এখন ০৫:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাঁশের চেয়ে কঞ্চি বড়

আলিফ হোসেন, তানোর -ঃ রাজশাহীর তানোরের তালন্দ লোলিত মোহন ডিগ্রী কলেজের রাজনৈতিক পরিচয়ের বগী এক কর্মচারির দাপটে শিক্ষক-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে বলে গুঞ্জন বইছে। স্থানীয় সুত্র বলছে, তৃতীয় শ্রেণীর ওই কর্মচারির কাছে জিম্মি শিক্ষক-কর্মচারীগণ। পদবিতে তৃতীয় শ্রেণী হলেও চলাফেরায় অধ্যক্ষের চেয়েও বেশী, যাকে বলে ‘বাঁশের চেয়ে কঞ্চি বড়’। চাকরিবিধি লঙ্ঘন করে ওই কর্মচারি দিনের পর দিন অনুপস্থিত থেকে মাস শেষে একদিনে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর দিয়ে বেতনভাতা উত্তোলন করেন। এমনকি অনেক সময় অধ্যক্ষকে নিজে গিয়ে বেতন-ভাতার টাকা দিয়ে আসতে হয়। অথচ নিয়মানুযায়ী কলেজ খোলার সময় থেকে ছুটি পর্যন্ত তার কলেজে থাকার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কিন্তু তিনি অফিস সময় ফাঁকি দিয়ে সরকারি
গুদামে ধান-গম সরবরাহ, ভুমি অফিস ও থানায় দালালি, সার ডিলারকে হাতে নিয়ে বাণিজ্য, সালিস বাণিজ্য, হাট-বাজারে দখলবাজি করে পজিশন বেচা-কেনা, অবৈধ মটরে বিদ্যুৎ সংযোগ, কলেজের অর্থ কোথায় কিভাবে ব্যয় হবে, কোন শিক্ষককে কোথায় কি দায়িত্ব দিতে হবে, ফরম পুরুণে অর্থ হাতিয়ে নেয়া ও গভীর নলকুপে সেচ বাণিজ্যসহ এমপিবিরোধী বলয় সৃষ্টির পাঁয়তারা করে আসছেন বলেও আলোচনা রয়েছে।
জানা গেছে, ওই কর্মচারী একটি সবুজ রঙের বাইকে ঘোরেন, উপজেলার একপ্রান্ত থেকে অপরপ্রান্ত সব প্রান্তেই তার সরব বিচরণ। কিন্ত্ত একজন মানুষের ভাল গুন থাকলে যে বিচরণটা লক্ষ করা যায়, তিনি সেই গুনের অধিকারী নন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষক বলেন, কলেজ চলাকালীন সময়ে তাকে কলেজে উপস্থিত রেখে তার লাগাম এখানোই টেনে ধরতে হবে, নইলে আগামিতে তার দৌরাত্ম্য আরো বেড়ে যাবে। তিনি বলেন, দারুল ইহসানের সার্টিফিকেট কিনে চাকরি নিয়েছেন, তবে তার ভাবসাব দেখলে মনে হয় কলেজের তিনি অধ্যক্ষ। এ বিষয়ে জানতে চাইলে অধ্যক্ষ বিষ্ণুপদ সরকার বলেন, এসব অসত্য কথা। তিনি বলেন, কলেজে এমন কর্মচারির কোনো অস্থিত্ব নাই।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

বাঁশের চেয়ে কঞ্চি বড়

প্রকাশিত হয়েছে: ১২:৩১:৩৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ অগাস্ট ২০২২

আলিফ হোসেন, তানোর -ঃ রাজশাহীর তানোরের তালন্দ লোলিত মোহন ডিগ্রী কলেজের রাজনৈতিক পরিচয়ের বগী এক কর্মচারির দাপটে শিক্ষক-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে বলে গুঞ্জন বইছে। স্থানীয় সুত্র বলছে, তৃতীয় শ্রেণীর ওই কর্মচারির কাছে জিম্মি শিক্ষক-কর্মচারীগণ। পদবিতে তৃতীয় শ্রেণী হলেও চলাফেরায় অধ্যক্ষের চেয়েও বেশী, যাকে বলে ‘বাঁশের চেয়ে কঞ্চি বড়’। চাকরিবিধি লঙ্ঘন করে ওই কর্মচারি দিনের পর দিন অনুপস্থিত থেকে মাস শেষে একদিনে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর দিয়ে বেতনভাতা উত্তোলন করেন। এমনকি অনেক সময় অধ্যক্ষকে নিজে গিয়ে বেতন-ভাতার টাকা দিয়ে আসতে হয়। অথচ নিয়মানুযায়ী কলেজ খোলার সময় থেকে ছুটি পর্যন্ত তার কলেজে থাকার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কিন্তু তিনি অফিস সময় ফাঁকি দিয়ে সরকারি
গুদামে ধান-গম সরবরাহ, ভুমি অফিস ও থানায় দালালি, সার ডিলারকে হাতে নিয়ে বাণিজ্য, সালিস বাণিজ্য, হাট-বাজারে দখলবাজি করে পজিশন বেচা-কেনা, অবৈধ মটরে বিদ্যুৎ সংযোগ, কলেজের অর্থ কোথায় কিভাবে ব্যয় হবে, কোন শিক্ষককে কোথায় কি দায়িত্ব দিতে হবে, ফরম পুরুণে অর্থ হাতিয়ে নেয়া ও গভীর নলকুপে সেচ বাণিজ্যসহ এমপিবিরোধী বলয় সৃষ্টির পাঁয়তারা করে আসছেন বলেও আলোচনা রয়েছে।
জানা গেছে, ওই কর্মচারী একটি সবুজ রঙের বাইকে ঘোরেন, উপজেলার একপ্রান্ত থেকে অপরপ্রান্ত সব প্রান্তেই তার সরব বিচরণ। কিন্ত্ত একজন মানুষের ভাল গুন থাকলে যে বিচরণটা লক্ষ করা যায়, তিনি সেই গুনের অধিকারী নন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষক বলেন, কলেজ চলাকালীন সময়ে তাকে কলেজে উপস্থিত রেখে তার লাগাম এখানোই টেনে ধরতে হবে, নইলে আগামিতে তার দৌরাত্ম্য আরো বেড়ে যাবে। তিনি বলেন, দারুল ইহসানের সার্টিফিকেট কিনে চাকরি নিয়েছেন, তবে তার ভাবসাব দেখলে মনে হয় কলেজের তিনি অধ্যক্ষ। এ বিষয়ে জানতে চাইলে অধ্যক্ষ বিষ্ণুপদ সরকার বলেন, এসব অসত্য কথা। তিনি বলেন, কলেজে এমন কর্মচারির কোনো অস্থিত্ব নাই।