এখন ০৫:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আদমদীঘিতে পৃথক পৃথক হত্যা মামলায় গ্রেফতার-২

মিরু হাসান বাপ্পী, বগুড়া সংবাদদাতা -ঃ বগুড়ার আদমদীঘিতে বিয়ের মাত্র ৬ মাস পর সৈয়দা সারাহ্ প্রিয়াসা নামের এক গৃহবধূ এবং রাশেদুল ইসলাম নামের এক যুবককে হত্যার অভিযোগে দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

রোববার দুপুরে পৃথক ঘটনায় দুই আসামিকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।

গ্রেফতার কৃতরা হলেন- সান্তাহার পৌর শহরের আদর্শপাড়ার কালাম হোসেনের ছেলে জেন্টু (২৮)। ও উপজেলার ডহরপুর গ্রামের আনোয়ারুল হকের ছেলে নাসরুল্লাহ হক ঐক্য (২৭)

জানা গেছে, আদমদীঘি রহিম উদ্দীন ডিগ্রী কলেজের সহকারি অধ্যাপক আনোয়ারুল হক পল্টুর ছেলে নাসরুল্লাহ হক ঐক্যের সাথে নওগাঁর চাকলা বক্তারপুর গ্রামের জসিম উদ্দিনের মেয়ে সৈয়দা সারাহ্ আহমেদ প্রিয়াসার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সেই সুবাদে গত ছয় মাস আগে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। বিয়ের পর থেকে নাসরুল্লাহ্ ঐক্য যৌতুকের দাবি করে আসছিল (১০ লাখ টাকা)। প্রিয়াসার পরিবার যৌতুকের টাকা দিতে অস্বীকার করলে মাঝে মধ্যে মারধর করা হতো প্রিয়াসাকে।

এমন অবস্থায় শনিবার সন্ধ্যায় ঐক্যের বাবা আনোয়ারুল হক (পল্টু) তার মুঠোফোন দিয়ে প্রিয়াসার দুলাভাই আব্দুল মালেকে প্রথমে অসুস্থ্যতার কথা জানান আবার কিছুক্ষণ পরেই প্রিয়াসার মৃত্যুর খবর জানান। খবর পেয়ে প্রিয়াসার পরিবারের লোকজন দ্রুত ছুটে এসে দাখেন শয়ন কক্ষের খাটের উপর তার মরদেহ। প্রিয়াসাকে মারধর ও শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ এনে রোববার দুপুরে নিহতের মা ইয়াসমিন আহম্মেদ বাদী হয়ে নাসরুল্লাহ হক, তার বাবা আনোয়ারুল হক (৬০) ও মা খন্দকার নিশাত বানুর (৪৫) বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা করেন। সেই মামলায় নাসরুল্লাহ্ ঐক্যকে গ্রেফতার দেখিয়ে জেল হাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ।

অপরদিকে উপজেলার সান্তাহার পৌর শহরের আদর্শপাড়া এলাকায় শনিবার রাশেদুল ইসলাম নামের এক যুবককে মারধরের ঘটনায় তিনি নিজেই বাদী হয়ে শনিবার সকালে থানায় একটি অভিযোগ করেন। এরপর আহত রাশেদুলকে নওগাঁ সদর হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার রাত ৮ টার দিকে হাসপাতালে মারা যান তিনি। সেই অভিযোগে একই এলাকার জেন্টু (২৮) নামের যুবককে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

অভিযোগের অন্য আসামিরা হলেন- গ্রেফতার জেন্টুর বাবা কালাম ও তার চাচা কান্টু।

আদমদীঘি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রেজাউল করিম রেজা জানান, পৃথক ঘটনায় দুটি লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। দু’জনকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

আদমদীঘিতে পৃথক পৃথক হত্যা মামলায় গ্রেফতার-২

প্রকাশিত হয়েছে: ০৮:৫০:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ অক্টোবর ২০২২

মিরু হাসান বাপ্পী, বগুড়া সংবাদদাতা -ঃ বগুড়ার আদমদীঘিতে বিয়ের মাত্র ৬ মাস পর সৈয়দা সারাহ্ প্রিয়াসা নামের এক গৃহবধূ এবং রাশেদুল ইসলাম নামের এক যুবককে হত্যার অভিযোগে দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

রোববার দুপুরে পৃথক ঘটনায় দুই আসামিকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।

গ্রেফতার কৃতরা হলেন- সান্তাহার পৌর শহরের আদর্শপাড়ার কালাম হোসেনের ছেলে জেন্টু (২৮)। ও উপজেলার ডহরপুর গ্রামের আনোয়ারুল হকের ছেলে নাসরুল্লাহ হক ঐক্য (২৭)

জানা গেছে, আদমদীঘি রহিম উদ্দীন ডিগ্রী কলেজের সহকারি অধ্যাপক আনোয়ারুল হক পল্টুর ছেলে নাসরুল্লাহ হক ঐক্যের সাথে নওগাঁর চাকলা বক্তারপুর গ্রামের জসিম উদ্দিনের মেয়ে সৈয়দা সারাহ্ আহমেদ প্রিয়াসার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সেই সুবাদে গত ছয় মাস আগে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। বিয়ের পর থেকে নাসরুল্লাহ্ ঐক্য যৌতুকের দাবি করে আসছিল (১০ লাখ টাকা)। প্রিয়াসার পরিবার যৌতুকের টাকা দিতে অস্বীকার করলে মাঝে মধ্যে মারধর করা হতো প্রিয়াসাকে।

এমন অবস্থায় শনিবার সন্ধ্যায় ঐক্যের বাবা আনোয়ারুল হক (পল্টু) তার মুঠোফোন দিয়ে প্রিয়াসার দুলাভাই আব্দুল মালেকে প্রথমে অসুস্থ্যতার কথা জানান আবার কিছুক্ষণ পরেই প্রিয়াসার মৃত্যুর খবর জানান। খবর পেয়ে প্রিয়াসার পরিবারের লোকজন দ্রুত ছুটে এসে দাখেন শয়ন কক্ষের খাটের উপর তার মরদেহ। প্রিয়াসাকে মারধর ও শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ এনে রোববার দুপুরে নিহতের মা ইয়াসমিন আহম্মেদ বাদী হয়ে নাসরুল্লাহ হক, তার বাবা আনোয়ারুল হক (৬০) ও মা খন্দকার নিশাত বানুর (৪৫) বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা করেন। সেই মামলায় নাসরুল্লাহ্ ঐক্যকে গ্রেফতার দেখিয়ে জেল হাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ।

অপরদিকে উপজেলার সান্তাহার পৌর শহরের আদর্শপাড়া এলাকায় শনিবার রাশেদুল ইসলাম নামের এক যুবককে মারধরের ঘটনায় তিনি নিজেই বাদী হয়ে শনিবার সকালে থানায় একটি অভিযোগ করেন। এরপর আহত রাশেদুলকে নওগাঁ সদর হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার রাত ৮ টার দিকে হাসপাতালে মারা যান তিনি। সেই অভিযোগে একই এলাকার জেন্টু (২৮) নামের যুবককে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

অভিযোগের অন্য আসামিরা হলেন- গ্রেফতার জেন্টুর বাবা কালাম ও তার চাচা কান্টু।

আদমদীঘি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রেজাউল করিম রেজা জানান, পৃথক ঘটনায় দুটি লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। দু’জনকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।