এখন ০৩:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আখাউড়ায় পেশীশক্তির প্রভাবমুক্ত নির্বাচন দাবি নির্বাচনের চার সদস্য প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন

লায়ন রাকেশ কুমার ঘোষ, স্টাফ রিপোর্টার, আখাউড়া (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) -ঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় জেলা পরিষদ নির্বাচনের সদস্য পদে পেশিশক্তির প্রভাব দেখানো হতে পারে অভিযোগ পাওয়া গেছে। নির্বাচনের চার সদস্য প্রার্থী সোমবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ তুলে প্রভাবমুক্ত নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন।

পৌর এলাকার সড়ক বাজারের কারিমা রেস্টুরেন্টে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সদস্য প্রার্থী মোহাম্মদ আলী ভূইয়া, মোঃ সাইফুল ইসলাম, খন্দকার মোস্তাক আহমেদ উপস্থিত ছিলেন। অপর প্রার্থী মোঃ ইয়াছিন উপস্থিত না থাকলেও মোবাইল ফোনে একাত্মতা প্রকাশ করেন।

লিখিত বক্তব্যে সদস্য প্রার্থী মোহাম্মদ আলী বলেন, আমরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদের আখাউড়া উপজেলা তথা ০৬ নং ওয়ার্ডের সদস্য পদে প্রাথী হয়েছি। নির্বাচনে আমরা ছাড়াও আতাউর রহমান নাজিম নামে একজন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ইতিমধ্যেই আতাউর রহমান নাজিমের পক্ষে আখাউড়া পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তাকজিল খলিফা কাজল এবং তার সাঙ্গপাঙ্গরা নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ ও জোরপূর্বকভাবে জয় ছিনিয়ে নিতে গভীর ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার হওয়ার পর পরই মেয়র কাজল আতাউর রহমান নাজিম আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী বলে তার নিজস্ব লোকজন ও তার চাটুকারদেরকে দিয়ে মিথ্যা অপ্রচার শুরু করে। কিন্তু আমরা সকল প্রার্থীরা মিলে কসবা-আখাউড়া উপজেলার অভিভাবক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের সাথে সাক্ষাৎ করলে তিনি দীপ্ত কণ্ঠে উপস্থিত সবার সামনে ঘোষণা করেন জেলা পরিষদ নির্বাচনে সদস্য পদে আখাউড়া উপজেলাতে কোনো দলীয় প্রার্থী নেই। এ সময় নির্বাচন সুষ্ঠ ও নিরপক্ষ হবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়ে মন্ত্রী মহোদয় আমাদের সকলকে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ভোট প্রার্থণা করার জন্য নির্দেশ দেন।
তিনি আরো অভিযোগ করেন, নির্বাচনে নিশ্চিত পরাজয় হবে ভেবে জেনে ষড়যন্ত্রকারিরা পূর্বের ন্যায় ভোট কেন্দ্র দখল, জোরপূর্বক ভাবে তাদের ভোটাধিকার ছিনিয়ে নেওয়াসহ আতাউর রহমান নাজিমকে ভোট দেওয়ার জন্য মেম্বার ও চেয়ারম্যানদেরকে নানা ধরণের চাপ প্রয়োগ করে আসছে। আপনারা আরো অবগত আছেন বিগত ২০১৯ সালের ২৫ জুলায়ের জেলা পরিষদের উপ-নির্বাচনে মেয়র কাজল এজেন্ট থেকে শক্তি ও ক্ষমতা প্রয়োগ করে নাজিমকে ভোটে জয়ী করে। এমনকি নগ্নভাবে হস্তক্ষেপ করে তাদের সমর্থিত প্রার্থীকে তাদের সামনে ভোট দিতে জোর করে। অধিকাংশ ভোটার প্রকাশ্যে ভোট দিতে স্বীকার করলে তাদের উপর হামলাসহ মারধর করা হয়।
এবারও আতাউর রহমান নাজিমকে তারা নির্বাচনে জয়ী করতে উঠেপড়ে লেগেছে উল্লেখ করে বলা হয়, এবার বলা হচ্ছে যে ভোটাররা যেন তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে যেন মোবাইল ফোনে ছবি তুলে রাখেন। কয়েকজন ছাত্রলীগ নেতা এবং প্রভাবশালী ব্যক্তি এ কাজটি নিশ্চিত করবেন বলে তাদের কাছে খবর রয়েছে। যে কারণে তাদেরকে ভোটের আগেই নিয়ন্ত্রণ করতে প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানানো হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

