এখন ০৩:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তানোরের দুই ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে প্রোপাগান্ডা

আলিফ হোসেন, তানোর -ঃ রাজশাহীর তানোরের দুটি সর্ববৃহত ইউনিয়ন (ইউপি) পাঁচন্দর ও বাঁধাইড়। জানা গেছে,পাঁচন্দর ইউপি আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল মতিন পর পর দু’বার নৌকা প্রতিক নিয়ে বিপুল ভোটের ব্যবধানে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করছেন। দেশ স্বাধীনের পর ইউপি এলাকায় যে উন্নয়ন হয়নি তার তিনগুন বেশী দৃশ্যমান উন্নয়ন হয়েছে মতিনের সময়ে এটা আওয়ামী লীগ বিরোধীরাও শিকার করেন। অন্যদিকে বাঁধাইড় ইউপি আওয়ামী লীগের সম্পাদক আতাউর রহমান পর পর দু’বার নৌকা প্রতিক নিয়ে বিপুল ভোটের ব্যবধানে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করছেন। দেশ স্বাধীনের পর থেকে বাধাঁইড় ইউপি এলাকায় যে উন্নয়ন হয়নি তার দ্বিগুন দৃশ্যমান উন্নয়ন হয়েছে আতাউর রহমানের সময়ে এটা আওয়ামী লীগ বিরোধীরাও শিকার করেন। স্থানীয় সাংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী ও উপজেলা চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়নার সার্বিক সহযোগীতায় এসব উন্নয়ন হয়েছে। অথচ কোনো সুনিদ্রিষ্ট তথ্য উপাত্ত ছাড়াই একটি বিশেষ মহলের ইন্ধনে এই দুই চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে লাগামহীন ভাবে একের পর এক মিথ্যাচার করা হচ্ছে। এসব মিথ্যাচারে ব্যক্তি মতিন-আতাউর নয় ক্ষতির মুখে পড়ছে আওয়ামী লীগ।
অনুসন্ধানে উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এসেছে, বিশেষ মহলের টার্গেট আসন্ন সাধারণ নির্বাচন। সাধারণ নির্বাচনে এখানে আওয়ামী লীগের ভোট ব্যাংকে আঘাত আনতে হলে প্রথমে উপজেলা চেয়ারম্যান ময়নার হাত দুর্বল করতে হবে, তাহলে সাংসদের হাত দুর্বল হবে। কারণ এখানে ফারুক চৌধুরীর পরবর্তী নেতৃত্ব এবং আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক অঙ্গনে ত্রাণকর্তা হিসেবে ময়নাকে বিেবচনা করা হয়। আর ময়নার হাত দুর্বল করতে তার আশপাশের বিশস্ত ও ঘনিষ্ঠ নেতৃত্বকে বিতর্কিত করতে হবে। এসব পরিকল্পনার বাস্তবায়ন করতেই সাধারণ নির্বাচনে আগে বেছে বেছে ময়নার ঘনিষ্ঠ ও আওয়ামী লীগের আদর্শিক নেতৃত্ব, বিভিন্ন ইউপি চেয়ারম্যানকে টার্গেট করে মিথ্যাচার করা হচ্ছে বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,
উপজেলার পাঁচন্দর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন ও
বাধাঁইড় ইউপি চেয়ারম্যান আতাউর রহমান তাদের ইউপির সার্বিক উন্নয়নে মহাপরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নে দৃশ্যমান বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ সম্পন্ন এবং অনেকটা চলমান রাখায় দুই ইউনিয়নে নাগরিক সেবার মান বহুগুনে বেড়েছে। ইতমধ্যে স্থানীয় সাংসদ, আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধূরী ও উপজেলা চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশীদ ময়নার সার্বিক সহায়তা ও দিকনির্দেশনায় দুই ইউপির বিভিন্ন এলাকায় দৃশ্যমান উন্নয়নমূলক কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে এবং অনেক কাজ দ্রুত গতিয়ে এগিয়ে চলেছে। যার ফলে নাগরিকগণ দীর্ঘদিন পর ইউপি ভবন থেকে তাদের কাঙ্খিত সেবা পেতে শুরু করেছেন।
