তিনি মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন। 
ঘটনা সুত্রে জানা যায়, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ কেতাব উদ্দিন খান এর বাগানে স্থানীয় ভুমিদস্যু-সন্ত্রাসী মিলন-রশিদ, বিল্লু গ্রুপ গত ০১/১১/২২ইং তারিখে অনধিকার  প্রবেশ করে কাটা তারের ঘেড়াবেড়া ও সিমেন্টের পিলার ভাংচুর সহ ১২০টি মেহগনি,নিম গাছ কর্তন এবং উক্ত চা-বাগানের প্রায়  ৬৫০০ (ছয় হাজার পাঁচ শত)কেজি  চাপাতা কর্তন, করে (যাহার আনুমানিক  মুল্য১,১৭,০০০/) টাকা সহ সর্বমোট  ৪,৫০,০০০/- (চার লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা) ক্ষতি হওয়ার সংবাদটি গত ০১/১১/২২ ইং তারিখে “দৈনিক শীর্ষ অপরাধ” এ “বীরমুক্তিযোদ্ধার চা বাগানে স্থানীয় ভুমিদস্যু সন্ত্রাসী কর্তৃক হামলা ও চা-পাতা চুরি” শিরোনামে ও গত ০২/১১/২২ ইং তারিখে “দৈনিক ক্রাইম লেটার” এ “বীরমুক্তিযোদ্ধার চা বাগানে স্থানীয় ভুমিদস্যু-সন্ত্রাসীদের হামলা ও চা-পাতা চুরি” শিরোনামে অনলাইন পত্রিকায় এবং গত ০৪/১১/২২ইং তারিখে “দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার” এ “পঞ্চগড়ে বীর মুক্তিযোদ্ধার বাগানে স্থানীয় সন্ত্রাসী মিলন-রশিদ গ্রুপের হামলা ও চা-পাতা চুরি” শিরোনামে পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়ার পর স্থানীয় ভুমিদস্যু-সন্ত্রাসী মিলন-রশিদ, বিল্লু গ্রুপ উক্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তার ছেলেকে মেরে ফেলার হুমকি প্রদান করেন। ফলে উক্ত মুক্তিযোদ্ধা ও তার ছেলে উক্ত স্থানীয় সন্ত্রাসীদের ভয়ে তেঁতুলিয়ায় গিয়ে নিজস্ব চা-বাগান পরিচর্যা করিতে না পারার আশঙ্কায় তিনি উক্ত চা-বাগান পরিচর্যা, বাগান পরিচর্যায় ব্যবহৃত মেশিন সহ যাবতীয় সরঞ্জামাদি ও চা-পাতা রক্ষার্থে পঞ্চগড় থেকে সোহাগ নামের একজনকে পাহাদার হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করে তাকে তেঁতুলিয়ায় “মুক্তিযোদ্ধা টি গার্ডেন” এ প্রেরণ করেন। পাহারাদার সোহাগ যথারীতি দায়িত্ব পালনের জন্য পঞ্চগড় হতে তেঁতুলিয়ায় পৌঁছায় এবং রাতের খাবার খাওয়ার জন্য তেঁতুলিয়ার চৌরাস্তা বাজারে গেলে সেখান থেকে খাবার খেয়ে ফিরে বাগানে যাওয়ার উদ্দেশ্যে সন্ত্রাসী বিল্লুর বাড়ীর সামনে দিয়ে যাওয়া ইউনিয়ন পরিষদের পাকা রাস্তা দিয়ে হেটে বাগানে যাওয়ার পথে সন্ত্রাসী বিপ্লব ওরফে বিল্লুর বাড়ীর বহিরাঙ্গিনায় রাত আনুমানিক ১০.০০ ঘটিকার সময় স্থানীয় ভুমিদস্যু-সন্ত্রাসী মিলন-রশিদ গ্রুপ, বিল্লু গ্রুপের হামলার শিকার হয়। স্থানীয় ভুমিদস্যু-সন্ত্রাসী মিলন-রশিদ, বিল্লু গ্রুপ সন্ত্রাসীগণ পাহারাদার সোহাগকে মেরে ফেলার উদ্দেশ্যে মাথায় ধারালো দা দিয়ে আঘাত করে, তার দুই হাতের বৃদ্ধা আঙ্গুল হতে হাতের তালু পর্যন্ত কেটে দেয় এবং তাকে পঙ্গু করে ফেলার উদ্দেশ্যে পায়ের-রানের হাড়ের উপরের কিছুটা মাংস কেটে নিয়ে গিয়ে পাহারাদার সোহাগকে বিল্লুর বাড়ীর পার্শ্ববর্তী বাগানে
