এখন ০৩:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আলীকদম সদর ইউপি চেয়ারম্যান নাছির উদ্দিন গং কতৃক প্রতারিত আরো একটি পরিবারের সংবাদ সম্মেলন

টি আই, মাহামুদ, আলীকদম (বান্দরবান) প্রতিনিধি -ঃ বান্দরবানের আলীকদম উপজেলার ১নং সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাছির উদ্দিনের বিরুদ্ধে যেন অভিযোগের শেষ নেই। প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ভাবে লাঞ্ছিত, প্রতারিত ও ভুক্তভোগী পরিবারগুলো তার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে প্রতিবাদ শুরু করেছেন।

আজ(২৬ জুলাই)মঙ্গলবার আলীকদম উপজেলাস্থ আলীকদম রিপোর্টাস ক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে’নাছির উদ্দিনে চেয়ারম্যান গংদের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন আলীকদম ০৩নং নয়াপাড়া ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের বাগান পাড়ার স্থায়ী বাসিন্দা মৃত হাতেম আলীর পরিবার।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, হাতেম আলী পরিবারের ওয়ারিশ গণের পক্ষে, হাতেম আলীর নাতি মোঃ বেলাল। লিখিত বক্তব্যে বেলাল জানায়, মৃত হাতেম আলী ১৯৭৭-৭৮ সালে অভিযুক্ত নাছির উদ্দিন চেয়ারম্যান গং এর পিতা ছিদ্দিক আহমদ হইতে ২৮৭ নং তৈন মৌজার ৮৩ নং খতিয়ানের ২৫৬৮ নং দাগের ০২ একর প্রথম শ্রেণির জমি ১০,০০০ টাকায় ক্রয় করে। জমি বায়না নামার পর চৌহদ্দি সহ বুঝিয়ে দেন ছিদ্দিক আহাম্মদ। তৎ সময়ে রেজিষ্ট্রী কার্যক্রম শুরু করা অবস্থায় ১৯৭৯ সালে ছিদ্দিক আহমদ মারা যান। তাই তখন আর জমি রেজিষ্ট্রেশন সম্পন্ন করা যায়নি। পরবর্তীতে জমি রেজিষ্ট্রির তাগিদে আমরা মৃত হাতেম আলীর ওয়ারিশ গন মৃত ছিদ্দিক আহমদের ওয়ারিশ নাছির উদ্দীন চেয়ারম্যান গং দের সরনাপন্ন হইলে আমাদের অজ্ঞতার সুযোগে জমি রেজিষ্ট্রি দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে নানান তালবাহানা শুরু করেন। এবং আমাদের প্রথম শ্রেণির জমিতে নাছির উদ্দীন ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে জোর পূর্বক একটি পুকুর খনন করে। আমরা আদালতে আশ্রয় নিতে চাইলে আমাদের বাকী ভোগ দখলীয় জায়গা থেকেও উচ্ছেদ করার হুমকি দেন। আমাদের অসহায়ত্ব ও সরলতার সুযোগে ২০১৫ সালে ৩০ শতক জমি একটি বিদ্যালয়কে অবৈধ হস্তান্তর করেন, তৎসময়ে আমরা প্রতিবাদ করিলে পরবর্তীতে অন্যত্র সমপরিমাণ জায়গা দিবে বলে আমাদের আশ্বাস দেন। সেই থেকে আমাদের সাথে নানা তালবাহানা করছে নাছির উদ্দীন চেয়ারম্যান গং।
কয়েকদিন পূর্বে নাছির উদ্দিন চেয়ারম্যান গং এর বিরুদ্ধে ভূক্তভোগী অন্য দুই পরিবারের ( সিরাজুল ইসলাম ও ঠাণ্ডা মিয়ার ওয়ারিশ গন) করা দুইটি সংবাদ সম্মেলনের প্রতিউত্তরে নাছির উদ্দীন চেয়ারম্যান গং গত ২৩শে জুলাই একটি সংবাদ সম্মেলনে হাতেম আলীর ওয়ারিশ গনের জমি নিজের বলে বিভিন্ন ভাবে মিথ্যা ও প্রতারণা পূর্বক ভিত্তিহীন বক্তব্য দেন।
এমতাবস্থায় তারা চেয়ারম্যানের এরুপ মিথ্যাচারের তিব্র নিন্দা ও প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সকলের কাছে বিচার চান।

সংবাদ সম্মেলনের বিষয়ে সদরর চেয়ারম্যান নাছির উদ্দিন বলেন, আমি একা কিছু করতে পারি না। তাদের হাতে থাকা কাগজটি ভূয়া। সাংবাদিকদের করা প্রশ্ন দলিলটি ভূয়া হলে এতবছর কিভাবে উক্ত জায়গায় ভুক্তভোগীরা বসবাস করছে এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, জায়গা সংক্রান্ত বিষয় বিচার দিলে আদালতে দিবে, সংবাদ সম্মেলন করে কি হবে? সংবাদ সম্মেলন করলে কি জায়গা পাওয়া যায়।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

