এখন ০৪:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডিবিসি নিউজের প্রযোজনা নির্বাহীর হত্যা না আত্মহত্যা? তার গ্রামের বাড়ি সিরাজগঞ্জে চলছে শোকের মাতম

বিশেষ সংবাদদাতা -ঃ ঢাকায় ডিবিসি নিউজের জৈষ্ঠ্য প্রযোজনা নির্বাহী আব্দুল বারি (২৮) খুনের ঘটনায় তার গ্রামের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। সে সিরাজগঞ্জ সদরের শিয়ালকোল ইউনিয়নের চন্ডিদাসগাতি গ্রামের আব্দুল্লাহ সেখের ছেলে। ৬ ভাই-বোনের মধ্যে আব্দুল বারি ছিলেন ৫ম। ঢাকায় একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা শেষে আব্দুল বারি প্রথমে যোগ দেন মোহনা টেলিভিশনে। এরপর গত বছরের ডিসেম্বরে জৈষ্ঠ্য প্রযোজনা নির্বাহী হিসেবে চাকুরী নেন ডিবিসি নিউজে।

থাকতেন ঢাকার একটি ব্যাচলর মেসে। হত্যাকান্ডের সংবাদ গ্রামের বাড়িতে পৌছার পর থেকে নিহতের বাবা আব্দুল্লাহ সেখ ও মা আলেয়া খাতুন শুধু চিৎকার করছেন। অন্য স্বজনদের কান্নাও থামছে না। পুরো এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। আশপাশের লোকজন ওই বাড়িতে ভিড় করে শোকাহতদের সান্তনা দেওয়া চেষ্টা করছেন। শান্ত প্রকৃতির এই যুবক কেন খুন হলেন এ প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে সবার মাঝে।

নিহতের বড় ভাই আব্দুল আলিম জানান, এলাকায় ছোট ভাই বারি’র কোন শক্র ছিল না। ঢাকায় কারও সাথে শক্রতা ছিল কিনা তা আমাদের জানা নেই। হত্যাকান্ডের প্রকৃত রহস্য উৎঘাটন করে দোষীদের শাস্তি দাবী করেন তিনি।

নিহতের মা আলেয়া খাতুন বলেন, ছেলের জন্য নতুন ঘর তুলেছি, ঈদের ছুটিতে বাড়ি এলে বিয়ে করাতে চেয়েছিলাম। কনেও পছন্দ করে রেখেছি। আমার সেই ছেলেকে কারা হত্যা করেছে। আমি প্রধানমন্ত্রীর কাছে ছেলে হত্যার বিচার চাই।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

ডিবিসি নিউজের প্রযোজনা নির্বাহীর হত্যা না আত্মহত্যা? তার গ্রামের বাড়ি সিরাজগঞ্জে চলছে শোকের মাতম

প্রকাশিত হয়েছে: ০৪:৫১:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ জুলাই ২০২২

বিশেষ সংবাদদাতা -ঃ ঢাকায় ডিবিসি নিউজের জৈষ্ঠ্য প্রযোজনা নির্বাহী আব্দুল বারি (২৮) খুনের ঘটনায় তার গ্রামের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। সে সিরাজগঞ্জ সদরের শিয়ালকোল ইউনিয়নের চন্ডিদাসগাতি গ্রামের আব্দুল্লাহ সেখের ছেলে। ৬ ভাই-বোনের মধ্যে আব্দুল বারি ছিলেন ৫ম। ঢাকায় একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা শেষে আব্দুল বারি প্রথমে যোগ দেন মোহনা টেলিভিশনে। এরপর গত বছরের ডিসেম্বরে জৈষ্ঠ্য প্রযোজনা নির্বাহী হিসেবে চাকুরী নেন ডিবিসি নিউজে।

থাকতেন ঢাকার একটি ব্যাচলর মেসে। হত্যাকান্ডের সংবাদ গ্রামের বাড়িতে পৌছার পর থেকে নিহতের বাবা আব্দুল্লাহ সেখ ও মা আলেয়া খাতুন শুধু চিৎকার করছেন। অন্য স্বজনদের কান্নাও থামছে না। পুরো এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। আশপাশের লোকজন ওই বাড়িতে ভিড় করে শোকাহতদের সান্তনা দেওয়া চেষ্টা করছেন। শান্ত প্রকৃতির এই যুবক কেন খুন হলেন এ প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে সবার মাঝে।

নিহতের বড় ভাই আব্দুল আলিম জানান, এলাকায় ছোট ভাই বারি’র কোন শক্র ছিল না। ঢাকায় কারও সাথে শক্রতা ছিল কিনা তা আমাদের জানা নেই। হত্যাকান্ডের প্রকৃত রহস্য উৎঘাটন করে দোষীদের শাস্তি দাবী করেন তিনি।

নিহতের মা আলেয়া খাতুন বলেন, ছেলের জন্য নতুন ঘর তুলেছি, ঈদের ছুটিতে বাড়ি এলে বিয়ে করাতে চেয়েছিলাম। কনেও পছন্দ করে রেখেছি। আমার সেই ছেলেকে কারা হত্যা করেছে। আমি প্রধানমন্ত্রীর কাছে ছেলে হত্যার বিচার চাই।