এদিকে পাঁচন্দর ইউপিতে নতুন ভবন তৈরী, হাট-বাজার উন্নয়ন, বিভিন্ন প্রত্যন্ত পল্লী এলাকায় সাবমার্সিবল পাম্প স্থাপন, প্রটেকশান ওয়াল ও ড্রেন নির্মাণসহ বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কাজ সম্পন্ন হওয়ায় এসব এলাকার নাগরিকদের মধ্যে সন্তোষ ও উৎসবের আবহ দেখা দিয়েছে। বিগত ইউপি চেয়ারম্যানগণ তাদের সময়কালে যতটুকু উন্নয়ন করতে না পেরেছেন, আওয়ামী লীগ দলীয় চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন তার তিনগুন বেশী উন্নয়ন করেছেন।
জানা গেছে: এই দুই ইউপিতে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচীর সুবিধাভোগীর সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। বয়স্ক ভাতাভোগী সংখ্যা বৃদ্ধি, বিধবা, স্বামী পরিত্যাক্তা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, ফেয়ারপ্রাইজ, ইজিপি প্রকল্প, মাতৃত্বকালীন ভাতা, ভিজিডি-ভিজিএফ, সাবমার্শিবুল পাম্প, গৃহহীনদের গৃহ প্রদান, পুকুর পাড়ে পাকা ঘাট, ও ষ্ট্রিট ল্যাম্প। এছাড়াও বিভিন্ন উন্নয়ন কাজ চলমান রয়েছে।
সূত্র জানায়, এই দুই ইউপি চেয়ারম্যান টিআর-জিআর, কাবিটা-কাবিখা, কর্মসৃজন কর্মসূচী, এলজিএসপি ও ডাসকোর সহায়তায় এলাকায় হাজা-মজা পুকুর পুনঃখনন, বৃক্ষ রোপন, কমিউনিটি ক্লিনিক ও ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সংস্কার, সাবমার্শিবুল পাম্প স্থাপন, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উঁচু-নিচু বেঞ্চ, টিফিনবক্স, বৈদ্যুতিক পাখা, খেলা-ধূলার সামগ্রী বিতরণ করেছেন। এছাড়াও বিভিন্ন এলাকায় পুকুর পাড়ে প্রটেকশান ওয়াল নির্মাণ ও এইচবিবি রাস্তা নির্মাণ, ড্রেন-কালভ্রাট নির্মাণ, পাকা পুকুর ঘাট এবং নতুন মাটির রাস্তা নির্মাণ ও পাকা করণসহ দৃশ্যমান বহু উন্নয়ন মূলক কাজ সম্পন্ন করেছেন।
তাছাড়াও বিভিন্ন এনজিও থেকে সমাজে পিছিয়ে পড়া অবহেলিত জনগোষ্ঠীর দারিদ্র বিমোচনে নানামূখী উদ্দ্যোগ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করেছেন। অপরদিকে ডিজিটাল সেন্টারের মাধ্যমে ইউপির সাধারণ মানুষ নূন্যতম খরচে আধূনিক সেবা পাচ্ছেন। এই দুই ইউপির বিভিন্ন এলাকায় চেয়ারম্যাদের সদিচ্ছায় রাস্তা আলোকরণ কাজ শুরু করেছেন; যা চলমান রয়েছে।
দুই ইউপির বিভিন্ন এলাকায় জনবহুল মোড়ে-মোড়ে দৃষ্টিনন্দন ষ্ট্রিষ্ট ল্যাম্প পোষ্ট (সৌরবিদ্যুৎ) স্থাপন করা হচ্ছে। এসব ল্যাম্প পোষ্ট স্থাপন সম্পন্ন হলে প্রত্যন্ত পল্লীর জনসাধারণগণ শহরের সুবিধা ভোগ করবেন। এছাড়াও ইউনিয়ন পরিষদ দুটিতে মাতৃত্বকালীন ভাতা, বয়স্কভাতা, বিধবাভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতাসহ ইত্যাদি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচীর পরিধি প্রায় দ্বিগুন করা হয়েছে। অথচ তারা দু’জন এতো উন্নয়ন ও জনবান্ধব চেয়ারম্যান তার পরেও তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার ছড়ানো এসব কিসের আলামত। এরা কৌশলে আওয়ামী লীগের সঙ্গে মিশে আওয়ামী লীগের খেয়ে মোটাতাজা হচ্ছে আবার গোপণে আওয়ামী লীগের ক্ষতিসাধন করছে।এদের থেকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের এখানোই সতর্ক হতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

