এখন ০৫:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফারুক চৌধুরীকে কেন্দ্রীয় কমিটিতে দেখতে চাই

আলিফ হোসেন, তানোর -ঃ- রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) ভিআইপি এই সংসদীয় আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সাংসদ এবং শহীদ পরিবারের সন্তান, রাজনৈতিক সহাবস্থানের প্রবর্তক, সৎ রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতিকৃতি ও বর্নাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী, জাতীয় চার নেতার অন্যতম শহীদ এএইচএম কামরুজ্জামান হেনার দৌহিত্র (ভাগ্নে) গণমানুষের নেতা আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধূরীকে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে দেখতে চাই রাজশাহী অঞ্চলের দলমত নির্বিশেষে সব শ্রেণী-পেশার মানুষ। পরিচ্ছন্ন ব্যক্তি ইমেজ, পারিবারিক ঐতিহ্য-সামাজিক পরিচিতি, আর্থিক স্বচ্ছলতা, কর্মীবাহিনী, রাজনৈতিক দূরর্শীতা, সাংগঠনিক তৎপরতা, আদর্শিক ও বিশ্বস্ততা নেতৃত্ব হিসেবে কেন্দ্রীয় কমিটিতে সম্মানজনক
স্থান পাবার মতো সব ধরণের যোগ্যতা রয়েছে এমপি ফারুক চৌধূরীর। ইতমধ্যে রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিলে ব্যক্তি স্বার্থকে জলাঞ্জলী ও দলীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে সভাপতি পদে তার বিজয় প্রায় নিশ্চিত এটা জেনেও নিজে সভাপতি প্রার্থী না বিতর্কমুক্ত একটি সুন্দর কমিটি উপহার দিয়ে তিনি তার রাজনৈতিক দূরদর্শীতার প্রমাণ দিয়েছেন।
রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল একটি সূত্র জানায়, নতুন কমিটি ঘোষণার পর রাজশাহী আওয়ামী লীগে রাজনৈতিক অঙ্গনে বেঈমান ও বির্তকিত নেতৃত্বের অবসান ঘটেছে বলে আলোচনা রয়েছে। বিশেষ করে একশ্রেণীর নেতার বিরুদ্ধে টেন্ডারবাজী-দলীয় কর্মসূচির নামে চাঁদাবাজী, দখলবাজী, মাদক স্পট, আবাসিক হোটেল বে-সারকারী ক্লিনিক, শহরের ফুটপাত, টার্মিনাল-স্ট্যান্ড, বালুমহাল, হাট-ঘাট বা সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাঁদাবাজী ও তদ্বির বাণিজ্য, দলের পদ বাণিজ্য, দল ব্যবসা, স্থানীয় নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে অবস্থান, দলীয় এমপিদের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার ও বিরোধীতা করে পৃথক বলয় সৃষ্টির নামে দলীয়কোন্দ্বল সৃষ্টি করে ঘরের মধ্যে ঘর-মশারীর মধ্যে মশারী টাঙ্গিয়েছে ইত্যাদি এমন অভিযোগে অভিযুক্তরা কমিটিতে স্থান না পাওয়ায় তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মধ্যে স্বস্তি বিরাজ করছে বলে মনে করছে মাঠ পর্যায়ের নেতা ও কর্মী-সমর্থকগণ। রাজশাহী আওয়ামী লীগের তৃণমূলের দাবি এমপি ফারুক যেকোনো রাজনৈতিক দলের কাছে একটি বিশাল সম্পদ তায় তারা তাকে কেন্দ্রীয় কমিটিতে সম্মানজনক স্থান দেয়ার জন্য দলের সভাপতি, বঙ্গবন্ধু কন্যা, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে আকুল আবেদন করেছেন বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে। এবিষয়ে তানোর উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ প্রদিপ সরকার বলেন, কেন্দ্রীয় কমিটিতে আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী এমপির অন্তর্ভুক্তি এখন সময়ের দাবি। তিনি বলেন, ফারুক চৌধুরীর মতো নেতৃত্বকে কেন্দ্রীয় কমিটিতে রাখা হলে দল সাংগঠনিক ভাবে আরো বেশী লাভবান হবে। এবিষয়ে আওয়ামী লীগ নেতা আবুল বাসার সুজন বলেন, আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী এমপি আদর্শিক নেতৃত্বের রোল মডেল, তিনি কখানো কোনো পরিস্থিতিতেই দল, নেতা ও নেতৃত্বের সঙ্গে বেঈমানী-বিশ্বাসঘাতকতা করেননি। তিনি বলেন, আমরা দলের সভাপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে আবেদন করেছি আমাদের নেতা ফারুক চৌধুরী এমপিকে যেনো দলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে সম্মানজনক স্থান দেয়া হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

