এখন ০৩:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বঁটির আঘাতে স্বামীকে হত্যার দায়ে স্ত্রীর ১০ বছরের জেল

মিরু হাসান বাপ্পী, বগুড়া সংবাদদাতা -ঃ পারিবারিক কলহের জের ধরে স্ত্রীর বঁটির আঘাতে স্বামী শহিদুল ইসলাম (৪৫) হত্যা মামলার রায়ে অভিযুক্ত স্ত্রী খাদিজা বেগমকে (৪৩) দশ বছরের সশ্রম কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। রোববার দুপুরে বগুড়া দায়রা জজ নরেশ চন্দ্র সরকার এই রায় দেন। রায়ে ২০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদন্ডের আদেশ দেওয়া হয়। সাজাপ্রাপ্ত খাদিজা বেগম বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলার কোচপুকুর গ্রামের হাফিজার রহমানের মেয়ে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী পিপি এড. আব্দুল মতিন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, খাদিজা বেগম সৌদি আরবে কর্মরত ছিল। সেখান থেকে ফিরে এসে স্বামীর সাথে ঘর—সংসার করাবস্থায় ২০১৭ সালের ১২ সেপ্টেম্বর দুপুর ২টার দিকে স্বামীর সাথে টাকা—পয়সা নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। এরই এক পর্যায়ে ঘরের মেঝেতে থাকা বটি দিয়ে স্বামী শহিদুল ইসলামকে আঘাত করে। পরে বাড়ির লোকজন শহিদুলকে উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করালে ওই দিন রাত সোয়া ৮টার দিকে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। পরে শহিদুল ইসলামের মা সাইজান বিবি লোকজনের সহযোগিতায় খাদিজাকে পুলিশে সোপর্দ করে নিজেই বাদি হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

বাদির রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন পিপি এড. আব্দুল মতিন ও আসামি পক্ষের আইনজীবী হিসেবে মামলা পরিচালনা করেন এড. জাহাঙ্গীর হোসেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

বঁটির আঘাতে স্বামীকে হত্যার দায়ে স্ত্রীর ১০ বছরের জেল

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:৩০:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ অগাস্ট ২০২২

মিরু হাসান বাপ্পী, বগুড়া সংবাদদাতা -ঃ পারিবারিক কলহের জের ধরে স্ত্রীর বঁটির আঘাতে স্বামী শহিদুল ইসলাম (৪৫) হত্যা মামলার রায়ে অভিযুক্ত স্ত্রী খাদিজা বেগমকে (৪৩) দশ বছরের সশ্রম কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। রোববার দুপুরে বগুড়া দায়রা জজ নরেশ চন্দ্র সরকার এই রায় দেন। রায়ে ২০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদন্ডের আদেশ দেওয়া হয়। সাজাপ্রাপ্ত খাদিজা বেগম বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলার কোচপুকুর গ্রামের হাফিজার রহমানের মেয়ে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী পিপি এড. আব্দুল মতিন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, খাদিজা বেগম সৌদি আরবে কর্মরত ছিল। সেখান থেকে ফিরে এসে স্বামীর সাথে ঘর—সংসার করাবস্থায় ২০১৭ সালের ১২ সেপ্টেম্বর দুপুর ২টার দিকে স্বামীর সাথে টাকা—পয়সা নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। এরই এক পর্যায়ে ঘরের মেঝেতে থাকা বটি দিয়ে স্বামী শহিদুল ইসলামকে আঘাত করে। পরে বাড়ির লোকজন শহিদুলকে উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করালে ওই দিন রাত সোয়া ৮টার দিকে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। পরে শহিদুল ইসলামের মা সাইজান বিবি লোকজনের সহযোগিতায় খাদিজাকে পুলিশে সোপর্দ করে নিজেই বাদি হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

বাদির রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন পিপি এড. আব্দুল মতিন ও আসামি পক্ষের আইনজীবী হিসেবে মামলা পরিচালনা করেন এড. জাহাঙ্গীর হোসেন।