এখন ০৩:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঝিনাইদহ কালীগঞ্জে ঘাসপোড়া ঔষুধ দিয়ে ফুলকপির চারা পুড়িয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা

মোঃ,আবু সুফিয়ান শান্তি, ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি -ঃ ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে ঘাসপোড়া ওষুধ দিয়ে ফুলকপির চারা পুড়িয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা।প্রায় ৫বিঘা জমিতে রোপন যোগ্য ফুলকপির চারা রাতের আঁধারে পুড়িয়ে দিয়েছে। 

উপজেলার ৮নং মালিয়াট ইউনিয়নের তত্বিপুর গ্রামে রোববার রাতে এ ঘটনা ঘটে।ঐ গ্রামের মৃত নওয়াব আলীর ছেলে বর্গাচাষী রেজাউল করিম ১০ বিঘা জমি বর্গা নিয়ে চাষ করছে।

ভুক্তভোগী চাষী রেজাউল করিম জানান,ফুলকপির চারার সাথে কী শত্রুতা তা তিনি নিজেও বুঝতে পারছেন না।গত বছর একই ভাবে তার ঝালের চারাও কে বা কারা পুড়িয়ে দিয়েছিল।তাই তিনি ঝাল চাষ বাদ দিয়ে এবার ফুলকপির চাষে আসেন।কিন্তু ঝালের মতো কপিরও একই পরিণতি হল।ঝাল ও ফুলকপির চাষ করতে গিয়ে তিনি ৫ লাখ টাকার ক্ষতির সম্মুখিন হয়েছেন বলে জানান।

ঘটনা জানাজানি হলে দেখার জন্য গ্রামের নারী পুরুষ মাঠে আসে।ফুলকপির চারা পুড়ানো দেখে সবাই অবাক।কেনো প্রতিবছর এমন ক্ষতিসাধন করে তার কোন কারণ জানা নেই এলাকাবাসীর।

মানুষের সাথে শত্রুতা থাকতে পারে কিন্তু কাপুরুষের মত সবজির সাথে শত্রুতা পোষনের কোন মানে হয়না মন্তব্য গ্রামবাসীর। দুর্বৃত্তরা চতুর হওয়ায় তাদের কেও যেনো চিহিৃত করতে না পারে সে কারণে গভীর রাতে এমন ঘটনা ঘটায়।

৮নং মালিয়াট ইউপি চেয়রম্যান আজিজুল খাঁ বলেন, আমার কাছে এ ব্যাপারে কেউ কোন অভিযোগ দেয়নি। তবে এধরনের একটি খবর আমি শুনেছি।যারা এমন ন্যাক্কারজনকভাবে চারার সাথে শত্রুতা করেছে তারা দেশের শত্রু।এমন জঘন্য কাজ কোন সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষ করতে পারেনা।এদের উপযুক্ত বিচার হাওয়া দরকার।ঘটনাটি তদন্ত করে জড়িত দের শাস্তির আওতায় আনার দাবী এলাকাবাসীর।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

ঝিনাইদহ কালীগঞ্জে ঘাসপোড়া ঔষুধ দিয়ে ফুলকপির চারা পুড়িয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:৩৪:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ অগাস্ট ২০২২

মোঃ,আবু সুফিয়ান শান্তি, ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি -ঃ ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে ঘাসপোড়া ওষুধ দিয়ে ফুলকপির চারা পুড়িয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা।প্রায় ৫বিঘা জমিতে রোপন যোগ্য ফুলকপির চারা রাতের আঁধারে পুড়িয়ে দিয়েছে। 

উপজেলার ৮নং মালিয়াট ইউনিয়নের তত্বিপুর গ্রামে রোববার রাতে এ ঘটনা ঘটে।ঐ গ্রামের মৃত নওয়াব আলীর ছেলে বর্গাচাষী রেজাউল করিম ১০ বিঘা জমি বর্গা নিয়ে চাষ করছে।

ভুক্তভোগী চাষী রেজাউল করিম জানান,ফুলকপির চারার সাথে কী শত্রুতা তা তিনি নিজেও বুঝতে পারছেন না।গত বছর একই ভাবে তার ঝালের চারাও কে বা কারা পুড়িয়ে দিয়েছিল।তাই তিনি ঝাল চাষ বাদ দিয়ে এবার ফুলকপির চাষে আসেন।কিন্তু ঝালের মতো কপিরও একই পরিণতি হল।ঝাল ও ফুলকপির চাষ করতে গিয়ে তিনি ৫ লাখ টাকার ক্ষতির সম্মুখিন হয়েছেন বলে জানান।

ঘটনা জানাজানি হলে দেখার জন্য গ্রামের নারী পুরুষ মাঠে আসে।ফুলকপির চারা পুড়ানো দেখে সবাই অবাক।কেনো প্রতিবছর এমন ক্ষতিসাধন করে তার কোন কারণ জানা নেই এলাকাবাসীর।

মানুষের সাথে শত্রুতা থাকতে পারে কিন্তু কাপুরুষের মত সবজির সাথে শত্রুতা পোষনের কোন মানে হয়না মন্তব্য গ্রামবাসীর। দুর্বৃত্তরা চতুর হওয়ায় তাদের কেও যেনো চিহিৃত করতে না পারে সে কারণে গভীর রাতে এমন ঘটনা ঘটায়।

৮নং মালিয়াট ইউপি চেয়রম্যান আজিজুল খাঁ বলেন, আমার কাছে এ ব্যাপারে কেউ কোন অভিযোগ দেয়নি। তবে এধরনের একটি খবর আমি শুনেছি।যারা এমন ন্যাক্কারজনকভাবে চারার সাথে শত্রুতা করেছে তারা দেশের শত্রু।এমন জঘন্য কাজ কোন সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষ করতে পারেনা।এদের উপযুক্ত বিচার হাওয়া দরকার।ঘটনাটি তদন্ত করে জড়িত দের শাস্তির আওতায় আনার দাবী এলাকাবাসীর।