এখন ০৪:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কাজিরহাটে তালাক প্রাপ্ত পুত্র বধু, শাশুড়ীকে মারপিট করে বের করে দিয়ে জোড় করে ঘর দখলের অভিযোগ

এস এম শাহ আলম, বিশেষ প্রতিনিধি -ঃ কাজিরহাট থানার সন্তোষপুর গ্রামে শামসুর হক এর ছেলে রায়হান এর সাথে প্রায় তিন বছর আগে হিজলা উপজেলার মহিষখোলা গ্রামের মালেক সরদারের মেয়ে আকলিমা আক্তারের সাথে তিন লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা দেনমোহরে বিবাহ হয়।বিবাহের পর থেকেই রায়হান এর স্ত্রী আকলিমার সাথে বিরোধ সৃষ্টি হয়। পূর্বে ১০ বছর আগে রায়হান প্রবাসে (রোমানিয়া) থাকতেন ওখান থেকে এসে আকলিমা কে বিয়ে ১৫দিন পর রায়হান আবার প্রবাসে চলে যায়। রায়হান প্রবাসে যাওয়ার পরে তাহার স্ত্রী আকলিমা রায়হানকে ফোন করে দ্রুত দেশে আসার জন্য বলে। রায়হান তখন স্ত্রীর ফোন পেয়ে আবার ৩ মাস পরে দেশে চলে আসেন।দেশে আসার পর আকলিমার বিভিন্ন রকমের অপকর্মের কথা এলাকার লোকজনের কাছে জানতে পারে। এক পর্যায়ে এক সপ্তাহ পার হয়ে গেলে স্ত্রী আকলিমার রায়হানের কথা কাটাকাটি হলে স্ত্রী আকলিমা রায়হানকে নির্যাতন শুরু করে বলে জানা যায়, রায়হান স্ত্রীর নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে পুনরায় আবার এক সপ্তাহ পরে প্রবাসে (রোমানিয়া) চলে যান। এরপর আকলিমা তাহার শশুড়-শাশুড়ীকে নির্যাতন শুরু করে এবং বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে রাত্রিযাপন করেন বলে জানান ভুক্তভোগী শাশুড়ি। এ বেপারে তাহার শাশুড়ী জিজ্ঞেস করলে তুমি কোথায় ছিলে তখন ক্ষিপ্ত হয়ে শাশুড়ীকে গালমন্দ করে ও নির্যাতন করে এমনকি তার শশুড় শামসুল হককে নির্যাতন করতো। মোবাইল ফোনে প্রবাসে (রোমানিয়া) বসে রায়হান তার মা বাবার নির্যাতনের কথা জানতে পেরে ২১/০২/২২ইং আকলিমাকে ডাকযোগে একটি তালাকনামা পাঠিয়ে দেন। হিজলা হরিনাথপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের মাধ্যমে তালাকনামা পাঠালে তালাকনামার বিষয়টি আকলিমা জানতে পায়। তখন আকলিমা বরিশালে রায়হানও তার বোন শিল্পী বেগম এবং রায়হানের মা সাহানুর বেগম কে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা টি বর্তমানে চলমান আছে। গতকাল ১৪/০৯/২২ইং তারিখে আনুমানিক সন্ধ্যা ৬:৩০ মিনিটে রায়হানের বাসায় প্রবেশ করে তার শাশুড়ী সাহানুর বেগম ও ননদ শিল্পীকে মারধর করে জোরপূর্বক ঘর থেকে তাড়িয়ে দেয়। রায়হানের বোন শিল্পী দ্রুত কাজিরহাট থানায় ফোন করেন কাজিরহাট থানায় ইনচার্জ ওসি জুবাইর সংবাদ পেয়ে এস আই প্রদীপ ও ফোর্স সহ ঘটনাস্থলে পাঠান। ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে শাশুড়ী সাহানুরের কাছে জানতে চাইলে সাহানুর বেগম জানায় আমার ছেলে কয়েকমাস আগে আকলিমাকে তালাক দিয়েছে তালাক প্রাপ্ত আকলিমা আমার ঘরে কিভাবে ডুকে আমাকে মারধর করে তাড়িয়ে দেয়। কাজিরহাট থানার পুলিশ আকলিমার সাথে আলাপ করলে সে জানায় আমি ওই তালাক মানি না এবং ঘর থেকে বাহির হবো না। অতঃপর সাহানুর বেগম তার মেয়ে শিল্পী থানায় চলে আসেন এবং শিল্পী বাদী হয়ে একটি জিডি করেন। সাহানুর বেগম মুলাদী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেওয়ার জন্য ভর্তি হন। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত আকলিমা এখনো রায়হানের বাসা দখল করে আছেন। এলাকার সাধারণ মানুষের ভিতরে চাপা ক্ষোভ যে তালাক প্রাপ্ত স্ত্রী কিভাবে শাশুড়ীকে মারপিট করে বের করে দিয়ে ঘরে এখনো বসবাস করে। এ বেপারে কথা হয় কাজিরহাট থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি জুবাইর এর সাথে, তিনি বলেন এটি তাদের পারিবারিক বেপার তাদের আদালতে মামলা চলমান আমি সিনিয়র অফিসার দের সাথে আলাপ করেছি আইনের প্রক্রিয়া চলছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