ফেলে রাখে। পরবর্তীতে কে বা কাহারা তেঁতুলিয়া মডেল থানায় খবরটি জানাইলে তেঁতুলিয়া মডেল থানা পুলিশ পাহারাদার সোহাগকে বিল্লুর বাড়ীর পার্শ্ববর্তী বাগানে আনুমানিক ১০.৪৫ ঘটিকায় অর্ধমৃত অবস্থায় উদ্ধার করে তেঁতুলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। তেঁতুলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসকগণ তাহাকে তৎক্ষণাৎ আধুনিক সদর হাসপাতাল, পঞ্চগড়ে প্রেরণ করেন এবং তেতুলিয়া থানা পুলিশ বীরমুক্তিযোদ্ধার পরিবারকে ঘটনাটি অবগত করেন। ৫/১১/২২ ইং তারিখ ভোর ৫.০০টায় পাহারাদার সোহাগের শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটিতে থাকিলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাহাকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাবার পরামর্শ দিলে তিনি সোহাগ কে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। বর্তমানে পাহারাদার সোহাগ রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়তেছে এবং স্থানীয় ভুমিদস্যু-সন্ত্রাসী মিলন-রশিদ, বিল্লু গ্রুপ সন্ত্রাসীগণ বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ কেতাব উদ্দীন খান ও পাহারাদার সোহাগের পরিবারকে উক্ত বিষয় লইয়া কোনো প্রকার মামলা করিতে নিষেধ করতেছে এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ কেতাব উদ্দীন খান ও তাহার পরিবারের সদস্যরা যে কেউ পুণরায় চা-বাগানে আসলে সোহাগের মতো সকলের-ই অবস্থা করবে মর্মে হুমকি প্রদান করতেছে। এমতাবস্থায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ কেতাব উদ্দীন খান পরিবারের সকল সদস্যকে সাথে নিয়ে মৃত্যুর ভয়ে ভীত হয়ে এক আতঙ্কের মধ্যে দিনাতিপাত করছে এবং সকল উর্ধতন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধানের আবেদন জানাচ্ছে।
তেঁতুলিয়া থানাধীন ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দা আলী আকবর, সাত্তার, আরফান, মর্তুজ আলী, আলমগীর সহ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরোও অনেকেই সংবাদ সংগ্রহকারীদের জানান উক্ত গ্রামের বাবলু হত্যা মামলার আাসামী মোঃ আঃ সালাম ভুট্টু বাবলু হত্যা মামলায় আদালত হতে জামিন নিয়ে বাড়ী ফিরে এসে উক্ত স্থানীয় সন্ত্রাসী গ্রুপকে কু-পরামর্শ দেওয়ায় এ ধরণের ঘটনা ঘটেছে মর্মে তারা মনে করেন। ভুমিদস্যু, কু-চক্রীকারী মোঃ আঃ সালাম ভুট্টু ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের সহজ সরল মানুষকে ধোকা দিয়ে নিজস্ব স্বার্থ হাসিল করার জন্য জমি-জমা সংক্রান্ত ঝামেলা তৈরি করে এবং জ্বাল-ভুয়া দলিল তৈরি করে দিয়ে উক্ত দলিলের জমির দখলকে কেন্দ্র করে ডাঙ্গাপাড়া সহ আশেপাশের সকল এলাকায় নিজেদের মধ্যে মারামারি, হত্যা ও নানান রকম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা সহ সকল অসামাজিক কাজ স্থানীয় ভুমিদস্যু-সন্ত্রাসী মিলন-রশিদ, বিল্লু গ্রুপ সন্ত্রাসীগণ দ্বারা পরিচালনা করে থাকে। মোঃ আঃ সালাম ভুট্টুর সাথে স্থানীয় প্রভাবশালী, কু-চক্রী মহলও প্রশাসনের কিছু অসাধু ব্যক্তির সখ্যতার কারণে সে সমাজে দাপটের সাথে এ ধরণের কার্যক্রম চালিয়ে যায় বলে অনেকে মন্তব্য করেন। তাই গ্রামবাসী মোঃ সালাম ভুট্টু, স্থানীয় ভুমিদস্যু-সন্ত্রাসী মিলন-রশিদ, বিল্লু গ্রুপ সন্ত্রাসীগণ সহ তাদের সাথে জড়িত সকল অপরাধীদেরকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবী জানান।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

তেঁতুলিয়ায় বীর মুক্তিযোদ্ধার চা-বাগানের পাহারাদারের উপর স্থানীয় সন্ত্রাসী গ্রুপের  হামলা

প্রকাশিত হয়েছে: ১০:২২:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৬ নভেম্বর ২০২২

