এখন ০২:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে দীর্ঘদিন পর এনজিওগ্রাম ও সিটি স্ক্যান মেশিন চালু হলো

মোঃ জহিরুল ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টার -ঃ দীর্ঘদিন পরে বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এনজিওগ্রাম ও সিটি স্ক্যান মেশিন চালু হয়েছে। এতে খুশি হয়েছে রোগীসহ তাদের স্বজনরা এবং সাধারণ মানুষরা। কর্মব্যস্ততা ফিরেছে হাসপাতালের এনজিওগ্রাম ও সিটি স্ক্যান বিভাগে। প্রায় চার বছর পর এনজিওগ্রাম মেশিন ও প্রায় আড়াই বছর পর সিটি স্ক্যান মেশিন চালু হলো। সিটি স্ক্যান বিভাগে প্রতিদিন সেবা নিচ্ছে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ জন রোগী। এদিকে চিকিৎসকরা দক্ষ টেকনিশিয়ান ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নার্স নিয়োগের দাবি জানান বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ডা. এম সালেহ উদ্দিন। সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালের ২৪ ডিসেম্বর এনজিওগ্রাম মেশিনটি নষ্ট হয়। আর ২০২০ সালের ২০ জুন নষ্ট হয় সিটি স্ক্যান মেশিন। দীর্ঘদিন মেশিন দুটি অচল থাকায় বিভাগের প্রায় অর্ধলক্ষ অসুস্থ মানুষের সেবা থেকে বঞ্চিত ছিলো। তবে নতুন করে চালু হওয়ার পর এরইমধ্যে ২ জন রোগীর এনজিওগ্রাম করা সম্পন্ন হয়েছে, ভবিষ্যতে রিং পড়ানোর চিন্তা ভাবনাও রয়েছে বলে জানিয়েছেন এ বিভাগের দায়িত্বরতরা।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে দীর্ঘদিন পর এনজিওগ্রাম ও সিটি স্ক্যান মেশিন চালু হলো

প্রকাশিত হয়েছে: ০৩:০৬:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অক্টোবর ২০২২

মোঃ জহিরুল ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টার -ঃ দীর্ঘদিন পরে বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এনজিওগ্রাম ও সিটি স্ক্যান মেশিন চালু হয়েছে। এতে খুশি হয়েছে রোগীসহ তাদের স্বজনরা এবং সাধারণ মানুষরা। কর্মব্যস্ততা ফিরেছে হাসপাতালের এনজিওগ্রাম ও সিটি স্ক্যান বিভাগে। প্রায় চার বছর পর এনজিওগ্রাম মেশিন ও প্রায় আড়াই বছর পর সিটি স্ক্যান মেশিন চালু হলো। সিটি স্ক্যান বিভাগে প্রতিদিন সেবা নিচ্ছে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ জন রোগী। এদিকে চিকিৎসকরা দক্ষ টেকনিশিয়ান ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নার্স নিয়োগের দাবি জানান বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ডা. এম সালেহ উদ্দিন। সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালের ২৪ ডিসেম্বর এনজিওগ্রাম মেশিনটি নষ্ট হয়। আর ২০২০ সালের ২০ জুন নষ্ট হয় সিটি স্ক্যান মেশিন। দীর্ঘদিন মেশিন দুটি অচল থাকায় বিভাগের প্রায় অর্ধলক্ষ অসুস্থ মানুষের সেবা থেকে বঞ্চিত ছিলো। তবে নতুন করে চালু হওয়ার পর এরইমধ্যে ২ জন রোগীর এনজিওগ্রাম করা সম্পন্ন হয়েছে, ভবিষ্যতে রিং পড়ানোর চিন্তা ভাবনাও রয়েছে বলে জানিয়েছেন এ বিভাগের দায়িত্বরতরা।