টাঙ্গাইল প্রতিনিধি -ঃ ১০ লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী মৌসুমী আক্তারকে স্বামী ও তার পরিবার নির্যাতন করেছে। টাকা না দিলে স্ত্রীকে ঘরে তুলবে না বলে বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে স্বামী কাজী রানা। এ ঘটনার প্রতিকার চেয়ে নির্যাতনের স্বীকার স্ত্রী মৌসুমী আক্তার টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ সুপারের বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। নির্যাতনের বিষয়ে স্বামী কাজী রানার কাছে জানতে চাইলে সে এ প্রতিবেদককে দেখে নেয়ার হুমকি দিয়েছে।
অভিযোগে জানা যায়, জামালপুর জেলার সদর থানার দেওয়ানপাড়া এলাকার ফারুক হোসেনের মেয়ে মৌসুমী আক্তারের সাথে চলতি বছরের ১৮ মার্চ টাঙ্গাইল জেলার দেলদুয়ার থানার বেতরাইল এলাকার কাজী আবুল হোসেনের ছেলে কাজী রানার সাথে বিবাহ সম্পন্ন হয়। টাঙ্গাইল পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ডের কাজী অফিসে রেজিষ্ট্র্রীকৃত নিকাহ নামায় ৬ লাখ টাকা দেন মোহর ধার্য্য পূবর্ক মৃত ময়েজ উদ্দিনের ছেলে মোঃ সাদেক আলীর উপস্থিতিতে এবং পারভেজ হাসানের ছেলে মোবারকের ওকালতিতে বিবাহ সম্পন্ন হলেও কাজী রানা স্ত্রী মৌসুমীকে নিজ বাড়িতে না উঠিয়ে অন্যত্র বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করতে থাকে। এর ৬ মাস পর গত ১৯ সেপ্টেবর স্ত্রী মৌসুমী আক্তার স্বামী কাজী রানাকে নিজ বাড়িতে নেয়ার কথা বললে তার সাথে খারাপ আচরণ করতে থাকে। এসময় কাজী রানা স্ত্রীর কাছে ১০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে। টাকা না দিলে তাকে বাড়িতে উঠাবে বলে মৌসুমীকে জানিয়ে দেয়। এরপর থেকে কাজী রানা যৌতুকের ১০ লাখ টাকার জন্য নির্যাতন করতে থাকে। এর সাথে যুক্ত হয় কাজী রানার মা ও অন্যান্য স্বজনরা। নির্যাতন থেকে রেহাই পেতে পরিবারের কারো সহযোগিতা পায়নি স্ত্রী মৌসুমী আক্তার। নির্যাতন থেকে প্রতিকার পেতে ও স্বামীর সংসার ফিরে পেতে গত ২ অক্টোবর টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের বরাবর এক অভিযোগ দাখিল করে মৌসুমী আক্তার। মৌসুমী আক্তার জানায়, আমাকে বিবাহের পর থেকেই যৌতুকের জন্য নির্যাতন করতে থাকে কাজী রানা। বিবাহের সময় বা পরে মোহরানার এক টাকাও পরিশোধ করে নাই। উল্টো আমার কাছে ১০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করছে। আমি নিয়মিত নির্যাতনের স্বীকার হচ্ছি। এর সাথে তার মা যৌতুকের টাকার জন্য আমাকে নির্যাতন করছে। এ বিষয়ে গতকাল বুধবার দুপুর সারে বারটায় কাজী রানার কাছে মোবাইল ফোনে (০১৬২৬৭৬১২৫৫) জানতে চাইলে সে ক্ষেপে যায়।