বিশেষ প্রতিনিধি, পঞ্চগড় -ঃ- ঘটনাটি ঘটেছে পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার ডাংগাপাড়া গ্রামে গত ০৪/১১/২২ ইং রোজ শুক্রবার আনুমানিক রাত ১০.০০ ঘটিকায় স্থানীয় সন্ত্রাসী বাহিনীর লোকজন “মুক্তিযোদ্ধা টি গার্ডেন” এর পাহারাদারের উপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে গুরুতর আহত করায় তিনি মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন। 
ঘটনা সুত্রে জানা যায়, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ কেতাব উদ্দিন খান এর বাগানে স্থানীয় ভুমিদস্যু-সন্ত্রাসী মিলন-রশিদ, বিল্লু গ্রুপ গত ০১/১১/২২ইং তারিখে অনধিকার  প্রবেশ করে কাটা তারের ঘেড়াবেড়া ও সিমেন্টের পিলার ভাংচুর সহ ১২০টি মেহগনি,নিম গাছ কর্তন এবং উক্ত চা-বাগানের প্রায়  ৬৫০০ (ছয় হাজার পাঁচ শত)কেজি  চাপাতা কর্তন, করে (যাহার আনুমানিক  মুল্য১,১৭,০০০/) টাকা সহ সর্বমোট  ৪,৫০,০০০/- (চার লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা) ক্ষতি হওয়ার সংবাদটি গত ০১/১১/২২ ইং তারিখে “দৈনিক শীর্ষ অপরাধ” এ “বীরমুক্তিযোদ্ধার চা বাগানে স্থানীয় ভুমিদস্যু সন্ত্রাসী কর্তৃক হামলা ও চা-পাতা চুরি” শিরোনামে ও গত ০২/১১/২২ ইং তারিখে “দৈনিক ক্রাইম লেটার” এ “বীরমুক্তিযোদ্ধার চা বাগানে স্থানীয় ভুমিদস্যু-সন্ত্রাসীদের হামলা ও চা-পাতা চুরি” শিরোনামে অনলাইন পত্রিকায় এবং গত ০৪/১১/২২ইং তারিখে “দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার” এ “পঞ্চগড়ে বীর মুক্তিযোদ্ধার বাগানে স্থানীয় সন্ত্রাসী মিলন-রশিদ গ্রুপের হামলা ও চা-পাতা চুরি” শিরোনামে পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়ার পর স্থানীয় ভুমিদস্যু-সন্ত্রাসী মিলন-রশিদ, বিল্লু গ্রুপ উক্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তার ছেলেকে মেরে ফেলার হুমকি প্রদান করেন। ফলে উক্ত মুক্তিযোদ্ধা ও তার ছেলে উক্ত স্থানীয় সন্ত্রাসীদের ভয়ে তেঁতুলিয়ায় গিয়ে নিজস্ব চা-বাগান পরিচর্যা করিতে না পারার আশঙ্কায় তিনি উক্ত চা-বাগান পরিচর্যা, বাগান পরিচর্যায় ব্যবহৃত মেশিন সহ যাবতীয় সরঞ্জামাদি ও চা-পাতা রক্ষার্থে পঞ্চগড় থেকে সোহাগ নামের একজনকে পাহাদার হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করে তাকে তেঁতুলিয়ায় “মুক্তিযোদ্ধা টি গার্ডেন” এ প্রেরণ করেন। পাহারাদার সোহাগ যথারীতি দায়িত্ব পালনের জন্য পঞ্চগড় হতে তেঁতুলিয়ায় পৌঁছায় এবং রাতের খাবার খাওয়ার জন্য তেঁতুলিয়ার চৌরাস্তা বাজারে গেলে সেখান থেকে খাবার খেয়ে ফিরে বাগানে যাওয়ার উদ্দেশ্যে সন্ত্রাসী বিল্লুর বাড়ীর সামনে দিয়ে যাওয়া ইউনিয়ন পরিষদের পাকা রাস্তা দিয়ে হেটে বাগানে যাওয়ার পথে সন্ত্রাসী বিপ্লব ওরফে বিল্লুর বাড়ীর বহিরাঙ্গিনায় রাত আনুমানিক ১০.০০ ঘটিকার সময় স্থানীয় ভুমিদস্যু-সন্ত্রাসী মিলন-রশিদ গ্রুপ, বিল্লু গ্রুপের হামলার শিকার হয়। স্থানীয় ভুমিদস্যু-সন্ত্রাসী মিলন-রশিদ, বিল্লু গ্রুপ সন্ত্রাসীগণ পাহারাদার সোহাগকে মেরে ফেলার উদ্দেশ্যে মাথায় ধারালো দা দিয়ে আঘাত করে, তার দুই হাতের বৃদ্ধা আঙ্গুল হতে হাতের তালু পর্যন্ত কেটে দেয় এবং তাকে পঙ্গু করে ফেলার উদ্দেশ্যে পায়ের-রানের হাড়ের উপরের কিছুটা মাংস কেটে নিয়ে গিয়ে পাহারাদার সোহাগকে বিল্লুর বাড়ীর পার্শ্ববর্তী বাগানে
