এখন ০৪:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তানোরে মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার চিঠি নিয়ে তালপাড়

রাজশাহী প্রতিনিধি -ঃ রাজশাহী-১ আসনে আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী আওয়ামী লীগ দলীয় সাংসদ নির্বাচিত হবার পর তানোর-গোদাগাড়ীতে রাজনৈতিক সহাবস্থান সৃষ্টি, দালালমুক্ত প্রশাসন, রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন, সন্ত্রাস, রাজনৈতিক হানাহানি ও চাঁদাবাজমুক্ত এলাকা হিসেবে গড়ে তোলেছেন। এখানে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান, সরকারি-বেসরকারি অফিস ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোনো চাঁদাবাজি-সন্ত্রাসি কর্মকান্ড নাই, রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত থেকে সকলে কাজ করতে পারছেন। এসব কারণে দলমত নির্বিশেষে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ মিলেমিশে এলাকায় শান্তপুর্ণভাবে বসবাস করছেন। এই জনপদকে তিনি শান্তির জনপদে রুপান্তর করেছেন, দেশের গতানুগতিক রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে যেটা বিরল ঘটনা বলে মনে করছেন সুশিল সমাজ। এতে সাংসদ ফারুক চৌধুরী সর্ব মহলের প্রশংসায় ভাসছেন এবং এই জনপদের মানুষ তার প্রতি কৃতজ্ঞ। অথচ সাংসদের দীর্ঘদিনের এই সাফল্য ও অর্জনকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে উপজেলা প্রশাসনের এক কর্মকর্তার একটি চিঠি।
সম্প্রতি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সিদ্দিকুর রহমান সকল প্রতিষ্ঠানে একটি চিঠি দিয়েছেন। চিঠিতে বলা হয়েছে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সন্ত্রাসী, হেরোইনখোর, গাঁজাখোর, টাউট-বাটপার ও মাতাল কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে তথ্য জানতে চেয়ে তথ্য না পেয়ে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে গালাগালি, লাঞ্ছিত ও
চাঁদাবাজি করে তাহলে সবাই মিলে তাদের বেঁধে পুলিশে দেবার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা যখন এমন চিঠি দেয় তখন নিশ্চয় তার কাছে সুনিদ্রিষ্ট তথ্য-প্রমাণ রয়েছে। যদি থাকে তাহলে তিনি তাদের পরিচয় প্রকাশ করে চিঠি দিতে পারতেন, আর যদি না থাকে তাহলে তিনি মনগড়াভাবে পুরো তানোরের মানুষকে লক্ষ্য করে এমন কুরুচিপুর্ণ ভাষায় চিঠি দিতে পারেন না। এই চিঠির মাধ্যমে তিনি এটাই বোঝাতে চাইলেন তানোরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এসব ঘটনা ঘটছে। কিন্ত্ত কেউ কি এমন একটা ঘটনার উদাহারণ দিতে পারবেন কখানোই পারবেন না, আর কখানো কোনো হেরোইন-গাঁজাখোর কি তথ্য জানতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যায় এমন কথা কেউ কখানো শুনেছেন। উপজেলা প্রশাসনের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা বলেন, এমন কুরুচিপূর্ণ ও মানহানিকর ভাষায় কেউ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চিঠি দিতে পারেন সেটা ভাবতেই রুচিতে বাধে। এবিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সিদ্দিকুর রহমান বলেন, তার সঙ্গে কথা বলতে হলে আবেদন করতে হবে নইলে তিনি কোনো কথা বলতে পারবেন না।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

তানোরে মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার চিঠি নিয়ে তালপাড়

প্রকাশিত হয়েছে: ১১:১৭:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ অগাস্ট ২০২২

রাজশাহী প্রতিনিধি -ঃ রাজশাহী-১ আসনে আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী আওয়ামী লীগ দলীয় সাংসদ নির্বাচিত হবার পর তানোর-গোদাগাড়ীতে রাজনৈতিক সহাবস্থান সৃষ্টি, দালালমুক্ত প্রশাসন, রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন, সন্ত্রাস, রাজনৈতিক হানাহানি ও চাঁদাবাজমুক্ত এলাকা হিসেবে গড়ে তোলেছেন। এখানে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান, সরকারি-বেসরকারি অফিস ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোনো চাঁদাবাজি-সন্ত্রাসি কর্মকান্ড নাই, রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত থেকে সকলে কাজ করতে পারছেন। এসব কারণে দলমত নির্বিশেষে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ মিলেমিশে এলাকায় শান্তপুর্ণভাবে বসবাস করছেন। এই জনপদকে তিনি শান্তির জনপদে রুপান্তর করেছেন, দেশের গতানুগতিক রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে যেটা বিরল ঘটনা বলে মনে করছেন সুশিল সমাজ। এতে সাংসদ ফারুক চৌধুরী সর্ব মহলের প্রশংসায় ভাসছেন এবং এই জনপদের মানুষ তার প্রতি কৃতজ্ঞ। অথচ সাংসদের দীর্ঘদিনের এই সাফল্য ও অর্জনকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে উপজেলা প্রশাসনের এক কর্মকর্তার একটি চিঠি।
সম্প্রতি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সিদ্দিকুর রহমান সকল প্রতিষ্ঠানে একটি চিঠি দিয়েছেন। চিঠিতে বলা হয়েছে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সন্ত্রাসী, হেরোইনখোর, গাঁজাখোর, টাউট-বাটপার ও মাতাল কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে তথ্য জানতে চেয়ে তথ্য না পেয়ে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে গালাগালি, লাঞ্ছিত ও
চাঁদাবাজি করে তাহলে সবাই মিলে তাদের বেঁধে পুলিশে দেবার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা যখন এমন চিঠি দেয় তখন নিশ্চয় তার কাছে সুনিদ্রিষ্ট তথ্য-প্রমাণ রয়েছে। যদি থাকে তাহলে তিনি তাদের পরিচয় প্রকাশ করে চিঠি দিতে পারতেন, আর যদি না থাকে তাহলে তিনি মনগড়াভাবে পুরো তানোরের মানুষকে লক্ষ্য করে এমন কুরুচিপুর্ণ ভাষায় চিঠি দিতে পারেন না। এই চিঠির মাধ্যমে তিনি এটাই বোঝাতে চাইলেন তানোরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এসব ঘটনা ঘটছে। কিন্ত্ত কেউ কি এমন একটা ঘটনার উদাহারণ দিতে পারবেন কখানোই পারবেন না, আর কখানো কোনো হেরোইন-গাঁজাখোর কি তথ্য জানতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যায় এমন কথা কেউ কখানো শুনেছেন। উপজেলা প্রশাসনের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা বলেন, এমন কুরুচিপূর্ণ ও মানহানিকর ভাষায় কেউ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চিঠি দিতে পারেন সেটা ভাবতেই রুচিতে বাধে। এবিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সিদ্দিকুর রহমান বলেন, তার সঙ্গে কথা বলতে হলে আবেদন করতে হবে নইলে তিনি কোনো কথা বলতে পারবেন না।