এখন ০২:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

একযুগ পর ফের সিজারিয়ান অপারেশন চালু

  • ক্রাইম লেটার ডেস্ক
  • প্রকাশিত হয়েছে: ০৩:৫৫:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২
  • ৬৬২ পড়া হয়েছে

মইনুল ভূইয়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি -ঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রায় এক যুগ পর সিজারিয়ান সেকশনে (সিজারিয়ান অপারেশন) চালু হয়েছে। দীর্ঘ একযুগ সিজারিয়ান অপারেশন বন্ধ থাকায় সরকারি সেবাবঞ্চিত ছিল উপজেলার চার লাখ মানুষ। এ চিকিৎসা সেবা চালু হওয়ায় খুশি স্থানীয়রা।

বৃহস্পতিবার ( ১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টার দিকে এক প্রসূতির সিজারিয়ান অপারেশনে কন্যা সন্তান জন্মদানের মাধ্যমে ফের সিজারিয়ান অপারেশন চালু হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. অভিজিৎ রায়।

জানা গেছে, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. অভিজিৎ রায়ের সার্বিক সহযোগিতায় ডাঃ নাফিছা জাফরিন, জুনিয়র কনসালটেন্ট (গাইনি ও অবস) ও ডাঃ ফৌজিয়া, জুনিয়র কনসালটেন্ট (এ্যান্সেসিউলজী) দুজন সফলভাবে সিজারিয়ান অপারেশন করেন। তাদের সহযোগিতা করেন শিশু বিষেশজ্ঞ ডাঃ সাইফুল ইসলাম, ডাঃ ইমরান মাসুদা, ডাঃ মো.শরীফুল ইসলাম, ডা মো. নাইম জব্বার ও নার্স ইনচার্জ নয়ন মনি।

আরো জানা গেছে, ২০০৭ সালে নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেটিকে ৩১ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয়। কোটি টাকা ব্যয়ে চারতলা বিশিষ্ট নতুন ভবন নির্মাণ করা হয়। সিজারিয়ান অপারেশনের জন্য কোটি টাকা ব্যয়ে আধুনিক সব যন্ত্রপাতি ক্রয় করা হয়। কিন্তু ১২ বছর ধরে চিকিৎসের সংকটের কারণে সিজারিয়ান অপারেশ থেকে বঞ্চিত ছিল উপজেলার প্রায় চার লাখ মানুষ।

নবজাতকের বাবা মো. আব্বাস মিয়া জানান, চাপড়তলা ইউনিয়ন থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার রাস্তা পার হয়ে নাসিরনগর আসছি। আমি গরীব মানুষ। কৃষি জমিতে কাজ করে খাই। আমরার ইউনিয়নের একজন স্বাস্থ্য সহকারী বলছে উপজেলা হাসপাতালে বিনামূল্যে বাচ্চা প্রসব করানো যায়। তাই হাসপাতালে আইছি। এখন সিজার করছে। সব ওষুদ হাসপাতাল থেইক্যা দিছে। রক্তও দিছে হাসপাতালের একজন।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. অভিজিৎ রায় নসমকালকে বলেন, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে সব সরঞ্জান থাকার পরও অ্যানেস্থেসিয়া ও গাইনি চিকিৎসক না থাকায় অপারেশন প্রায় ১২ বছর বন্ধ ছিল। বর্তমানে হাসপাতালে গাইনি ও অ্যানেস্থেসিয়া চিকিৎসক যোগদান করায় আবারো চালু হয়েছে সিজারিয়ান অপারেশন কার্যক্রম। নবজাতক ও মা উভয়ই সুস্থ আছেন বলে তিনি যোগ করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

একযুগ পর ফের সিজারিয়ান অপারেশন চালু

প্রকাশিত হয়েছে: ০৩:৫৫:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২

মইনুল ভূইয়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি -ঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রায় এক যুগ পর সিজারিয়ান সেকশনে (সিজারিয়ান অপারেশন) চালু হয়েছে। দীর্ঘ একযুগ সিজারিয়ান অপারেশন বন্ধ থাকায় সরকারি সেবাবঞ্চিত ছিল উপজেলার চার লাখ মানুষ। এ চিকিৎসা সেবা চালু হওয়ায় খুশি স্থানীয়রা।

বৃহস্পতিবার ( ১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টার দিকে এক প্রসূতির সিজারিয়ান অপারেশনে কন্যা সন্তান জন্মদানের মাধ্যমে ফের সিজারিয়ান অপারেশন চালু হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. অভিজিৎ রায়।

জানা গেছে, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. অভিজিৎ রায়ের সার্বিক সহযোগিতায় ডাঃ নাফিছা জাফরিন, জুনিয়র কনসালটেন্ট (গাইনি ও অবস) ও ডাঃ ফৌজিয়া, জুনিয়র কনসালটেন্ট (এ্যান্সেসিউলজী) দুজন সফলভাবে সিজারিয়ান অপারেশন করেন। তাদের সহযোগিতা করেন শিশু বিষেশজ্ঞ ডাঃ সাইফুল ইসলাম, ডাঃ ইমরান মাসুদা, ডাঃ মো.শরীফুল ইসলাম, ডা মো. নাইম জব্বার ও নার্স ইনচার্জ নয়ন মনি।

আরো জানা গেছে, ২০০৭ সালে নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেটিকে ৩১ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয়। কোটি টাকা ব্যয়ে চারতলা বিশিষ্ট নতুন ভবন নির্মাণ করা হয়। সিজারিয়ান অপারেশনের জন্য কোটি টাকা ব্যয়ে আধুনিক সব যন্ত্রপাতি ক্রয় করা হয়। কিন্তু ১২ বছর ধরে চিকিৎসের সংকটের কারণে সিজারিয়ান অপারেশ থেকে বঞ্চিত ছিল উপজেলার প্রায় চার লাখ মানুষ।

নবজাতকের বাবা মো. আব্বাস মিয়া জানান, চাপড়তলা ইউনিয়ন থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার রাস্তা পার হয়ে নাসিরনগর আসছি। আমি গরীব মানুষ। কৃষি জমিতে কাজ করে খাই। আমরার ইউনিয়নের একজন স্বাস্থ্য সহকারী বলছে উপজেলা হাসপাতালে বিনামূল্যে বাচ্চা প্রসব করানো যায়। তাই হাসপাতালে আইছি। এখন সিজার করছে। সব ওষুদ হাসপাতাল থেইক্যা দিছে। রক্তও দিছে হাসপাতালের একজন।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. অভিজিৎ রায় নসমকালকে বলেন, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে সব সরঞ্জান থাকার পরও অ্যানেস্থেসিয়া ও গাইনি চিকিৎসক না থাকায় অপারেশন প্রায় ১২ বছর বন্ধ ছিল। বর্তমানে হাসপাতালে গাইনি ও অ্যানেস্থেসিয়া চিকিৎসক যোগদান করায় আবারো চালু হয়েছে সিজারিয়ান অপারেশন কার্যক্রম। নবজাতক ও মা উভয়ই সুস্থ আছেন বলে তিনি যোগ করেন।