এখন ০৩:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সুজানগরে মাংস নিয়ে প্রতারণা কারী ভুয়া ডিবি পুলিশ সংগ্রাম যৌথ অভিযানে গ্রেফতার

এম মনিরুজ্জামান, পাবনা -ঃ সুজানগরে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে চর সুজানগর এলাকার মৃত মজিবর প্রামানিকের ছেলে বিল্লাল (৪২) নামক এক কসাইয়ের কাছ থেকে ২৫ কেজি খাসির মাংস নিয়ে প্রতারণা কারী ভুয়া ডিবি পুলিশ আফজাল মিনহাজ সংগ্রাম নামক এক ভুয়া ডিবি পুলিশ কে সুজানগর থানা পুলিশ ও ডিবি পুলিশের যৌথ অভিযানে গ্রেফতার করা হয়েছে। আফজাল মিনহাজ সংগ্রাম (৫২) নাটোর জেলার বড়াইগ্রাম থানার চন্ডীপুর গ্রামের এরশাদ আলী মন্ডলের ছেলে। ভুয়া ডিবি পুলিশ আফজাল মিনহাজ সংগ্রাম কে লালপুর থানার ধুপইল গ্রাম থেকে পাবনা ডিবি পুলিশ ও সুজানগর থানা পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে ঐ প্রতারক কে গ্রেফতার করা হয়।
গত ৩১ আগষ্ট ২০২২ ইং তারিখে পাবনার সুজানগরে চরসুজানগর এলাকার বাসিন্দা কসাই মোঃ বিল্লাল(৪২), পিতা-মৃত মজিবর প্রামাণিকের নিকট হইতে একজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি ডিবির ইউনিফর্ম, হ্যান্ডককাফ এবং পুলিশের আইডি কার্ড সহ আরটিআর মোটরসাইকেল নিয়ে নিজেকে ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে মাংস নেওয়ার কথা বলে ২৫ কেজি খাসির মাংস নিয়ে উক্ত মোটরসাইকেলে কসাইয়ের সহকারী জলিলকে নিয়ে পাবনা শহরে অনন্ত মোড়ে এসে পথিমধ্যে জলিলকে নেমে দিয়ে টাকা না দিয়েই কৌশলে মাংস নিয়ে পালিয়ে যায় । বাদী মোঃ বিল্লাল কসাইয়ের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সুজানগর থানায় একটি প্রতারণার মামলা রুজু হয় । আধুনিক তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে অতিঃ পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ) জনাব মোঃ মাসুদ আলম এবং অতিঃ পুলিশ সুপার (ডিএসবি) জনাব জিন্নাহ আল মামুনের নেতৃত্বে পাবনা ডিবি পুলিশ এবং সুজানগর থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে নাটোর জেলার লালপুর থানাধীন ধুপইল গ্রাম থেকে আসামী মোঃ আফজাল মিনহাজ সংগ্রাম(৫২) পিতা- মোঃ এরশাদ আলী মন্ডল, সাং-চন্ডীপুর, থানা-বড়াইগ্রাম, জেলা-নাটোর কে গ্রেফতার করে।
অত্র মামলার ঘটনায় আসামী কে জিজ্ঞাসাবাদ করে তাহার হেফাজত হইতে নিম্নলিখিত আলামত উদ্ধার করা হয় এবং ঘটনায় নিজেকে জড়িত মর্মে স্বীকার করে। উক্ত গ্রেফতাকৃত আসামী পাবনা জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় এরকম বহু প্রতারনার ঘটনা ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে ।
উদ্ধারকৃত আলামতের বর্ণনাঃ
১। একটি ডিবি,পাবনা লেখা ডিবির জ্যাকেট/কটি,
২। এক জোড়া হ্যান্ডক্যাফ,
৩। একটি আরটিআর মোটর সাইকেল,
৪। পুলিশের আইডি কার্ড,
৫। একটি বাটন মোবাইল ফোন।
আসামীর অপরাধ ইতিহাসঃ
আসামীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন জেলায় পুলিশ,ডিবি, র‌্যাব পরিচয়ে প্রতারনার ০৮ টি মামলা সহ মোট ০৯ মামলা রুজু আছে। আসামী একজন কুখ্যাত প্রতারক ও ঠকবাজ। অনেকেই তার প্রতারণার শিকার হয়ে সর্বসান্ত হয়েছেন। ধৃত আসামি কে আদালতের ম্যাধমে পাবনা কারাগারে পাঠানোর হয়েছে বলে জানান, সুজানগর থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল হান্নান।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