তানোরের দুই ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে প্রোপাগান্ডা

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:২৮:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২২

আলিফ হোসেন, তানোর -ঃ রাজশাহীর তানোরের দুটি সর্ববৃহত ইউনিয়ন (ইউপি) পাঁচন্দর ও বাঁধাইড়। জানা গেছে,পাঁচন্দর ইউপি আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল মতিন পর পর দু’বার নৌকা প্রতিক নিয়ে বিপুল ভোটের ব্যবধানে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করছেন। দেশ স্বাধীনের পর ইউপি এলাকায় যে উন্নয়ন হয়নি তার তিনগুন বেশী দৃশ্যমান উন্নয়ন হয়েছে মতিনের সময়ে এটা আওয়ামী লীগ বিরোধীরাও শিকার করেন। অন্যদিকে বাঁধাইড় ইউপি আওয়ামী লীগের সম্পাদক আতাউর রহমান পর পর দু’বার নৌকা প্রতিক নিয়ে বিপুল ভোটের ব্যবধানে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করছেন। দেশ স্বাধীনের পর থেকে বাধাঁইড় ইউপি এলাকায় যে উন্নয়ন হয়নি তার দ্বিগুন দৃশ্যমান উন্নয়ন হয়েছে আতাউর রহমানের সময়ে এটা আওয়ামী লীগ বিরোধীরাও শিকার করেন। স্থানীয় সাংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী ও উপজেলা চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়নার সার্বিক সহযোগীতায় এসব উন্নয়ন হয়েছে। অথচ কোনো সুনিদ্রিষ্ট তথ্য উপাত্ত ছাড়াই একটি বিশেষ মহলের ইন্ধনে এই দুই চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে লাগামহীন ভাবে একের পর এক মিথ্যাচার করা হচ্ছে। এসব মিথ্যাচারে ব্যক্তি মতিন-আতাউর নয় ক্ষতির মুখে পড়ছে আওয়ামী লীগ।
অনুসন্ধানে উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এসেছে, বিশেষ মহলের টার্গেট আসন্ন সাধারণ নির্বাচন। সাধারণ নির্বাচনে এখানে আওয়ামী লীগের ভোট ব্যাংকে আঘাত আনতে হলে প্রথমে উপজেলা চেয়ারম্যান ময়নার হাত দুর্বল করতে হবে, তাহলে সাংসদের হাত দুর্বল হবে। কারণ এখানে ফারুক চৌধুরীর পরবর্তী নেতৃত্ব এবং আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক অঙ্গনে ত্রাণকর্তা হিসেবে ময়নাকে বিেবচনা করা হয়। আর ময়নার হাত দুর্বল করতে তার আশপাশের বিশস্ত ও ঘনিষ্ঠ নেতৃত্বকে বিতর্কিত করতে হবে। এসব পরিকল্পনার বাস্তবায়ন করতেই সাধারণ নির্বাচনে আগে বেছে বেছে ময়নার ঘনিষ্ঠ ও আওয়ামী লীগের আদর্শিক নেতৃত্ব, বিভিন্ন ইউপি চেয়ারম্যানকে টার্গেট করে মিথ্যাচার করা হচ্ছে বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,
উপজেলার পাঁচন্দর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন ও
বাধাঁইড় ইউপি চেয়ারম্যান আতাউর রহমান তাদের ইউপির সার্বিক উন্নয়নে মহাপরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নে দৃশ্যমান বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ সম্পন্ন এবং অনেকটা চলমান রাখায় দুই ইউনিয়নে নাগরিক সেবার মান বহুগুনে বেড়েছে। ইতমধ্যে স্থানীয় সাংসদ, আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধূরী ও উপজেলা চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশীদ ময়নার সার্বিক সহায়তা ও দিকনির্দেশনায় দুই ইউপির বিভিন্ন এলাকায় দৃশ্যমান উন্নয়নমূলক কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে এবং অনেক কাজ দ্রুত গতিয়ে এগিয়ে চলেছে। যার ফলে নাগরিকগণ দীর্ঘদিন পর ইউপি ভবন থেকে তাদের কাঙ্খিত সেবা পেতে শুরু করেছেন।
