এখন ০৩:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তানোরে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জীবনযাত্রার মান বেড়েছে

আলিফ হোসেন, তানোর -ঃ রাজশাহী-১ সংসদীয় আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সাংসদ ও সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরীর প্রচেষ্টায় তার নির্বাচনী এলাকায় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর (সাঁওতাল) জীবনযাত্রার মাণ বেড়েছে। অথচ কিছুদিন আগেও সাঁওতাল বলতে সাধারণ তো কুসংস্কারচ্ছন্ন, অশিক্ষিত, হতদরিদ্র ও শ্রমজীবীদের বোঝাতো। যারা প্রাচীন কাল থেকে তাদের পূর্ব পুরুষদের কাছে থেকে পাওয়া ভূমিতে উত্তরাধিকার সুত্রে বসবাস করে আসছে শত প্রতিকুলতা থাকা সত্ত্বেও যারা নিজেদের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষণশীল রয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে এমপি ফারুক চৌধূরীর প্রচেস্টায় এলাকার সাওতাল জনগোষ্ঠির মানুষের ভাগ্যর পরিবর্তন ঘটেছে। এখন সাওতাল পল্লীতে পাকা রাস্তা, স্কুল, পানির ট্যাংক, বিদ্যুৎ ও সৌরবিদ্যুৎ ইত্যাদি কর্মকান্ড গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করায় বেড়েছে শিক্ষার ও কমেছে দারিদ্রতা। এছাড়াও চককাজিজিয়া, তাতিহাটি নবনবিসহ বিভিন্ন এলাকায় বসবাসরত গৃহহীনরা সরকারি গৃহ(বাড়ি) পেয়েছেন। ইতমধ্যে সাওতাল পল্লীতে বসবাসরত অনেক পরিবারের সন্তান উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করে চিকিৎসক, শিক্ষক, পুলিশ ও বিভিন্ন সরকারি-বে-সরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করছেন।
জানা গেছে, তানোরের মুন্ডুমালা মাহালীপাড়া, পাচন্দর ইউপির পাঁচন্দর, কচুয়া মাহানপুর, তানোর পৌরসভার আমশো, সিন্দুকাই, কলমা ইউপির বনগাঁ, চৈতপুর ও বাধাইড় ইউপির বিভিন্ন এলাকায় বসবাসরত সাঁওতালরা স্বাধীনতা পূর্বকালে থেকে এসব এলাকায় বসবাস করে আসছে, তবে তাদের জীবনযাপনের মাণ বৃদ্ধিতে কেউ এগিয়ে আসেনি। কিন্ত্ত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে এমপি ফারুক চৌধূরীর প্রচেস্টায় সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন বে-সরকারি উন্নয়ন সংস্থা সাওতালদের ভাগ্যে উন্নয়নে ব্যাপক কার্যক্রম গ্রহণ ও বাস্তবায়ন শুরু করে। ফলে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে সাওতাল সম্প্রদায়ের জীবনযাত্রার মাণ ও নাগরিক সুযোগ- সুবিধার বৃদ্ধি পেয়েছে। তানোরে সম্প্রদায়ের মানুষষের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, চাকরি, স্যানিটেশন, বিশুদ্ধ পানি, যোগাযোগ, বিদ্যুৎ ইত্যাদি;;ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়ন অর্জিত হয়েছে। একটি সূত্র জানায়, বিগত দশ বছর আগেও উপজেলার সাওতালদের শিক্ষার হার ছিল প্রায় ১০ শতাংশ বর্তমানে তা বেড়ে দাঁড়িয়ছে প্রায় ৬০ শতাংশ, চাকরি ছিল ০.১ শতাংশ বর্তমানে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১০ শতাংশে, ভূমিহীন ছিল প্রায় ৯৭/৯৮ শতাংশ বর্তমানে তা কমে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭০ শতাংশে। এছাড়াও বিভিন্ন জনকল্যাণমূখী পদক্ষেপ গ্রহণ করায় সাওতালদের নাগরিক সুযোগ সুবিধা বহুগুনে বৃদ্ধি পেয়েছে।