ফারুক চৌধুরীকে কেন্দ্রীয় কমিটিতে দেখতে চাই

প্রকাশিত হয়েছে: ০১:৪০:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২২

আলিফ হোসেন, তানোর -ঃ- রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) ভিআইপি এই সংসদীয় আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সাংসদ এবং শহীদ পরিবারের সন্তান, রাজনৈতিক সহাবস্থানের প্রবর্তক, সৎ রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতিকৃতি ও বর্নাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী, জাতীয় চার নেতার অন্যতম শহীদ এএইচএম কামরুজ্জামান হেনার দৌহিত্র (ভাগ্নে) গণমানুষের নেতা আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধূরীকে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে দেখতে চাই রাজশাহী অঞ্চলের দলমত নির্বিশেষে সব শ্রেণী-পেশার মানুষ। পরিচ্ছন্ন ব্যক্তি ইমেজ, পারিবারিক ঐতিহ্য-সামাজিক পরিচিতি, আর্থিক স্বচ্ছলতা, কর্মীবাহিনী, রাজনৈতিক দূরর্শীতা, সাংগঠনিক তৎপরতা, আদর্শিক ও বিশ্বস্ততা নেতৃত্ব হিসেবে কেন্দ্রীয় কমিটিতে সম্মানজনক
স্থান পাবার মতো সব ধরণের যোগ্যতা রয়েছে এমপি ফারুক চৌধূরীর। ইতমধ্যে রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিলে ব্যক্তি স্বার্থকে জলাঞ্জলী ও দলীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে সভাপতি পদে তার বিজয় প্রায় নিশ্চিত এটা জেনেও নিজে সভাপতি প্রার্থী না বিতর্কমুক্ত একটি সুন্দর কমিটি উপহার দিয়ে তিনি তার রাজনৈতিক দূরদর্শীতার প্রমাণ দিয়েছেন।
রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল একটি সূত্র জানায়, নতুন কমিটি ঘোষণার পর রাজশাহী আওয়ামী লীগে রাজনৈতিক অঙ্গনে বেঈমান ও বির্তকিত নেতৃত্বের অবসান ঘটেছে বলে আলোচনা রয়েছে। বিশেষ করে একশ্রেণীর নেতার বিরুদ্ধে টেন্ডারবাজী-দলীয় কর্মসূচির নামে চাঁদাবাজী, দখলবাজী, মাদক স্পট, আবাসিক হোটেল বে-সারকারী ক্লিনিক, শহরের ফুটপাত, টার্মিনাল-স্ট্যান্ড, বালুমহাল, হাট-ঘাট বা সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাঁদাবাজী ও তদ্বির বাণিজ্য, দলের পদ বাণিজ্য, দল ব্যবসা, স্থানীয় নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে অবস্থান, দলীয় এমপিদের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার ও বিরোধীতা করে পৃথক বলয় সৃষ্টির নামে দলীয়কোন্দ্বল সৃষ্টি করে ঘরের মধ্যে ঘর-মশারীর মধ্যে মশারী টাঙ্গিয়েছে ইত্যাদি এমন অভিযোগে অভিযুক্তরা কমিটিতে স্থান না পাওয়ায় তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মধ্যে স্বস্তি বিরাজ করছে বলে মনে করছে মাঠ পর্যায়ের নেতা ও কর্মী-সমর্থকগণ। রাজশাহী আওয়ামী লীগের তৃণমূলের দাবি এমপি ফারুক যেকোনো রাজনৈতিক দলের কাছে একটি বিশাল সম্পদ তায় তারা তাকে কেন্দ্রীয় কমিটিতে সম্মানজনক স্থান দেয়ার জন্য দলের সভাপতি, বঙ্গবন্ধু কন্যা, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে আকুল আবেদন করেছেন বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে। এবিষয়ে তানোর উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ প্রদিপ সরকার বলেন, কেন্দ্রীয় কমিটিতে আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী এমপির অন্তর্ভুক্তি এখন সময়ের দাবি। তিনি বলেন, ফারুক চৌধুরীর মতো নেতৃত্বকে কেন্দ্রীয় কমিটিতে রাখা হলে দল সাংগঠনিক ভাবে আরো বেশী লাভবান হবে। এবিষয়ে আওয়ামী লীগ নেতা আবুল বাসার সুজন বলেন, আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী এমপি আদর্শিক নেতৃত্বের রোল মডেল, তিনি কখানো কোনো পরিস্থিতিতেই দল, নেতা ও নেতৃত্বের সঙ্গে বেঈমানী-বিশ্বাসঘাতকতা করেননি। তিনি বলেন, আমরা দলের সভাপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে আবেদন করেছি আমাদের নেতা ফারুক চৌধুরী এমপিকে যেনো দলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে সম্মানজনক স্থান দেয়া হয়।