এখন ০৩:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গোদনাইলের বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মোখলেছুর রহমান (মাহা) না ফেরার দেশে

বিশেষ সংবাদদাতা -ঃ নারায়ণগঞ্জের গোদনাইল আরামবাগ এলাকার সরদার বাড়ি নিবাসী বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মোখলেছুর রহমান (মাহা) মাদবর আজ ১০ আগষ্ট ২০২২ইং (বুধবার) রাত ৩ঃ৩০মিঃ বার্ধক্য জনিত রোগে ভুগে ইন্তেকাল করেন (ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না-লিল্লাহি রাজিউন)।

বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মোখলেছুর রহমান (মাহা) ২ নম্বর সেক্টরে কর্নেল শফিউল্লাহ সাহেবের সহযোগী হিসেবে সক্রিয় ভাবে মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে অংশ গ্রহণ করেন। তিনি ১৯৭১ সালের অসহযোগ আন্দোলনের মধ্য দিয়ে ২৬ মার্চ প্রতিরোধ যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।

পরবর্তীতে ১৯৭১ সালে বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মোখলেছুর রহমান (মাহা) ভারতে গিয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহন করে দেশে ফিরে ঐতিহাসিক বেতিয়ারা যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেন। মুক্তিযুদ্ধকে এগিয়ে নেওয়ার প্রচেষ্টায় নিজেকে অব্যাহত রাখেন এবং বিজয় গাঁথা সাফল্য এনে যুদ্ধ শেষে দেশ পুনঃ গঠনে মনোযোগী হয়ে উঠেন। মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে তাঁর গেজেট নাম্বার – ১১৭৭।

বাদ জোহর স্থানীয় আরামবাগ মসজিদে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাঁর নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

মৃত্যুকালে তিনি ৪ কন্যা, ১ পুত্র সন্তান সহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তিনি নারায়ণগঞ্জ পৌরসভার সাবেক কমিশনার মরহুম বাদশা মিয়ার বড় ভাই।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

গোদনাইলের বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মোখলেছুর রহমান (মাহা) না ফেরার দেশে

প্রকাশিত হয়েছে: ০৪:৩১:৩৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ অগাস্ট ২০২২

বিশেষ সংবাদদাতা -ঃ নারায়ণগঞ্জের গোদনাইল আরামবাগ এলাকার সরদার বাড়ি নিবাসী বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মোখলেছুর রহমান (মাহা) মাদবর আজ ১০ আগষ্ট ২০২২ইং (বুধবার) রাত ৩ঃ৩০মিঃ বার্ধক্য জনিত রোগে ভুগে ইন্তেকাল করেন (ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না-লিল্লাহি রাজিউন)।

বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মোখলেছুর রহমান (মাহা) ২ নম্বর সেক্টরে কর্নেল শফিউল্লাহ সাহেবের সহযোগী হিসেবে সক্রিয় ভাবে মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে অংশ গ্রহণ করেন। তিনি ১৯৭১ সালের অসহযোগ আন্দোলনের মধ্য দিয়ে ২৬ মার্চ প্রতিরোধ যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।

পরবর্তীতে ১৯৭১ সালে বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মোখলেছুর রহমান (মাহা) ভারতে গিয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহন করে দেশে ফিরে ঐতিহাসিক বেতিয়ারা যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেন। মুক্তিযুদ্ধকে এগিয়ে নেওয়ার প্রচেষ্টায় নিজেকে অব্যাহত রাখেন এবং বিজয় গাঁথা সাফল্য এনে যুদ্ধ শেষে দেশ পুনঃ গঠনে মনোযোগী হয়ে উঠেন। মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে তাঁর গেজেট নাম্বার – ১১৭৭।

বাদ জোহর স্থানীয় আরামবাগ মসজিদে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাঁর নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

মৃত্যুকালে তিনি ৪ কন্যা, ১ পুত্র সন্তান সহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তিনি নারায়ণগঞ্জ পৌরসভার সাবেক কমিশনার মরহুম বাদশা মিয়ার বড় ভাই।