এখন ০৩:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিএমডিএ’র অবৈধ মাটি বানিজ্য জনজীবন দুর্বীসহ

আলিফ হোসেন, রাজশাহী -ঃ রাজশাহীর তানোরে গ্রামবাসির বাঁধা উপেক্ষা, পরিবেশ দুষণ ও রাস্তা নষ্ট করে বিএমডিএ’র অবৈধ মাটি বাণিজ্যে জনজীবন দুর্বীসহ হয়ে উঠেছে। স্থানীয়রা জানান, বিএমডিএর সহকারি প্রকৌশলী মাহাফুজুর রহমানের মদদে ঠিকাদার পুকুর খননের মাটির অবৈধ বানিজ্য করতে গিয়ে এলাকার পরিবেশ ও রাস্তা নষ্ট করছে। অবৈধ মাটি বাণিজ্য বন্ধের জন্য গ্রামবাসি প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
জানা গেছে, বরেন্দ্র অঞ্চলে ভূ-উপরিভাগের পানির ব্যবহার বাড়াতে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ) এলাকার মজাপুকুর পুনঃখনন ও পুকুর পাড়ে বিভিন্ন প্রকারের গাছের চারা রোপণ কর্মসুচি গ্রহণ করেছেন। তানোরের বাধাইড় ইউনিয়নের (ইউপি) জুমারপাড়া গ্রামে একটি মজা পুকুর পুনঃখনন করা হচ্ছে। কিন্ত্ত ঠিকাদার নীতিমালা লঙ্ঘন করে পুকুরের মাটি বিক্রি করে হাজার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন।এসব মাটি পরিবহন করতে গিয়ে এলাকার পাকা-কাঁচা রাস্তা নষ্ট ও পরিবেশ দুষন করায় জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। অথচ নীতিমালায় বলা হয়েছে পুকুরের মাটি কোনো অবস্থাতেই বিক্রি করা যাবে না, মাটি পুকুর পাড়ে ফেলে সেখানে গাছের রোপণ করতে হবে। এদিকে গ্রামবাসি এসব রাস্তা রক্ষা ও পরিবেশ দুষণ বন্ধের জন্য বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেছেন। জুমারপাড়া গ্রামের সাদেকুল, রবিউল ইসলাম ও রামনাথ বলেন, তারা বাধা দিতে গেলে ঠিকাদার পরিচয় দিয়ে মুরাদ আলী দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তাদের প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে এতে তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন। এবিষয়ে তানোর বিএমডিএর সহকারী প্রকৌশলী মাহফুজুর রহমান বলেন, রাস্তা নষ্ট হলে আবার সরকার রাস্তা তৈরী করে দিবেন, এটা নিয়ে আপনাদের (সাংবাদিক) সমস্য কি। তিনি বলেন, পুকুর পাড়ে জায়গা নাই তাই মাটি বিক্রি করা হচ্ছে। এবিষয়ে এলজিইডি প্রকৌশলী সাইদুর রহমান জানান, এসব নিয়ে আমরা চরম বিব্রত অবস্থায় পড়েছি, নতুন নতুন রাস্তা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, কর্তৃপক্ষকে এসব রাস্তা দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করছেন।
আমরা নিরুপায়, উপজেলা প্রশাসনের নজরদারি একান্তভাবে কামনা করছি। এবিষয়ে ঠিকাদার মুরাদ আলী জানান, আমি কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়েই মাটি বিক্রি করছি। বিএমডিএর অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ( চলতি দায়িত্ব) ডঃ আবুল কাশেম বলেন, পুকুরের মাটি বিক্রির কোন সুযোগ নেই। এবিষয়ে বিএমডিএর পুকুর পুনঃ খনন প্রকল্প পরিচালক (তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী) শরিফুল ইসলাম জানান পুকুর পুনঃ খননের মাটি বিক্রি করা যাবে না, আমি বিষয়টি অতি গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখছি।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

