এখন ০৪:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রংপুরে অগ্রণী ব্যাংকের একটি শাখা থেকে এক নিরাপত্তা প্রহরীর মরদেহ উদ্ধার

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর জেলা প্রতিনিধি -ঃ রংপুরে অগ্রণী ব্যাংকের একটি শাখা থেকে এক নিরাপত্তা প্রহরীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত ব্যক্তির নাম শামীম মিয়া (২৫)। তিনি মারা যাওয়ার ১০ দিন আগে বিয়ে করেছিলেন।
শামীম রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার রানীপুকুর গ্রামের আমজাদ হোসেনের ছেলে। দেড় বছরের বেশি সময় ধরে আগ্রণী ব্যাংকে নিরাপত্তা প্রহরীর দায়িত্ব পালন করছিলেন তিনি।
রোববার সকালে নগরীর সেন্ট্রাল রোডের শাখা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
ওই ব্যাংকের ব্যবস্থাপক আরিফুল ইসলাম বলেন, শামীম সেখানে ১৭ মাস থেকে নিরাপত্তা প্রহরী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। ১০ দিন আগে তিনি বিয়ে করেছেন। রোববার সকালে শাখার লোকজন ব্যাংকে এসে দেখতে পান শামীম শুয়ে আছেন। অনেক ডাকাডাকির পরও কোনো সাড়া-শব্দ না পাওয়ায় তাদের সন্দেহ সৃষ্টি হয়।
কাছে গিয়ে দেখেন শামীমের মুখ দিয়ে লালা ঝরছে এবং তিনি মারা গেছেন। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়া হয়। পরে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।
এদিকে শামীমের ভাই শরিফুল বলেন, শামীম প্রতিদিন সন্ধ্যায় বাড়ি যেত এবং সকালে ব্যাংকে আসতো। কিন্তু গতকাল সে বাড়িতে যায়নি। হঠাৎ কী হয়ে গেল, তা এখনো কেউ বুঝে উঠতে পারছি না।
বিষয়টি নিশ্চিত করে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হোসেন আলী বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

রংপুরে অগ্রণী ব্যাংকের একটি শাখা থেকে এক নিরাপত্তা প্রহরীর মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত হয়েছে: ০১:২০:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২২

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর জেলা প্রতিনিধি -ঃ রংপুরে অগ্রণী ব্যাংকের একটি শাখা থেকে এক নিরাপত্তা প্রহরীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত ব্যক্তির নাম শামীম মিয়া (২৫)। তিনি মারা যাওয়ার ১০ দিন আগে বিয়ে করেছিলেন।
শামীম রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার রানীপুকুর গ্রামের আমজাদ হোসেনের ছেলে। দেড় বছরের বেশি সময় ধরে আগ্রণী ব্যাংকে নিরাপত্তা প্রহরীর দায়িত্ব পালন করছিলেন তিনি।
রোববার সকালে নগরীর সেন্ট্রাল রোডের শাখা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
ওই ব্যাংকের ব্যবস্থাপক আরিফুল ইসলাম বলেন, শামীম সেখানে ১৭ মাস থেকে নিরাপত্তা প্রহরী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। ১০ দিন আগে তিনি বিয়ে করেছেন। রোববার সকালে শাখার লোকজন ব্যাংকে এসে দেখতে পান শামীম শুয়ে আছেন। অনেক ডাকাডাকির পরও কোনো সাড়া-শব্দ না পাওয়ায় তাদের সন্দেহ সৃষ্টি হয়।
কাছে গিয়ে দেখেন শামীমের মুখ দিয়ে লালা ঝরছে এবং তিনি মারা গেছেন। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়া হয়। পরে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।
এদিকে শামীমের ভাই শরিফুল বলেন, শামীম প্রতিদিন সন্ধ্যায় বাড়ি যেত এবং সকালে ব্যাংকে আসতো। কিন্তু গতকাল সে বাড়িতে যায়নি। হঠাৎ কী হয়ে গেল, তা এখনো কেউ বুঝে উঠতে পারছি না।
বিষয়টি নিশ্চিত করে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হোসেন আলী বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।