এখন ০৫:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিদ্যালয়ে শ্রমিক বিল ১২হাজার, রেজুলেশনে ২৫হাজার, টিউশন ফি ৭০হাজার স্টাফদের মধ্যে ভাগাভাগি

  • ক্রাইম লেটার ডেস্ক
  • প্রকাশিত হয়েছে: ০২:৫৩:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২
  • ৬৯৬ পড়া হয়েছে

বিশেষ প্রতিনিধি, বগুড়া শাজাহানপুর -ঃ শাজাহানপুর উপজেলার আড়িয়া ইউনিয়নের মানিক দ্বীপা দ্বীমুখি উচ্চ বিদ্যালয়ে মাটি সরানোর কাজে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। একই সময়ে সরকারি বরাদ্ধের ৭০হাজার টাকা টিউশন ফি এর ৭০হাজার টাকা উত্তোলন করে শিক্ষক এবং স্টাফ ভাগ করে নেয়ার কথা স্বীকার করেছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। চলতি বছরের জুন মাসের শেষে এবং জুলাই মাসের প্রথমে এই ঘটনা গুলো ঘটে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত স্বাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছেন উপজেলা মাধ্যমিক অফিসার। এই ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃস্টি হয়েছে।

মানিক দ্বীপা দ্বীমুখি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল আজিজ জানান, বিদ্যালয়ের নতুন ভবনের ভিত খোঁড়ার সময় প্রচুর মাটি হয়। সেই মাটি গুলো বিদ্যালয়ের সামনে একপাশে রাখা ছিলো। চলতি বছরের জুন মাসের শেষে আমরা ম্যানেজিং কমিটির সাথে বৈঠকে রেজুলেশন করে সেই মাটি মাঠে বিছিয়ে দেয়া এবং মাঠের পাশে রাস্তা করার জন্য খোদাবন্দবালা গ্রামের শ্রমিকদের সাথে ২৫হাজার টাকায় চুক্তি করি। আমি এবং বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মিলেই সেটি করি। কাজ শেষ হলে আমরা তাদের সেই টাকা দিয়ে দিয়েছি। ২৯জুন আমরা ব্যাংক থেকে সেই টাকা উত্তোলন করি। আমি এবং সভাপতির স্বাক্ষরে ৩০জুন অগ্রণী ব্যাংকের মাঝিড়া শাখা থেকে টিউশন ফি বাবদ সরকারী বরাদ্ধের ৭০হাজার টাকা উত্তোলন করি । এই টাকা বিদ্যালয়ের উন্নয়নে ব্যায় করার কথা। শিক্ষকরাও নিতে পারেন। তাই ৭০হাজার টাকা আমরা শিক্ষক এবং স্টাফরা সেই টাকা ভাগ করে নিয়েছি।

বিদ্যালয়ের মাটি সরানোর কাজে চুক্তি করা শ্রমিক খোদাবন্দবালা গ্রামের রেজাউল করিম(৩০), ইউসুফ আলী(২৬) সহ অন্যরা জানান, প্রধান শিক্ষক এবং ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আমাদের সাথে ১২হাজার টাকায় মৌখিক চুক্তি করেছিলেন। আমরা ৬জন শ্রমিক ৫দিন ধরে কাজটি করেছিলাম।

ওই বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি ইনসান আলী জানান, ম্যানেজিং কমিটির গঠন করা হয় বিদ্যালয়ের উন্নয়নের জন্য। কিন্তু সবাই মিলে বিদ্যালয়ের টাকা আত্বসাৎ করলে শিক্ষার্থীদের উপরে বিরুপ প্রভাব পড়বে। শিক্ষার্থীরা চিন্তা চেতনা পরিবর্তন হয়ে যাবে। এই ঘটনায় জড়িতদের শাস্তি হওয়া জরুরি।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

বিদ্যালয়ে শ্রমিক বিল ১২হাজার, রেজুলেশনে ২৫হাজার, টিউশন ফি ৭০হাজার স্টাফদের মধ্যে ভাগাভাগি

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:৫৩:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২

বিশেষ প্রতিনিধি, বগুড়া শাজাহানপুর -ঃ শাজাহানপুর উপজেলার আড়িয়া ইউনিয়নের মানিক দ্বীপা দ্বীমুখি উচ্চ বিদ্যালয়ে মাটি সরানোর কাজে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। একই সময়ে সরকারি বরাদ্ধের ৭০হাজার টাকা টিউশন ফি এর ৭০হাজার টাকা উত্তোলন করে শিক্ষক এবং স্টাফ ভাগ করে নেয়ার কথা স্বীকার করেছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। চলতি বছরের জুন মাসের শেষে এবং জুলাই মাসের প্রথমে এই ঘটনা গুলো ঘটে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত স্বাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছেন উপজেলা মাধ্যমিক অফিসার। এই ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃস্টি হয়েছে।

মানিক দ্বীপা দ্বীমুখি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল আজিজ জানান, বিদ্যালয়ের নতুন ভবনের ভিত খোঁড়ার সময় প্রচুর মাটি হয়। সেই মাটি গুলো বিদ্যালয়ের সামনে একপাশে রাখা ছিলো। চলতি বছরের জুন মাসের শেষে আমরা ম্যানেজিং কমিটির সাথে বৈঠকে রেজুলেশন করে সেই মাটি মাঠে বিছিয়ে দেয়া এবং মাঠের পাশে রাস্তা করার জন্য খোদাবন্দবালা গ্রামের শ্রমিকদের সাথে ২৫হাজার টাকায় চুক্তি করি। আমি এবং বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মিলেই সেটি করি। কাজ শেষ হলে আমরা তাদের সেই টাকা দিয়ে দিয়েছি। ২৯জুন আমরা ব্যাংক থেকে সেই টাকা উত্তোলন করি। আমি এবং সভাপতির স্বাক্ষরে ৩০জুন অগ্রণী ব্যাংকের মাঝিড়া শাখা থেকে টিউশন ফি বাবদ সরকারী বরাদ্ধের ৭০হাজার টাকা উত্তোলন করি । এই টাকা বিদ্যালয়ের উন্নয়নে ব্যায় করার কথা। শিক্ষকরাও নিতে পারেন। তাই ৭০হাজার টাকা আমরা শিক্ষক এবং স্টাফরা সেই টাকা ভাগ করে নিয়েছি।

বিদ্যালয়ের মাটি সরানোর কাজে চুক্তি করা শ্রমিক খোদাবন্দবালা গ্রামের রেজাউল করিম(৩০), ইউসুফ আলী(২৬) সহ অন্যরা জানান, প্রধান শিক্ষক এবং ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আমাদের সাথে ১২হাজার টাকায় মৌখিক চুক্তি করেছিলেন। আমরা ৬জন শ্রমিক ৫দিন ধরে কাজটি করেছিলাম।

ওই বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি ইনসান আলী জানান, ম্যানেজিং কমিটির গঠন করা হয় বিদ্যালয়ের উন্নয়নের জন্য। কিন্তু সবাই মিলে বিদ্যালয়ের টাকা আত্বসাৎ করলে শিক্ষার্থীদের উপরে বিরুপ প্রভাব পড়বে। শিক্ষার্থীরা চিন্তা চেতনা পরিবর্তন হয়ে যাবে। এই ঘটনায় জড়িতদের শাস্তি হওয়া জরুরি।