এখন ০৩:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অভয়নগরে নাবালিকা ছাত্রীকে বিয়ে পড়ানোর দায়ে স্কুল শিক্ষকসহ দুইজন এখন শ্রীঘরে

মোঃ কামাল হোসেন, বিশেষ প্রতিনিধি -ঃ অভয়নগর উপজেলার আলহেলাল ইসলামী একাডেমি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (ইসলাম ধর্ম) রুহুল আমিনসহ মো. হাফিজুর রহমান নামের এক কথিত স্বামীকে পুলিশ আটক করেছে। রোববার গভীর রাতে পুলিশ নওয়াপাড়া পৌরসভার বুইকরা গ্রাম থেকে তাদেরকে আটক করে। পুলিশ জানায়, আলহেলাল মাধ্যমিক স্কুলের সাথেই গড়ে ওঠা আলহেলাল ইসলামী একাডেমি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণিতে পড়ু–য়া ১১বছর বয়সী শিক্ষার্থীকে ফুঁসলিয়ে এবং জোরপূর্বক হাফিজুর রহমান বিয়ে করেন। তাছাড়া এই বিয়ে পড়ান স্কুল শিক্ষক রুহুল আমিন। নাবালিকা স্কুল ছাত্রীর বিয়ের খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে শিশু শিক্ষার্থীর মা রিক্তা বেগম বাদি হয়ে অভয়নগর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। অভিযোগ পেয়ে পুলিশ ওই রাতেই তাদেরকে আটক করে জেল হাজতে পাঠায়। অভিযোগসূত্রে জানা গেছে, গত ১৫জুলাই বুইকরা গ্রামের জগবাবুর মোড় এলাকার মৃত শাহ আলমের ছেলে মো. হাফিজুর রহমান (৩৫) জোরপূর্বক ৫ম শ্রেণির ওই শিশু শিক্ষার্থীকে বিয়ে করেন। এই বিয়ে পড়ানোর কাজ সম্পন্ন করেন স্কুল শিক্ষক রুহুল আমিন (৪৫)। এ খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে গত ২৮ জুলাই স্কুল ছাত্রীর মা রিক্তা বেগম অভয়নগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একখানা লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পেয়ে ইউএনও বিষয়টি তদন্তের জন্য থানায় পাঠালে পুলিশ বিষয়টি যাচাই করে সেটাকে আমলে নিয়ে ধর্ষণ মামলা রুজু করে। থানার ওসি একেএম শামীম হাসান জানান, অভিযোগের সত্যতা পেয়ে মামলা রুজুর পর আসামী দুজনকে আটক করে যশোর জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

অভয়নগরে নাবালিকা ছাত্রীকে বিয়ে পড়ানোর দায়ে স্কুল শিক্ষকসহ দুইজন এখন শ্রীঘরে

প্রকাশিত হয়েছে: ০৬:৩৫:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ অগাস্ট ২০২২

মোঃ কামাল হোসেন, বিশেষ প্রতিনিধি -ঃ অভয়নগর উপজেলার আলহেলাল ইসলামী একাডেমি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (ইসলাম ধর্ম) রুহুল আমিনসহ মো. হাফিজুর রহমান নামের এক কথিত স্বামীকে পুলিশ আটক করেছে। রোববার গভীর রাতে পুলিশ নওয়াপাড়া পৌরসভার বুইকরা গ্রাম থেকে তাদেরকে আটক করে। পুলিশ জানায়, আলহেলাল মাধ্যমিক স্কুলের সাথেই গড়ে ওঠা আলহেলাল ইসলামী একাডেমি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণিতে পড়ু–য়া ১১বছর বয়সী শিক্ষার্থীকে ফুঁসলিয়ে এবং জোরপূর্বক হাফিজুর রহমান বিয়ে করেন। তাছাড়া এই বিয়ে পড়ান স্কুল শিক্ষক রুহুল আমিন। নাবালিকা স্কুল ছাত্রীর বিয়ের খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে শিশু শিক্ষার্থীর মা রিক্তা বেগম বাদি হয়ে অভয়নগর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। অভিযোগ পেয়ে পুলিশ ওই রাতেই তাদেরকে আটক করে জেল হাজতে পাঠায়। অভিযোগসূত্রে জানা গেছে, গত ১৫জুলাই বুইকরা গ্রামের জগবাবুর মোড় এলাকার মৃত শাহ আলমের ছেলে মো. হাফিজুর রহমান (৩৫) জোরপূর্বক ৫ম শ্রেণির ওই শিশু শিক্ষার্থীকে বিয়ে করেন। এই বিয়ে পড়ানোর কাজ সম্পন্ন করেন স্কুল শিক্ষক রুহুল আমিন (৪৫)। এ খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে গত ২৮ জুলাই স্কুল ছাত্রীর মা রিক্তা বেগম অভয়নগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একখানা লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পেয়ে ইউএনও বিষয়টি তদন্তের জন্য থানায় পাঠালে পুলিশ বিষয়টি যাচাই করে সেটাকে আমলে নিয়ে ধর্ষণ মামলা রুজু করে। থানার ওসি একেএম শামীম হাসান জানান, অভিযোগের সত্যতা পেয়ে মামলা রুজুর পর আসামী দুজনকে আটক করে যশোর জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।