লায়ন রাকেশ কুমার ঘোষ, স্টাফ রিপোর্টার -ঃ আখাউড়া (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) -ঃ মুজিববর্ষে বাংলাদেশের একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না’ এই মূলমন্ত্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে ২শতক জমিসহ পাকা ঘর নির্মাণ করে দিচ্ছে। এ কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও কণফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে সারা দেশে ২৬ হাজার ২২৯টি পরিবারকে জমিসহ গৃহ হস্তান্তর কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেন।
এর মধ্যে আখাউড়া উপজেলায় ৩৬টি ঘর রয়েছে। সকালে আখাউড়া উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে প্রজেক্টরের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধন অনুষ্ঠান সম্প্রচার করা হয়। পরে আখাউড়া উপজেলার তৃতীয় ধাপের ২য় পর্যায়ে ৩৬টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মাঝে জমির দলিল ও ঘরের চাবি হস্তান্তর করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার অংগ্যজাই মারমা। উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) প্রশান্ত কুমার চক্রবতীর্র সঞ্চালনায় এসময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মোহাম্মদ আলী চৌধুরী, দক্ষিণ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ জালাল হোসেন,প্রমুখ।
এসময় অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন আখাউড়া উত্তর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহজাহান, ধরখার ইউপি চেয়ারম্যান শাফিকুল ইসলাম, থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) সঞ্জয় কুমার সরকার, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা তাপস চক্রবর্তী প্রমুখ। উল্লেখ্য যে, আখাউড়া উপজেলায় মোট ৬৫৩টি গৃহহীন পরিবারকে ঘর দেওয়া হবে। ইতোমধ্যে প্রথম পর্যায়ে ৪৫ জন দ্বিতীয় পর্যায়ে ১৩৪ জন তৃতীয় পর্যায়ে প্রথম ধাপে ২ জনসহ সর্বমোট ১৮১ জন উপকারভোগীকে ২ শতক করে জমি ও সেমি পাকা ঘর প্রদান করা হয়েছে। বাকি কাজগুলো চলমান রয়েছে।
বক্তারা বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভূমিহীন ও গৃহহীন মানুষকে ঘর দিয়ে সুখে হাসি এবং শান্তিতে বসবাসের আশ্রয় করে দিয়েছে। সারাজীবনের জন্য নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছেন। সুন্দরভাবে বসবাস করে আপনার জীবনকে স্বাবলম্বী হিসেবে গড়ে তুলবেন। ঘরের যত্ন নেওয়ার আহবান জানানো হয়।
ঘর পেয়ে উপকারভোগীরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং কসবা আখাউড়ার সংসদ সদস্য ও আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
উপকারভোগী মনিয়ন্দ ইউনিয়নের ফতেহপুর গ্রামের মৃত দুলাল মিয়ার স্ত্রী জায়েদা খাতুন বলেন, পরের বাড়িতে অনেক কষ্ট করে দিনযাপন করেছি। এখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘর দিয়েছে। এজন্য আমি খুবই খুশি। দোয়া করি আল্লাহ তাঁকে হাজার বছর বাঁচিয়ে রাখুন।