সাওতাল পল্লীতে স্কুল স্থাপন ও সংস্কার, পাকা রাস্তা ও পানির ট্যাংক স্থাপন করে বিশুদ্ধ খাবার পানি সরবরাহ, ভিজিডি, ভিজিএফ, প্রতিবন্ধী, বয়স্কভাতা ও ফেয়ারপ্রাইস কার্ড প্রদানের মাধ্যমে ১০ টাকা কেজি চাউল সরবরাহ, গবাদিপশু পালনের মাধ্যমে দারিদ্রতা দুরীকরণে সুদ মুক্ত ঋণ প্রদান ,বিনামুল্যে স্যানিটেশন সামগ্রী বিতরনসহ সাওতালদের উন্নয়নে আওয়ামী লীগ সরকার ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজ সম্পন্ন করেছে।
সূত্র জানায়, তানোরে প্রায় চার হাজার পরিবার ও প্রায় কুড়ি হাজার সাঁওতালের বসবাস। তানোরে সাওতালদের উন্নয়ন ও সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে সৎসংঘের সভাপতি সাধু মতিরাম সরেন বলেন,আওয়ামী লীগ সরকার সাওতালদের উন্নয়নে বেশ কিছু যুগান্তকারি পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করেছে, যার মধ্যে ছিল, বয়স্ক ও
মাতৃত্বকালীন ভাতা, ভিজিএফ,, ভিজিডি, প্রতিবন্ধী কার্ড প্রদান ও বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালনে অর্থনৈতিক সাহায্য প্রদান করায় তাদের জীবন-যাত্রার মাণ বহুগুনে বৃর্দ্ধি পেয়েছে। তানোরের মুন্ডুমালা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কামেল মারডি বলেন, আমাদের জন্য এমপি যা করেছেন এবং করছেন তার জন্য আমরা তার কাছে চির কৃতজ্ঞ।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

তানোরে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জীবনযাত্রার মান বেড়েছে

প্রকাশিত হয়েছে: ০৩:৩৮:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ অগাস্ট ২০২২

আলিফ হোসেন, তানোর -ঃ রাজশাহী-১ সংসদীয় আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সাংসদ ও সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরীর প্রচেষ্টায় তার নির্বাচনী এলাকায় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর (সাঁওতাল) জীবনযাত্রার মাণ বেড়েছে। অথচ কিছুদিন আগেও সাঁওতাল বলতে সাধারণ তো কুসংস্কারচ্ছন্ন, অশিক্ষিত, হতদরিদ্র ও শ্রমজীবীদের বোঝাতো। যারা প্রাচীন কাল থেকে তাদের পূর্ব পুরুষদের কাছে থেকে পাওয়া ভূমিতে উত্তরাধিকার সুত্রে বসবাস করে আসছে শত প্রতিকুলতা থাকা সত্ত্বেও যারা নিজেদের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষণশীল রয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে এমপি ফারুক চৌধূরীর প্রচেস্টায় এলাকার সাওতাল জনগোষ্ঠির মানুষের ভাগ্যর পরিবর্তন ঘটেছে। এখন সাওতাল পল্লীতে পাকা রাস্তা, স্কুল, পানির ট্যাংক, বিদ্যুৎ ও সৌরবিদ্যুৎ ইত্যাদি কর্মকান্ড গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করায় বেড়েছে শিক্ষার ও কমেছে দারিদ্রতা। এছাড়াও চককাজিজিয়া, তাতিহাটি নবনবিসহ বিভিন্ন এলাকায় বসবাসরত গৃহহীনরা সরকারি গৃহ(বাড়ি) পেয়েছেন। ইতমধ্যে সাওতাল পল্লীতে বসবাসরত অনেক পরিবারের সন্তান উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করে চিকিৎসক, শিক্ষক, পুলিশ ও বিভিন্ন সরকারি-বে-সরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করছেন।
জানা গেছে, তানোরের মুন্ডুমালা মাহালীপাড়া, পাচন্দর ইউপির পাঁচন্দর, কচুয়া মাহানপুর, তানোর পৌরসভার আমশো, সিন্দুকাই, কলমা ইউপির বনগাঁ, চৈতপুর ও বাধাইড় ইউপির বিভিন্ন এলাকায় বসবাসরত সাঁওতালরা স্বাধীনতা পূর্বকালে থেকে এসব এলাকায় বসবাস করে আসছে, তবে তাদের জীবনযাপনের মাণ বৃদ্ধিতে কেউ এগিয়ে আসেনি। কিন্ত্ত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে এমপি ফারুক চৌধূরীর প্রচেস্টায় সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন বে-সরকারি উন্নয়ন সংস্থা সাওতালদের ভাগ্যে উন্নয়নে ব্যাপক কার্যক্রম গ্রহণ ও বাস্তবায়ন শুরু করে। ফলে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে সাওতাল সম্প্রদায়ের জীবনযাত্রার মাণ ও নাগরিক সুযোগ- সুবিধার বৃদ্ধি পেয়েছে। তানোরে সম্প্রদায়ের মানুষষের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, চাকরি, স্যানিটেশন, বিশুদ্ধ পানি, যোগাযোগ, বিদ্যুৎ ইত্যাদি;;ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়ন অর্জিত হয়েছে। একটি সূত্র জানায়, বিগত দশ বছর আগেও উপজেলার সাওতালদের শিক্ষার হার ছিল প্রায় ১০ শতাংশ বর্তমানে তা বেড়ে দাঁড়িয়ছে প্রায় ৬০ শতাংশ, চাকরি ছিল ০.১ শতাংশ বর্তমানে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১০ শতাংশে, ভূমিহীন ছিল প্রায় ৯৭/৯৮ শতাংশ বর্তমানে তা কমে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭০ শতাংশে। এছাড়াও বিভিন্ন জনকল্যাণমূখী পদক্ষেপ গ্রহণ করায় সাওতালদের নাগরিক সুযোগ সুবিধা বহুগুনে বৃদ্ধি পেয়েছে।
সাওতাল পল্লীতে স্কুল স্থাপন ও সংস্কার, পাকা রাস্তা ও পানির ট্যাংক স্থাপন করে বিশুদ্ধ খাবার পানি সরবরাহ, ভিজিডি, ভিজিএফ, প্রতিবন্ধী, বয়স্কভাতা ও ফেয়ারপ্রাইস কার্ড প্রদানের মাধ্যমে ১০ টাকা কেজি চাউল সরবরাহ, গবাদিপশু পালনের মাধ্যমে দারিদ্রতা দুরীকরণে সুদ মুক্ত ঋণ প্রদান ,বিনামুল্যে স্যানিটেশন সামগ্রী বিতরনসহ সাওতালদের উন্নয়নে আওয়ামী লীগ সরকার ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজ সম্পন্ন করেছে।
সূত্র জানায়, তানোরে প্রায় চার হাজার পরিবার ও প্রায় কুড়ি হাজার সাঁওতালের বসবাস। তানোরে সাওতালদের উন্নয়ন ও সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে সৎসংঘের সভাপতি সাধু মতিরাম সরেন বলেন,আওয়ামী লীগ সরকার সাওতালদের উন্নয়নে বেশ কিছু যুগান্তকারি পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করেছে, যার মধ্যে ছিল, বয়স্ক ও
মাতৃত্বকালীন ভাতা, ভিজিএফ,, ভিজিডি, প্রতিবন্ধী কার্ড প্রদান ও বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালনে অর্থনৈতিক সাহায্য প্রদান করায় তাদের জীবন-যাত্রার মাণ বহুগুনে বৃর্দ্ধি পেয়েছে। তানোরের মুন্ডুমালা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কামেল মারডি বলেন, আমাদের জন্য এমপি যা করেছেন এবং করছেন তার জন্য আমরা তার কাছে চির কৃতজ্ঞ।