আখাউড়ায় পেশীশক্তির প্রভাবমুক্ত নির্বাচন দাবি নির্বাচনের চার সদস্য প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিত হয়েছে: ১০:২৪:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ অক্টোবর ২০২২

লায়ন রাকেশ কুমার ঘোষ, স্টাফ রিপোর্টার, আখাউড়া (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) -ঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় জেলা পরিষদ নির্বাচনের সদস্য পদে পেশিশক্তির প্রভাব দেখানো হতে পারে অভিযোগ পাওয়া গেছে। নির্বাচনের চার সদস্য প্রার্থী সোমবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ তুলে প্রভাবমুক্ত নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন।

পৌর এলাকার সড়ক বাজারের কারিমা রেস্টুরেন্টে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সদস্য প্রার্থী মোহাম্মদ আলী ভূইয়া, মোঃ সাইফুল ইসলাম, খন্দকার মোস্তাক আহমেদ উপস্থিত ছিলেন। অপর প্রার্থী মোঃ ইয়াছিন উপস্থিত না থাকলেও মোবাইল ফোনে একাত্মতা প্রকাশ করেন।

লিখিত বক্তব্যে সদস্য প্রার্থী মোহাম্মদ আলী বলেন, আমরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদের আখাউড়া উপজেলা তথা ০৬ নং ওয়ার্ডের সদস্য পদে প্রাথী হয়েছি। নির্বাচনে আমরা ছাড়াও আতাউর রহমান নাজিম নামে একজন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ইতিমধ্যেই আতাউর রহমান নাজিমের পক্ষে আখাউড়া পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তাকজিল খলিফা কাজল এবং তার সাঙ্গপাঙ্গরা নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ ও জোরপূর্বকভাবে জয় ছিনিয়ে নিতে গভীর ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার হওয়ার পর পরই মেয়র কাজল আতাউর রহমান নাজিম আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী বলে তার নিজস্ব লোকজন ও তার চাটুকারদেরকে দিয়ে মিথ্যা অপ্রচার শুরু করে। কিন্তু আমরা সকল প্রার্থীরা মিলে কসবা-আখাউড়া উপজেলার অভিভাবক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের সাথে সাক্ষাৎ করলে তিনি দীপ্ত কণ্ঠে উপস্থিত সবার সামনে ঘোষণা করেন জেলা পরিষদ নির্বাচনে সদস্য পদে আখাউড়া উপজেলাতে কোনো দলীয় প্রার্থী নেই। এ সময় নির্বাচন সুষ্ঠ ও নিরপক্ষ হবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়ে মন্ত্রী মহোদয় আমাদের সকলকে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ভোট প্রার্থণা করার জন্য নির্দেশ দেন।
তিনি আরো অভিযোগ করেন, নির্বাচনে নিশ্চিত পরাজয় হবে ভেবে জেনে ষড়যন্ত্রকারিরা পূর্বের ন্যায় ভোট কেন্দ্র দখল, জোরপূর্বক ভাবে তাদের ভোটাধিকার ছিনিয়ে নেওয়াসহ আতাউর রহমান নাজিমকে ভোট দেওয়ার জন্য মেম্বার ও চেয়ারম্যানদেরকে নানা ধরণের চাপ প্রয়োগ করে আসছে। আপনারা আরো অবগত আছেন বিগত ২০১৯ সালের ২৫ জুলায়ের জেলা পরিষদের উপ-নির্বাচনে মেয়র কাজল এজেন্ট থেকে শক্তি ও ক্ষমতা প্রয়োগ করে নাজিমকে ভোটে জয়ী করে। এমনকি নগ্নভাবে হস্তক্ষেপ করে তাদের সমর্থিত প্রার্থীকে তাদের সামনে ভোট দিতে জোর করে। অধিকাংশ ভোটার প্রকাশ্যে ভোট দিতে স্বীকার করলে তাদের উপর হামলাসহ মারধর করা হয়।
এবারও আতাউর রহমান নাজিমকে তারা নির্বাচনে জয়ী করতে উঠেপড়ে লেগেছে উল্লেখ করে বলা হয়, এবার বলা হচ্ছে যে ভোটাররা যেন তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে যেন মোবাইল ফোনে ছবি তুলে রাখেন। কয়েকজন ছাত্রলীগ নেতা এবং প্রভাবশালী ব্যক্তি এ কাজটি নিশ্চিত করবেন বলে তাদের কাছে খবর রয়েছে। যে কারণে তাদেরকে ভোটের আগেই নিয়ন্ত্রণ করতে প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানানো হয়।