এদিকে পাঁচন্দর ইউপিতে নতুন ভবন তৈরী, হাট-বাজার উন্নয়ন, বিভিন্ন প্রত্যন্ত পল্লী এলাকায় সাবমার্সিবল পাম্প স্থাপন, প্রটেকশান ওয়াল ও ড্রেন নির্মাণসহ বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কাজ সম্পন্ন হওয়ায় এসব এলাকার নাগরিকদের মধ্যে সন্তোষ ও উৎসবের আবহ দেখা দিয়েছে। বিগত ইউপি চেয়ারম্যানগণ তাদের সময়কালে যতটুকু উন্নয়ন করতে না পেরেছেন, আওয়ামী লীগ দলীয় চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন তার তিনগুন বেশী উন্নয়ন করেছেন।
জানা গেছে: এই দুই ইউপিতে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচীর সুবিধাভোগীর সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। বয়স্ক ভাতাভোগী সংখ্যা বৃদ্ধি, বিধবা, স্বামী পরিত্যাক্তা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, ফেয়ারপ্রাইজ, ইজিপি প্রকল্প, মাতৃত্বকালীন ভাতা, ভিজিডি-ভিজিএফ, সাবমার্শিবুল পাম্প, গৃহহীনদের গৃহ প্রদান, পুকুর পাড়ে পাকা ঘাট, ও ষ্ট্রিট ল্যাম্প। এছাড়াও বিভিন্ন উন্নয়ন কাজ চলমান রয়েছে।
সূত্র জানায়, এই দুই ইউপি চেয়ারম্যান টিআর-জিআর, কাবিটা-কাবিখা, কর্মসৃজন কর্মসূচী, এলজিএসপি ও ডাসকোর সহায়তায় এলাকায় হাজা-মজা পুকুর পুনঃখনন, বৃক্ষ রোপন, কমিউনিটি ক্লিনিক ও ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সংস্কার, সাবমার্শিবুল পাম্প স্থাপন, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উঁচু-নিচু বেঞ্চ, টিফিনবক্স, বৈদ্যুতিক পাখা, খেলা-ধূলার সামগ্রী বিতরণ করেছেন। এছাড়াও বিভিন্ন এলাকায় পুকুর পাড়ে প্রটেকশান ওয়াল নির্মাণ ও এইচবিবি রাস্তা নির্মাণ, ড্রেন-কালভ্রাট নির্মাণ, পাকা পুকুর ঘাট এবং নতুন মাটির রাস্তা নির্মাণ ও পাকা করণসহ দৃশ্যমান বহু উন্নয়ন মূলক কাজ সম্পন্ন করেছেন।
তাছাড়াও বিভিন্ন এনজিও থেকে সমাজে পিছিয়ে পড়া অবহেলিত জনগোষ্ঠীর দারিদ্র বিমোচনে নানামূখী উদ্দ্যোগ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করেছেন। অপরদিকে ডিজিটাল সেন্টারের মাধ্যমে ইউপির সাধারণ মানুষ নূন্যতম খরচে আধূনিক সেবা পাচ্ছেন। এই দুই ইউপির বিভিন্ন এলাকায় চেয়ারম্যাদের সদিচ্ছায় রাস্তা আলোকরণ কাজ শুরু করেছেন; যা চলমান রয়েছে।
দুই ইউপির বিভিন্ন এলাকায় জনবহুল মোড়ে-মোড়ে দৃষ্টিনন্দন ষ্ট্রিষ্ট ল্যাম্প পোষ্ট (সৌরবিদ্যুৎ) স্থাপন করা হচ্ছে। এসব ল্যাম্প পোষ্ট স্থাপন সম্পন্ন হলে প্রত্যন্ত পল্লীর জনসাধারণগণ শহরের সুবিধা ভোগ করবেন। এছাড়াও ইউনিয়ন পরিষদ দুটিতে মাতৃত্বকালীন ভাতা, বয়স্কভাতা, বিধবাভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতাসহ ইত্যাদি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচীর পরিধি প্রায় দ্বিগুন করা হয়েছে। অথচ তারা দু’জন এতো উন্নয়ন ও জনবান্ধব চেয়ারম্যান তার পরেও তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার ছড়ানো এসব কিসের আলামত। এরা কৌশলে আওয়ামী লীগের সঙ্গে মিশে আওয়ামী লীগের খেয়ে মোটাতাজা হচ্ছে আবার গোপণে আওয়ামী লীগের ক্ষতিসাধন করছে।এদের থেকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের এখানোই সতর্ক হতে হবে।