সুজানগরে মাংস নিয়ে প্রতারণা কারী ভুয়া ডিবি পুলিশ সংগ্রাম যৌথ অভিযানে গ্রেফতার

প্রকাশিত হয়েছে: ০৬:০৫:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ অগাস্ট ২০২২

এম মনিরুজ্জামান, পাবনা -ঃ সুজানগরে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে চর সুজানগর এলাকার মৃত মজিবর প্রামানিকের ছেলে বিল্লাল (৪২) নামক এক কসাইয়ের কাছ থেকে ২৫ কেজি খাসির মাংস নিয়ে প্রতারণা কারী ভুয়া ডিবি পুলিশ আফজাল মিনহাজ সংগ্রাম নামক এক ভুয়া ডিবি পুলিশ কে সুজানগর থানা পুলিশ ও ডিবি পুলিশের যৌথ অভিযানে গ্রেফতার করা হয়েছে। আফজাল মিনহাজ সংগ্রাম (৫২) নাটোর জেলার বড়াইগ্রাম থানার চন্ডীপুর গ্রামের এরশাদ আলী মন্ডলের ছেলে। ভুয়া ডিবি পুলিশ আফজাল মিনহাজ সংগ্রাম কে লালপুর থানার ধুপইল গ্রাম থেকে পাবনা ডিবি পুলিশ ও সুজানগর থানা পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে ঐ প্রতারক কে গ্রেফতার করা হয়।
গত ৩১ আগষ্ট ২০২২ ইং তারিখে পাবনার সুজানগরে চরসুজানগর এলাকার বাসিন্দা কসাই মোঃ বিল্লাল(৪২), পিতা-মৃত মজিবর প্রামাণিকের নিকট হইতে একজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি ডিবির ইউনিফর্ম, হ্যান্ডককাফ এবং পুলিশের আইডি কার্ড সহ আরটিআর মোটরসাইকেল নিয়ে নিজেকে ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে মাংস নেওয়ার কথা বলে ২৫ কেজি খাসির মাংস নিয়ে উক্ত মোটরসাইকেলে কসাইয়ের সহকারী জলিলকে নিয়ে পাবনা শহরে অনন্ত মোড়ে এসে পথিমধ্যে জলিলকে নেমে দিয়ে টাকা না দিয়েই কৌশলে মাংস নিয়ে পালিয়ে যায় । বাদী মোঃ বিল্লাল কসাইয়ের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সুজানগর থানায় একটি প্রতারণার মামলা রুজু হয় । আধুনিক তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে অতিঃ পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ) জনাব মোঃ মাসুদ আলম এবং অতিঃ পুলিশ সুপার (ডিএসবি) জনাব জিন্নাহ আল মামুনের নেতৃত্বে পাবনা ডিবি পুলিশ এবং সুজানগর থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে নাটোর জেলার লালপুর থানাধীন ধুপইল গ্রাম থেকে আসামী মোঃ আফজাল মিনহাজ সংগ্রাম(৫২) পিতা- মোঃ এরশাদ আলী মন্ডল, সাং-চন্ডীপুর, থানা-বড়াইগ্রাম, জেলা-নাটোর কে গ্রেফতার করে।
অত্র মামলার ঘটনায় আসামী কে জিজ্ঞাসাবাদ করে তাহার হেফাজত হইতে নিম্নলিখিত আলামত উদ্ধার করা হয় এবং ঘটনায় নিজেকে জড়িত মর্মে স্বীকার করে। উক্ত গ্রেফতাকৃত আসামী পাবনা জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় এরকম বহু প্রতারনার ঘটনা ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে ।
উদ্ধারকৃত আলামতের বর্ণনাঃ
১। একটি ডিবি,পাবনা লেখা ডিবির জ্যাকেট/কটি,
২। এক জোড়া হ্যান্ডক্যাফ,
৩। একটি আরটিআর মোটর সাইকেল,
৪। পুলিশের আইডি কার্ড,
৫। একটি বাটন মোবাইল ফোন।
আসামীর অপরাধ ইতিহাসঃ
আসামীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন জেলায় পুলিশ,ডিবি, র‌্যাব পরিচয়ে প্রতারনার ০৮ টি মামলা সহ মোট ০৯ মামলা রুজু আছে। আসামী একজন কুখ্যাত প্রতারক ও ঠকবাজ। অনেকেই তার প্রতারণার শিকার হয়ে সর্বসান্ত হয়েছেন। ধৃত আসামি কে আদালতের ম্যাধমে পাবনা কারাগারে পাঠানোর হয়েছে বলে জানান, সুজানগর থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল হান্নান।