আলীকদম সদর ইউপি চেয়ারম্যান নাছির উদ্দিন গং কতৃক প্রতারিত আরো একটি পরিবারের সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিত হয়েছে: ০১:১২:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ জুলাই ২০২২

টি আই, মাহামুদ, আলীকদম (বান্দরবান) প্রতিনিধি -ঃ বান্দরবানের আলীকদম উপজেলার ১নং সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাছির উদ্দিনের বিরুদ্ধে যেন অভিযোগের শেষ নেই। প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ভাবে লাঞ্ছিত, প্রতারিত ও ভুক্তভোগী পরিবারগুলো তার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে প্রতিবাদ শুরু করেছেন।

আজ(২৬ জুলাই)মঙ্গলবার আলীকদম উপজেলাস্থ আলীকদম রিপোর্টাস ক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে’নাছির উদ্দিনে চেয়ারম্যান গংদের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন আলীকদম ০৩নং নয়াপাড়া ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের বাগান পাড়ার স্থায়ী বাসিন্দা মৃত হাতেম আলীর পরিবার।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, হাতেম আলী পরিবারের ওয়ারিশ গণের পক্ষে, হাতেম আলীর নাতি মোঃ বেলাল। লিখিত বক্তব্যে বেলাল জানায়, মৃত হাতেম আলী ১৯৭৭-৭৮ সালে অভিযুক্ত নাছির উদ্দিন চেয়ারম্যান গং এর পিতা ছিদ্দিক আহমদ হইতে ২৮৭ নং তৈন মৌজার ৮৩ নং খতিয়ানের ২৫৬৮ নং দাগের ০২ একর প্রথম শ্রেণির জমি ১০,০০০ টাকায় ক্রয় করে। জমি বায়না নামার পর চৌহদ্দি সহ বুঝিয়ে দেন ছিদ্দিক আহাম্মদ। তৎ সময়ে রেজিষ্ট্রী কার্যক্রম শুরু করা অবস্থায় ১৯৭৯ সালে ছিদ্দিক আহমদ মারা যান। তাই তখন আর জমি রেজিষ্ট্রেশন সম্পন্ন করা যায়নি। পরবর্তীতে জমি রেজিষ্ট্রির তাগিদে আমরা মৃত হাতেম আলীর ওয়ারিশ গন মৃত ছিদ্দিক আহমদের ওয়ারিশ নাছির উদ্দীন চেয়ারম্যান গং দের সরনাপন্ন হইলে আমাদের অজ্ঞতার সুযোগে জমি রেজিষ্ট্রি দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে নানান তালবাহানা শুরু করেন। এবং আমাদের প্রথম শ্রেণির জমিতে নাছির উদ্দীন ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে জোর পূর্বক একটি পুকুর খনন করে। আমরা আদালতে আশ্রয় নিতে চাইলে আমাদের বাকী ভোগ দখলীয় জায়গা থেকেও উচ্ছেদ করার হুমকি দেন। আমাদের অসহায়ত্ব ও সরলতার সুযোগে ২০১৫ সালে ৩০ শতক জমি একটি বিদ্যালয়কে অবৈধ হস্তান্তর করেন, তৎসময়ে আমরা প্রতিবাদ করিলে পরবর্তীতে অন্যত্র সমপরিমাণ জায়গা দিবে বলে আমাদের আশ্বাস দেন। সেই থেকে আমাদের সাথে নানা তালবাহানা করছে নাছির উদ্দীন চেয়ারম্যান গং।
কয়েকদিন পূর্বে নাছির উদ্দিন চেয়ারম্যান গং এর বিরুদ্ধে ভূক্তভোগী অন্য দুই পরিবারের ( সিরাজুল ইসলাম ও ঠাণ্ডা মিয়ার ওয়ারিশ গন) করা দুইটি সংবাদ সম্মেলনের প্রতিউত্তরে নাছির উদ্দীন চেয়ারম্যান গং গত ২৩শে জুলাই একটি সংবাদ সম্মেলনে হাতেম আলীর ওয়ারিশ গনের জমি নিজের বলে বিভিন্ন ভাবে মিথ্যা ও প্রতারণা পূর্বক ভিত্তিহীন বক্তব্য দেন।
এমতাবস্থায় তারা চেয়ারম্যানের এরুপ মিথ্যাচারের তিব্র নিন্দা ও প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সকলের কাছে বিচার চান।

সংবাদ সম্মেলনের বিষয়ে সদরর চেয়ারম্যান নাছির উদ্দিন বলেন, আমি একা কিছু করতে পারি না। তাদের হাতে থাকা কাগজটি ভূয়া। সাংবাদিকদের করা প্রশ্ন দলিলটি ভূয়া হলে এতবছর কিভাবে উক্ত জায়গায় ভুক্তভোগীরা বসবাস করছে এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, জায়গা সংক্রান্ত বিষয় বিচার দিলে আদালতে দিবে, সংবাদ সম্মেলন করে কি হবে? সংবাদ সম্মেলন করলে কি জায়গা পাওয়া যায়।