এখন ০৫:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাচায় দুলছে শিম, সম্ভাবনার স্বপ্ন বুনছেন চাষীরা

মিরু হাসান বাপ্পী, বগুড়া সংবাদদাতা -ঃ- চলতি রবি মৌসুমে শিম’র মাচায় দুলছে চাষীর আশার স্বপ্ন। রঙ্গিন ফুল আর সবুজ ফলের সাথে চাষীর মুখের ফুটে উঠেছে মিষ্টি হাসি। বেগুনি রঙ্গের মনোমুগ্ধকর ফুলে প্রকৃতি সেজেছে দারুণ মুগ্ধতায়। মৌসুম শুরুর আগেই এমন মনোরম দৃশ্যে মাচায় ভরে আছে চিলাহাটি এলাকার শিম বাগান।

বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সদর ইউনিয়নে কোমারপুর আগাম শিম চাষ করে ভাল ফলনের সম্ভাবনা দেখছেন ওই এলাকার কৃষকেরা।

শীতকালীন সবজি’র মধ্যে অন্যতম শিম। কয়েক বছর ধরে এলাকায় বাণিজ্যিকভাবে চাষ হচ্ছে আগাম জাতের শিম। অন্যান্য ফসলের তুলনায় কম খরচে বেশী লাভ হওয়ায় দিনদিন এই আবাদে ঝুঁকছেন চাষিরা। আগাম বাজারে নামাতে পারলে ভালো দাম পাওয়া যাবে এমন প্রত্যাশা কৃষকদের।

আদমদীঘি উপজেলার সদর ইউনিয়নে কোমারপুর এলাকার শিম চাষি আব্দুল লতিফ বলেন, ৮.৫শতক জমিতে শিম চাষ করেছি, এতে খরচ হয়েছে ৩ হাজার ২ শত টাকা। এখন পর্যন্ত উৎপাদিত শিম বিক্রি হয়েছে ৬ হাজার টাকা। আশা করছি এবার শিম বিক্রি করে লাভবান হতে পারবো। আবহাওয়া ও জমি চাষের উপযোগী হওয়ায় শিমের ভাল ফলন হয়েছে। এছাড়া বাজারে দাম ভাল থাকায় এবার আগাম জাতের শিম চাষ করেছি।

উপজেলা কৃষি বিভাগের উপ সহকারি কৃষি কর্মকর্তা সুকেশ চন্দ্র পাল জানান, লাউ, শাক, শিম জাতীয় সবজি ৩৮ হেক্টর জমিতে চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। গত রবি মৌসুমে উপজেলায় ৯শত ১০ হেক্টর জমিতে সবজি চাষ অর্জিত হয়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মিঠু চন্দ্র অধিকারী বলেন, আদমদীঘি উপজেলায় মাটি খুবই উর্বর এবং চাষ উপযোগী হওয়ায় এখানকার কৃষকদের সবজি বাগান গড়ে তোলার জন্য কৃষি বিভাগ সার্বিক পরার্মশ দিচ্ছে। রবি’র চলতি মৌসুমে পুরো উপজেলায় প্রায় ১১শত ৫০হেক্টর জমিতে শীতকালীন সবজি আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

মাচায় দুলছে শিম, সম্ভাবনার স্বপ্ন বুনছেন চাষীরা

প্রকাশিত হয়েছে: ১২:১১:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অক্টোবর ২০২২

মিরু হাসান বাপ্পী, বগুড়া সংবাদদাতা -ঃ- চলতি রবি মৌসুমে শিম’র মাচায় দুলছে চাষীর আশার স্বপ্ন। রঙ্গিন ফুল আর সবুজ ফলের সাথে চাষীর মুখের ফুটে উঠেছে মিষ্টি হাসি। বেগুনি রঙ্গের মনোমুগ্ধকর ফুলে প্রকৃতি সেজেছে দারুণ মুগ্ধতায়। মৌসুম শুরুর আগেই এমন মনোরম দৃশ্যে মাচায় ভরে আছে চিলাহাটি এলাকার শিম বাগান।

বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সদর ইউনিয়নে কোমারপুর আগাম শিম চাষ করে ভাল ফলনের সম্ভাবনা দেখছেন ওই এলাকার কৃষকেরা।

শীতকালীন সবজি’র মধ্যে অন্যতম শিম। কয়েক বছর ধরে এলাকায় বাণিজ্যিকভাবে চাষ হচ্ছে আগাম জাতের শিম। অন্যান্য ফসলের তুলনায় কম খরচে বেশী লাভ হওয়ায় দিনদিন এই আবাদে ঝুঁকছেন চাষিরা। আগাম বাজারে নামাতে পারলে ভালো দাম পাওয়া যাবে এমন প্রত্যাশা কৃষকদের।

আদমদীঘি উপজেলার সদর ইউনিয়নে কোমারপুর এলাকার শিম চাষি আব্দুল লতিফ বলেন, ৮.৫শতক জমিতে শিম চাষ করেছি, এতে খরচ হয়েছে ৩ হাজার ২ শত টাকা। এখন পর্যন্ত উৎপাদিত শিম বিক্রি হয়েছে ৬ হাজার টাকা। আশা করছি এবার শিম বিক্রি করে লাভবান হতে পারবো। আবহাওয়া ও জমি চাষের উপযোগী হওয়ায় শিমের ভাল ফলন হয়েছে। এছাড়া বাজারে দাম ভাল থাকায় এবার আগাম জাতের শিম চাষ করেছি।

উপজেলা কৃষি বিভাগের উপ সহকারি কৃষি কর্মকর্তা সুকেশ চন্দ্র পাল জানান, লাউ, শাক, শিম জাতীয় সবজি ৩৮ হেক্টর জমিতে চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। গত রবি মৌসুমে উপজেলায় ৯শত ১০ হেক্টর জমিতে সবজি চাষ অর্জিত হয়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মিঠু চন্দ্র অধিকারী বলেন, আদমদীঘি উপজেলায় মাটি খুবই উর্বর এবং চাষ উপযোগী হওয়ায় এখানকার কৃষকদের সবজি বাগান গড়ে তোলার জন্য কৃষি বিভাগ সার্বিক পরার্মশ দিচ্ছে। রবি’র চলতি মৌসুমে পুরো উপজেলায় প্রায় ১১শত ৫০হেক্টর জমিতে শীতকালীন সবজি আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।