বিএমডিএ’র অবৈধ মাটি বানিজ্য জনজীবন দুর্বীসহ

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:২৮:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ জুলাই ২০২২

আলিফ হোসেন, রাজশাহী -ঃ রাজশাহীর তানোরে গ্রামবাসির বাঁধা উপেক্ষা, পরিবেশ দুষণ ও রাস্তা নষ্ট করে বিএমডিএ’র অবৈধ মাটি বাণিজ্যে জনজীবন দুর্বীসহ হয়ে উঠেছে। স্থানীয়রা জানান, বিএমডিএর সহকারি প্রকৌশলী মাহাফুজুর রহমানের মদদে ঠিকাদার পুকুর খননের মাটির অবৈধ বানিজ্য করতে গিয়ে এলাকার পরিবেশ ও রাস্তা নষ্ট করছে। অবৈধ মাটি বাণিজ্য বন্ধের জন্য গ্রামবাসি প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
জানা গেছে, বরেন্দ্র অঞ্চলে ভূ-উপরিভাগের পানির ব্যবহার বাড়াতে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ) এলাকার মজাপুকুর পুনঃখনন ও পুকুর পাড়ে বিভিন্ন প্রকারের গাছের চারা রোপণ কর্মসুচি গ্রহণ করেছেন। তানোরের বাধাইড় ইউনিয়নের (ইউপি) জুমারপাড়া গ্রামে একটি মজা পুকুর পুনঃখনন করা হচ্ছে। কিন্ত্ত ঠিকাদার নীতিমালা লঙ্ঘন করে পুকুরের মাটি বিক্রি করে হাজার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন।এসব মাটি পরিবহন করতে গিয়ে এলাকার পাকা-কাঁচা রাস্তা নষ্ট ও পরিবেশ দুষন করায় জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। অথচ নীতিমালায় বলা হয়েছে পুকুরের মাটি কোনো অবস্থাতেই বিক্রি করা যাবে না, মাটি পুকুর পাড়ে ফেলে সেখানে গাছের রোপণ করতে হবে। এদিকে গ্রামবাসি এসব রাস্তা রক্ষা ও পরিবেশ দুষণ বন্ধের জন্য বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেছেন। জুমারপাড়া গ্রামের সাদেকুল, রবিউল ইসলাম ও রামনাথ বলেন, তারা বাধা দিতে গেলে ঠিকাদার পরিচয় দিয়ে মুরাদ আলী দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তাদের প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে এতে তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন। এবিষয়ে তানোর বিএমডিএর সহকারী প্রকৌশলী মাহফুজুর রহমান বলেন, রাস্তা নষ্ট হলে আবার সরকার রাস্তা তৈরী করে দিবেন, এটা নিয়ে আপনাদের (সাংবাদিক) সমস্য কি। তিনি বলেন, পুকুর পাড়ে জায়গা নাই তাই মাটি বিক্রি করা হচ্ছে। এবিষয়ে এলজিইডি প্রকৌশলী সাইদুর রহমান জানান, এসব নিয়ে আমরা চরম বিব্রত অবস্থায় পড়েছি, নতুন নতুন রাস্তা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, কর্তৃপক্ষকে এসব রাস্তা দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করছেন।
আমরা নিরুপায়, উপজেলা প্রশাসনের নজরদারি একান্তভাবে কামনা করছি। এবিষয়ে ঠিকাদার মুরাদ আলী জানান, আমি কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়েই মাটি বিক্রি করছি। বিএমডিএর অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ( চলতি দায়িত্ব) ডঃ আবুল কাশেম বলেন, পুকুরের মাটি বিক্রির কোন সুযোগ নেই। এবিষয়ে বিএমডিএর পুকুর পুনঃ খনন প্রকল্প পরিচালক (তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী) শরিফুল ইসলাম জানান পুকুর পুনঃ খননের মাটি বিক্রি করা যাবে না, আমি বিষয়টি অতি গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখছি।