এখন ০৩:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তানোরের মহানগর ক্লিনিকে ইউএনও’র অভিযান

তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধি -ঃ রাজশাহীর তানোরে আলোচিত মহানগর ক্লিনিক মালিক হেলালের মদদে মামুন নিজেকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পরিচয় দিয়ে অস্ত্রপাচার, নানা রোগের ব্যবস্থাপত্র ও চিকিৎসার নামে প্রতারণা করে সাধারণ মানুষেন কাছে থেকে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। সম্প্রতি ভূয়া চিকিৎসক মামুন এক প্রসূতির অস্ত্রপাচার করছেন এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হলে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গত ১৯ আগস্ট শুক্রবার থানা পুলিশ মহানগর ক্লিনিকে অভিযান পরিচালনা করে। কিন্ত্ত পুলিশ যাবার আগেই মালিক হেলাল ও ভুয়া চিকিৎসক মামুন কৌশলে পালিয়ে যায়। এদিকে গত ২০ আগষ্ট শনিবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পঙ্কজ চন্দ্র দেবনাথ ভ্রাম্যমান অভিযান চালিয়ে ১০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছেন। তবে ক্লিনিক বন্ধ বা অভিযুক্তদের আটক নাা করায় অনেকে বলছে গুরু পাপে লঘুদন্ড দেয়া হয়েছে। আর ভুক্তভোগীরা মালিক হেলাল ও ভুয়া চিকিৎসক মামুনকে গ্রেফতার এবং ক্লিনিক বন্ধের দাবি করেছেন।
স্থানীয়রা জানান, মহানগর ক্লিনিকের কর্মচারী মামুন দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসক সেজে চিকিৎসার নামে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছে। এমনকি নারীসঙ্গ উপভোগের মাধ্যমে হোমরা-চোমরাদের ম্যানেজ করা হয় বলেও গুঞ্জন রয়েছে। এদিকে ক্লিনিকের সাইনবোর্ডে বড় বড় চিকিৎসকের নাম দিয়ে স্বল্প মুল্য উন্নত চিকিৎসার কথা বলা হয়েছে। কিন্ত্ত চিকিৎসক তো পরের কথা প্রশিক্ষিত একজন নার্স বা আয়া নাই ক্লিনিকে। এখানে কোনো রোগী আশামাত্র রোগীর স্বজনদের কাছে থেকে মুচলেকা লিখে নিতেন এই মামুন। কোনো কারণে রোগী মারা গেলে তার স্বজনরা ক্লিনিক বা চিকিৎসককে দায়ী করে যেনো কোথাও অভিযোগ করতে না পারে সেই জন্য।
এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পঙ্কজ চন্দ্র দেবনাথ বলেন, মহানগর ক্লিনিকে নানা অনিয়মের কারণে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হয়েছে এবং মুল অভিযুক্ত মামুনের বিরুদ্ধে মামলা করতে বলা হয়েছে।
তানোর মহানগর ক্লিনিকের পরিচালক হেলা উদ্দিনের কাছে কর্মচারী হয়ে মামুনুর রশিদ মামুন অস্ত্রপাচারসহ চিকিৎসা করান কিভাবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মামুন কর্মচারী সে চিকিৎসা দিতে পারবে না। তিনি বলেন, মামুন যদি চিকিৎসক সেজে চিকিৎসা করে সে দায় তার এর পুরো দায়দায়িত্ব মামুনকে নিতে হবে। এবিষয়ে তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি কামরুজ্জামান মিয়া বলেন, ঘটনাটি শোনার পরে ক্লিনিকে গিয়ে দোষী ব্যক্তিকে পাওয়া যায়নি, কেউ বাদী হয়ে অভিযোগও দেয়নি, অভিযোগ পেলে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

তানোরের মহানগর ক্লিনিকে ইউএনও’র অভিযান

প্রকাশিত হয়েছে: ১০:০৭:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ অগাস্ট ২০২২

তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধি -ঃ রাজশাহীর তানোরে আলোচিত মহানগর ক্লিনিক মালিক হেলালের মদদে মামুন নিজেকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পরিচয় দিয়ে অস্ত্রপাচার, নানা রোগের ব্যবস্থাপত্র ও চিকিৎসার নামে প্রতারণা করে সাধারণ মানুষেন কাছে থেকে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। সম্প্রতি ভূয়া চিকিৎসক মামুন এক প্রসূতির অস্ত্রপাচার করছেন এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হলে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গত ১৯ আগস্ট শুক্রবার থানা পুলিশ মহানগর ক্লিনিকে অভিযান পরিচালনা করে। কিন্ত্ত পুলিশ যাবার আগেই মালিক হেলাল ও ভুয়া চিকিৎসক মামুন কৌশলে পালিয়ে যায়। এদিকে গত ২০ আগষ্ট শনিবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পঙ্কজ চন্দ্র দেবনাথ ভ্রাম্যমান অভিযান চালিয়ে ১০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছেন। তবে ক্লিনিক বন্ধ বা অভিযুক্তদের আটক নাা করায় অনেকে বলছে গুরু পাপে লঘুদন্ড দেয়া হয়েছে। আর ভুক্তভোগীরা মালিক হেলাল ও ভুয়া চিকিৎসক মামুনকে গ্রেফতার এবং ক্লিনিক বন্ধের দাবি করেছেন।
স্থানীয়রা জানান, মহানগর ক্লিনিকের কর্মচারী মামুন দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসক সেজে চিকিৎসার নামে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছে। এমনকি নারীসঙ্গ উপভোগের মাধ্যমে হোমরা-চোমরাদের ম্যানেজ করা হয় বলেও গুঞ্জন রয়েছে। এদিকে ক্লিনিকের সাইনবোর্ডে বড় বড় চিকিৎসকের নাম দিয়ে স্বল্প মুল্য উন্নত চিকিৎসার কথা বলা হয়েছে। কিন্ত্ত চিকিৎসক তো পরের কথা প্রশিক্ষিত একজন নার্স বা আয়া নাই ক্লিনিকে। এখানে কোনো রোগী আশামাত্র রোগীর স্বজনদের কাছে থেকে মুচলেকা লিখে নিতেন এই মামুন। কোনো কারণে রোগী মারা গেলে তার স্বজনরা ক্লিনিক বা চিকিৎসককে দায়ী করে যেনো কোথাও অভিযোগ করতে না পারে সেই জন্য।
এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পঙ্কজ চন্দ্র দেবনাথ বলেন, মহানগর ক্লিনিকে নানা অনিয়মের কারণে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হয়েছে এবং মুল অভিযুক্ত মামুনের বিরুদ্ধে মামলা করতে বলা হয়েছে।
তানোর মহানগর ক্লিনিকের পরিচালক হেলা উদ্দিনের কাছে কর্মচারী হয়ে মামুনুর রশিদ মামুন অস্ত্রপাচারসহ চিকিৎসা করান কিভাবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মামুন কর্মচারী সে চিকিৎসা দিতে পারবে না। তিনি বলেন, মামুন যদি চিকিৎসক সেজে চিকিৎসা করে সে দায় তার এর পুরো দায়দায়িত্ব মামুনকে নিতে হবে। এবিষয়ে তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি কামরুজ্জামান মিয়া বলেন, ঘটনাটি শোনার পরে ক্লিনিকে গিয়ে দোষী ব্যক্তিকে পাওয়া যায়নি, কেউ বাদী হয়ে অভিযোগও দেয়নি, অভিযোগ পেলে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।