রাজশাহী প্রতিনিধি -ঃ রাজশাহীর রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচিত কৃষ্ণ কালো ও কমলা সুন্দরীর আবির্ভাব ঘঠেছে বলে গুঞ্জন উঠেছে। তৃণমুলের ভাষ্য, রাজনৈতিক অঙ্গনে কথিত তিনপ্রজন্ম, শতবর্ষী, দানবির, দাতা হাতেমতায়, জিনের বাদশা ইত্যাদি নানা নামে নানা রঙে-ঢঙে ঝড়ের গতিতে রাতারাতি বহু নেতার আবির্ভাব ঘটেছিল, তবে সকাল হবার আগেই টর্নেডোর গতিতে তাদের পতনও হয়েছে। কিন্ত্ত সাধারণ নির্বাচনের আগে ফের কৃষ্ণ কালো ও কমলা সুন্দরীর আবির্ভাব ঘটেছে। সুত্র বলছে, এরা নির্বাচন নিয়ে বাণিজ্য করে, দেশে কোনো নির্বাচন আসলেই এরা প্রার্থী হবার ঘোষণা দিয়ে নানা ঢঙে নানা রঙে মাঠে নামেন। তারা নিজেরাও জানেন ইউপি সদস্য নির্বাচিত হবার মতো গ্রহণযোগ্যতা তাদের নাই।কিন্ত্ত এমপি হবার ঘোষণা দিয়ে আলোচনায় আসতে চাই। তাদের উদ্দেশ্য একটাই সম্ভবনাময় প্রার্থীদের ওপর চাপ সৃষ্টি করে কিছু নগদ নারায়ণ হাতানো।
স্থানীয়রা বলছে, কথিত কৃষ্ণ কালো ও কমলা সুন্দরী কুঁয়োর ব্যাঙ হয়ে সুমুদ্র জয়ের স্বপ্ন দেখছে।কারণ কৃষ্ণ কালোর স্কুল শিক্ষক ও স্থানীয় নেতৃত্বে আশার কোনো যোগ্যতা নাই, তবে করা হয়েছে কলেজ শিক্ষক ও জেলার নেতা। আর কমলা সুন্দরী নিয়ে আলোচনা না করায় শ্রেয়। অথচ কুঁয়োর ব্যাঙ হয়েও তারা সাধারণ মানুষকে সুমুদ্র জয়ের স্বপ্ন দেখায় গল্প শোনাই। কিন্ত্ত কুঁয়োর ব্যাঙ কি কখানো সুমুদ্র জয় করতে পারে ? কখানোই পারে না সে সর্বোচ্চ ডোবা-নালায় আসতে পারে। এর পর রয়েছে পুকুর-দিঘি, খাল-বিল, নদী তারও অনেক পর সুমুদ্র। তার পক্ষে এতো কিছু মোকাবেলা করে কি সুমুদ্র জয় সম্ভব কখানোই সম্ভব না। কারণ পুকুর-দিঘি না হয় বাদ দিলাম খাল-বিলে বড় মাছ, নদীতে কুমির, সুমুদ্রে হাঙ্গর এসব মোকাবেলা করার ক্ষমতা কুঁয়োর ব্যাঙের নাই। তাহলে কুয়োর ব্যাঙ হয়ে এরা কিসের বলে সুমুদ্রের হাঙ্গরের সঙ্গে লড়াইয়ের স্বপ্ন দেখছে একটা লেজের বাড়ি তো পরের কথা দীর্ঘশ্বাস সহ্য করার ক্ষমতা নাই। রাজনৈতিক অঙ্গনে কৃষ্ণ কালো ও কমলা সুন্দরীকে নিয়ে জনমনে নানা মুখরুচোক গুঞ্জনের সুত্রপাত হয়েছে।