ফেলে রাখে। পরবর্তীতে কে বা কাহারা তেঁতুলিয়া মডেল থানায় খবরটি জানাইলে তেঁতুলিয়া মডেল থানা পুলিশ পাহারাদার সোহাগকে বিল্লুর বাড়ীর পার্শ্ববর্তী বাগানে আনুমানিক ১০.৪৫ ঘটিকায় অর্ধমৃত অবস্থায় উদ্ধার করে তেঁতুলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। তেঁতুলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসকগণ তাহাকে তৎক্ষণাৎ আধুনিক সদর হাসপাতাল, পঞ্চগড়ে প্রেরণ করেন এবং তেতুলিয়া থানা পুলিশ বীরমুক্তিযোদ্ধার পরিবারকে ঘটনাটি অবগত করেন। ৫/১১/২২ ইং তারিখ ভোর ৫.০০টায় পাহারাদার সোহাগের শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটিতে থাকিলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাহাকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাবার পরামর্শ দিলে তিনি সোহাগ কে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। বর্তমানে পাহারাদার সোহাগ রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়তেছে এবং স্থানীয় ভুমিদস্যু-সন্ত্রাসী মিলন-রশিদ, বিল্লু গ্রুপ সন্ত্রাসীগণ বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ কেতাব উদ্দীন খান ও পাহারাদার সোহাগের পরিবারকে উক্ত বিষয় লইয়া কোনো প্রকার মামলা করিতে নিষেধ করতেছে এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ কেতাব উদ্দীন খান ও তাহার পরিবারের সদস্যরা যে কেউ পুণরায় চা-বাগানে আসলে সোহাগের মতো সকলের-ই অবস্থা করবে মর্মে হুমকি প্রদান করতেছে। এমতাবস্থায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ কেতাব উদ্দীন খান পরিবারের সকল সদস্যকে সাথে নিয়ে মৃত্যুর ভয়ে ভীত হয়ে এক আতঙ্কের মধ্যে দিনাতিপাত করছে এবং সকল উর্ধতন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধানের আবেদন জানাচ্ছে।
তেঁতুলিয়া থানাধীন ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দা আলী আকবর, সাত্তার, আরফান, মর্তুজ আলী, আলমগীর সহ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরোও অনেকেই সংবাদ সংগ্রহকারীদের জানান উক্ত গ্রামের বাবলু হত্যা মামলার আাসামী মোঃ আঃ সালাম ভুট্টু বাবলু হত্যা মামলায় আদালত হতে জামিন নিয়ে বাড়ী ফিরে এসে উক্ত স্থানীয় সন্ত্রাসী গ্রুপকে কু-পরামর্শ দেওয়ায় এ ধরণের ঘটনা ঘটেছে মর্মে তারা মনে করেন। ভুমিদস্যু, কু-চক্রীকারী মোঃ আঃ সালাম ভুট্টু ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের সহজ সরল মানুষকে ধোকা দিয়ে নিজস্ব স্বার্থ হাসিল করার জন্য জমি-জমা সংক্রান্ত ঝামেলা তৈরি করে এবং জ্বাল-ভুয়া দলিল তৈরি করে দিয়ে উক্ত দলিলের জমির দখলকে কেন্দ্র করে ডাঙ্গাপাড়া সহ আশেপাশের সকল এলাকায় নিজেদের মধ্যে মারামারি, হত্যা ও নানান রকম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা সহ সকল অসামাজিক কাজ স্থানীয় ভুমিদস্যু-সন্ত্রাসী মিলন-রশিদ, বিল্লু গ্রুপ সন্ত্রাসীগণ দ্বারা পরিচালনা করে থাকে। মোঃ আঃ সালাম ভুট্টুর সাথে স্থানীয় প্রভাবশালী, কু-চক্রী মহলও প্রশাসনের কিছু অসাধু ব্যক্তির সখ্যতার কারণে সে সমাজে দাপটের সাথে এ ধরণের কার্যক্রম চালিয়ে যায় বলে অনেকে মন্তব্য করেন। তাই গ্রামবাসী মোঃ সালাম ভুট্টু, স্থানীয় ভুমিদস্যু-সন্ত্রাসী মিলন-রশিদ, বিল্লু গ্রুপ সন্ত্রাসীগণ সহ তাদের সাথে জড়িত সকল অপরাধীদেরকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবী জানান।