এখন ০৩:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নাঙ্গলকোটে যুদ্ধাপরাধীর নাতি ও উপজেলা চেয়ারম্যানের ছেলে ডিস ব্যবসায়ীকে মেরে আহত

কুমিল্লা সংবাদদাতা -ঃ নাঙ্গলকোটে যুদ্ধাপরাধীর নাতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান শামসুদ্দিন কালুর ছেলে মহিন উদ্দিন ডিস ব্যবসায়ী কবিরকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানা যায় শামসুদ্দিন কালুর ছেলে মহিন উদ্দিন ও কবির হোসেন দীর্ঘদিন যাবৎ নাঙ্গলকোটে ডিস ব্যবসা করে আসছে। কয়েকদিন থেকে দু’জনের মধ্যে ডিস বিল পরিশোধিত টাকাপয়সা নিয়ে বিরোধ লেগে আছে।
গতকাল(৬অক্টোবর) নাঙ্গলকোট উত্তর পাড়া দোকানের সামনে মহিন উদ্দিন কবিরকে ডেকে এনে কথা কাটাকাটির মধ্যে এলোপাতাড়ি কিল ঘুষি লাথি মারতে থাকে। একপর্যায়ে কবির মাটিতে নুড়ে পড়লেও মারতে থামেনি মহিন।
কবিরের ডাক চিৎকারে আসপাশের লোকজন আসলে মহিন পালিয়ে যায়।
আহত অবস্থায় কবিরকে স্থানীয় লোকজন নাঙ্গলকোট পাটোয়ারী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন- কবির ও মহিন দাঁড়িয়ে কথা বলতেছে। তৎক্ষনাৎ কবিরের উপর মহিন আক্রমনাত্মক হয়ে উঠে। আমরা সবাই মিলে দৌড়ে আসলে কবিরকে মেরে আহত করে মহিন চলে যায়। তবে- কি জন্য মেরেছে তা জানি না।

হামলার বিষয়ে কবিরের পরিবারের পক্ষ থেকে জানান- কয়েকদিন থেকেই মহিন কবিরকে হুমকি ধমকি দিয়ে আসছে এবং তা বাস্তব চিত্র হামলার শিকার হয়ে আহত হয়ে কবির হাসপাতালের।

হামলার বিষয়ে নাঙ্গলকোট থানার অফিসার ইনচার্জ ফারুক আহম্মেদ জানান- হামলার অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নিবো।

অতঃপর শামসুদ্দিন কালু ও তার ছেলে মহিন, কবিরসহ তার পরিবারের লোকজনকে হুমকি ধমকি দেখিয়ে সমঝোতা করতে বাধ্য করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

নাঙ্গলকোটে যুদ্ধাপরাধীর নাতি ও উপজেলা চেয়ারম্যানের ছেলে ডিস ব্যবসায়ীকে মেরে আহত

প্রকাশিত হয়েছে: ০৩:১৬:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ অক্টোবর ২০২২

কুমিল্লা সংবাদদাতা -ঃ নাঙ্গলকোটে যুদ্ধাপরাধীর নাতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান শামসুদ্দিন কালুর ছেলে মহিন উদ্দিন ডিস ব্যবসায়ী কবিরকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানা যায় শামসুদ্দিন কালুর ছেলে মহিন উদ্দিন ও কবির হোসেন দীর্ঘদিন যাবৎ নাঙ্গলকোটে ডিস ব্যবসা করে আসছে। কয়েকদিন থেকে দু’জনের মধ্যে ডিস বিল পরিশোধিত টাকাপয়সা নিয়ে বিরোধ লেগে আছে।
গতকাল(৬অক্টোবর) নাঙ্গলকোট উত্তর পাড়া দোকানের সামনে মহিন উদ্দিন কবিরকে ডেকে এনে কথা কাটাকাটির মধ্যে এলোপাতাড়ি কিল ঘুষি লাথি মারতে থাকে। একপর্যায়ে কবির মাটিতে নুড়ে পড়লেও মারতে থামেনি মহিন।
কবিরের ডাক চিৎকারে আসপাশের লোকজন আসলে মহিন পালিয়ে যায়।
আহত অবস্থায় কবিরকে স্থানীয় লোকজন নাঙ্গলকোট পাটোয়ারী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন- কবির ও মহিন দাঁড়িয়ে কথা বলতেছে। তৎক্ষনাৎ কবিরের উপর মহিন আক্রমনাত্মক হয়ে উঠে। আমরা সবাই মিলে দৌড়ে আসলে কবিরকে মেরে আহত করে মহিন চলে যায়। তবে- কি জন্য মেরেছে তা জানি না।

হামলার বিষয়ে কবিরের পরিবারের পক্ষ থেকে জানান- কয়েকদিন থেকেই মহিন কবিরকে হুমকি ধমকি দিয়ে আসছে এবং তা বাস্তব চিত্র হামলার শিকার হয়ে আহত হয়ে কবির হাসপাতালের।

হামলার বিষয়ে নাঙ্গলকোট থানার অফিসার ইনচার্জ ফারুক আহম্মেদ জানান- হামলার অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নিবো।

অতঃপর শামসুদ্দিন কালু ও তার ছেলে মহিন, কবিরসহ তার পরিবারের লোকজনকে হুমকি ধমকি দেখিয়ে সমঝোতা করতে বাধ্য করেন।