কাজিরহাটে তালাক প্রাপ্ত পুত্র বধু, শাশুড়ীকে মারপিট করে বের করে দিয়ে জোড় করে ঘর দখলের অভিযোগ

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:০৯:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২২

এস এম শাহ আলম, বিশেষ প্রতিনিধি -ঃ কাজিরহাট থানার সন্তোষপুর গ্রামে শামসুর হক এর ছেলে রায়হান এর সাথে প্রায় তিন বছর আগে হিজলা উপজেলার মহিষখোলা গ্রামের মালেক সরদারের মেয়ে আকলিমা আক্তারের সাথে তিন লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা দেনমোহরে বিবাহ হয়।বিবাহের পর থেকেই রায়হান এর স্ত্রী আকলিমার সাথে বিরোধ সৃষ্টি হয়। পূর্বে ১০ বছর আগে রায়হান প্রবাসে (রোমানিয়া) থাকতেন ওখান থেকে এসে আকলিমা কে বিয়ে ১৫দিন পর রায়হান আবার প্রবাসে চলে যায়। রায়হান প্রবাসে যাওয়ার পরে তাহার স্ত্রী আকলিমা রায়হানকে ফোন করে দ্রুত দেশে আসার জন্য বলে। রায়হান তখন স্ত্রীর ফোন পেয়ে আবার ৩ মাস পরে দেশে চলে আসেন।দেশে আসার পর আকলিমার বিভিন্ন রকমের অপকর্মের কথা এলাকার লোকজনের কাছে জানতে পারে। এক পর্যায়ে এক সপ্তাহ পার হয়ে গেলে স্ত্রী আকলিমার রায়হানের কথা কাটাকাটি হলে স্ত্রী আকলিমা রায়হানকে নির্যাতন শুরু করে বলে জানা যায়, রায়হান স্ত্রীর নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে পুনরায় আবার এক সপ্তাহ পরে প্রবাসে (রোমানিয়া) চলে যান। এরপর আকলিমা তাহার শশুড়-শাশুড়ীকে নির্যাতন শুরু করে এবং বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে রাত্রিযাপন করেন বলে জানান ভুক্তভোগী শাশুড়ি। এ বেপারে তাহার শাশুড়ী জিজ্ঞেস করলে তুমি কোথায় ছিলে তখন ক্ষিপ্ত হয়ে শাশুড়ীকে গালমন্দ করে ও নির্যাতন করে এমনকি তার শশুড় শামসুল হককে নির্যাতন করতো। মোবাইল ফোনে প্রবাসে (রোমানিয়া) বসে রায়হান তার মা বাবার নির্যাতনের কথা জানতে পেরে ২১/০২/২২ইং আকলিমাকে ডাকযোগে একটি তালাকনামা পাঠিয়ে দেন। হিজলা হরিনাথপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের মাধ্যমে তালাকনামা পাঠালে তালাকনামার বিষয়টি আকলিমা জানতে পায়। তখন আকলিমা বরিশালে রায়হানও তার বোন শিল্পী বেগম এবং রায়হানের মা সাহানুর বেগম কে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা টি বর্তমানে চলমান আছে। গতকাল ১৪/০৯/২২ইং তারিখে আনুমানিক সন্ধ্যা ৬:৩০ মিনিটে রায়হানের বাসায় প্রবেশ করে তার শাশুড়ী সাহানুর বেগম ও ননদ শিল্পীকে মারধর করে জোরপূর্বক ঘর থেকে তাড়িয়ে দেয়। রায়হানের বোন শিল্পী দ্রুত কাজিরহাট থানায় ফোন করেন কাজিরহাট থানায় ইনচার্জ ওসি জুবাইর সংবাদ পেয়ে এস আই প্রদীপ ও ফোর্স সহ ঘটনাস্থলে পাঠান। ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে শাশুড়ী সাহানুরের কাছে জানতে চাইলে সাহানুর বেগম জানায় আমার ছেলে কয়েকমাস আগে আকলিমাকে তালাক দিয়েছে তালাক প্রাপ্ত আকলিমা আমার ঘরে কিভাবে ডুকে আমাকে মারধর করে তাড়িয়ে দেয়। কাজিরহাট থানার পুলিশ আকলিমার সাথে আলাপ করলে সে জানায় আমি ওই তালাক মানি না এবং ঘর থেকে বাহির হবো না। অতঃপর সাহানুর বেগম তার মেয়ে শিল্পী থানায় চলে আসেন এবং শিল্পী বাদী হয়ে একটি জিডি করেন। সাহানুর বেগম মুলাদী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেওয়ার জন্য ভর্তি হন। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত আকলিমা এখনো রায়হানের বাসা দখল করে আছেন। এলাকার সাধারণ মানুষের ভিতরে চাপা ক্ষোভ যে তালাক প্রাপ্ত স্ত্রী কিভাবে শাশুড়ীকে মারপিট করে বের করে দিয়ে ঘরে এখনো বসবাস করে। এ বেপারে কথা হয় কাজিরহাট থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি জুবাইর এর সাথে, তিনি বলেন এটি তাদের পারিবারিক বেপার তাদের আদালতে মামলা চলমান আমি সিনিয়র অফিসার দের সাথে আলাপ করেছি আইনের প্রক্রিয়া চলছে।