এখন ০৫:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এমপি ফারুক চৌধুরীর ঈদের শুভেচ্ছা

আলিফ হোসেন,তানোর-ঃ রাজশাহী-১ আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সাংসদ ও শহীদ পরিবারের সন্তান আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী নির্বাচনী এলাকার দলমত নির্বিশেষে সকল শ্রেণী-পেশার মানুষসহ দেশবাসীকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, মুসলিম উম্মাহর সবচেয়ে বড় দুটি ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা।ঈদুল ফিতর এক মাস সিয়াম সাধনার পর এবং ঈদুল আযহায় পশু কোরবানির মাধ্যমে মানুষের মনের পশুত্বকে কোরবানি করা হয়, ঈদুল আযহার তাৎপর্য অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, আমরা পশু কোরবানি দিতে পারলেই মনে করি ঈদুল আয়হা উদযাপন হয়ে গেল। আসলে তা নয় কোরবানির প্রকৃত ইতিহাস জানতে হবে। কোরবানির রেওয়াজ কি ভাবে আসল কোথা থেকে শুরু হল। তিনি বলেন, মহান আল্লাহ তায়ালার নির্দেশে ইব্রাহীম (আঃ) তার কলিজার টুকরা সন্তান ইসমাইলকে ( আঃ) কোরবানি করতে দিতে চাই। সৃষ্টি কর্তার নির্দেশে ইসমাইলকে (আঃ) কোরবানি করবেন এমন সময় মহান আল্লাহ তায়ালার কুদরতে ছেলের পরিবর্তে পশু কোরবানি হয়। এখানে মুসলিম জাতির জন্য অনেক শিক্ষা রয়েছে। কারন মহান আল্লাহর কাছে পরীক্ষায় তারা পিতা-পুত্র উত্তীর্ণ হয়েছেন। মহান আল্লাহর নির্দেশ পালনে পুত্রকে কোরবানি দিতে তার কোন কষ্ট হয়েছিল না। কারন একটাই মহান আল্লাহর সন্তষ্টি অর্জন করা। তিনি বলেন, আমাদেরকেও লোক দেখানো কিংবা

শোসত খাওয়ার উদ্দেশ্যে কোরবানি দিলে হবে না। আমাদের কষ্টার্জিত হালাল টাকায় মহান আল্লাহর সন্তোষ্টি অর্জনের জন্য দিতে হবে কোরবানি। তিনি বলেন, কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে দেখানোর জন্য কোরবানি দিলে শুধু দেওয়া ও গোসত খাওয়ায় হবে। আগামী ১০ জুলাই রোববার ত্যাগের মহিমায় পবিত্র ইদুল আযহা উদযাপন হোক। তিনি বলেন,আমার নির্বাচনী এলাকার আপামর জনসাধারণের ঘরেঘরে বয়ে যাক ঈদ আনন্দ। যারা কোরবানি দিচ্ছেন তাদেরকে যারা কোরবানি দিতে পারছে না তাদের পাশে দাঁড়ানোর আহবান জানান এমপি ফারুক চৌধুরী। তিনি বলেন, ঈদুল আযহার প্রকৃত শিক্ষা গ্রহণ করে আগামীতে সুন্দর সমাজ প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে হবে। তিনি বলেন,যারা কোরবানি দিচ্ছেন তাদের গোশত বিতরনের আগে লক্ষ করতে হবে তার পাশের কোন প্রতিবেশী বা আত্মীয়-স্বজন কোরবানি দিতে পারে নাই তাদের আগে দিতে হবে এবং তারই হক বেশি এটা আমাদের নবী করিম (সাঃ) নির্দেশনা। তিনি বলেন,ঈদুল আযহার শিক্ষা নিয়ে বাকি জীবন পরিচালনাসহ দেশ গঠনে কাজ করি এবং সকল ভেদাভেদ ভুলে আমরা মুসলমান আমরা যেনো একে অপরের কল্যানে কাজ করতে পারি এজন্য মহান আল্লাহ আমাদের কোরবানি, নামাজ রোজা হজ্জ যাকাতসহ সকল নেক আমল যেনো কবুল করেন। তিনি বলেন, আপনারা আমার মা-বাবার জন্য দোয়া করবেন, মহান আল্লাহ যেনো তাদের কবর জান্নাতের বাগান বানিয়ে দেন। তিনি সকলকে করোনা প্রতিরোধে সরকারি বিধিনিষেধ মেনে চলার আহবান জানিয়ে সকলকে ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানান।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

এমপি ফারুক চৌধুরীর ঈদের শুভেচ্ছা

প্রকাশিত হয়েছে: ০৭:৩৫:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ জুলাই ২০২২

আলিফ হোসেন,তানোর-ঃ রাজশাহী-১ আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সাংসদ ও শহীদ পরিবারের সন্তান আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী নির্বাচনী এলাকার দলমত নির্বিশেষে সকল শ্রেণী-পেশার মানুষসহ দেশবাসীকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, মুসলিম উম্মাহর সবচেয়ে বড় দুটি ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা।ঈদুল ফিতর এক মাস সিয়াম সাধনার পর এবং ঈদুল আযহায় পশু কোরবানির মাধ্যমে মানুষের মনের পশুত্বকে কোরবানি করা হয়, ঈদুল আযহার তাৎপর্য অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, আমরা পশু কোরবানি দিতে পারলেই মনে করি ঈদুল আয়হা উদযাপন হয়ে গেল। আসলে তা নয় কোরবানির প্রকৃত ইতিহাস জানতে হবে। কোরবানির রেওয়াজ কি ভাবে আসল কোথা থেকে শুরু হল। তিনি বলেন, মহান আল্লাহ তায়ালার নির্দেশে ইব্রাহীম (আঃ) তার কলিজার টুকরা সন্তান ইসমাইলকে ( আঃ) কোরবানি করতে দিতে চাই। সৃষ্টি কর্তার নির্দেশে ইসমাইলকে (আঃ) কোরবানি করবেন এমন সময় মহান আল্লাহ তায়ালার কুদরতে ছেলের পরিবর্তে পশু কোরবানি হয়। এখানে মুসলিম জাতির জন্য অনেক শিক্ষা রয়েছে। কারন মহান আল্লাহর কাছে পরীক্ষায় তারা পিতা-পুত্র উত্তীর্ণ হয়েছেন। মহান আল্লাহর নির্দেশ পালনে পুত্রকে কোরবানি দিতে তার কোন কষ্ট হয়েছিল না। কারন একটাই মহান আল্লাহর সন্তষ্টি অর্জন করা। তিনি বলেন, আমাদেরকেও লোক দেখানো কিংবা

শোসত খাওয়ার উদ্দেশ্যে কোরবানি দিলে হবে না। আমাদের কষ্টার্জিত হালাল টাকায় মহান আল্লাহর সন্তোষ্টি অর্জনের জন্য দিতে হবে কোরবানি। তিনি বলেন, কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে দেখানোর জন্য কোরবানি দিলে শুধু দেওয়া ও গোসত খাওয়ায় হবে। আগামী ১০ জুলাই রোববার ত্যাগের মহিমায় পবিত্র ইদুল আযহা উদযাপন হোক। তিনি বলেন,আমার নির্বাচনী এলাকার আপামর জনসাধারণের ঘরেঘরে বয়ে যাক ঈদ আনন্দ। যারা কোরবানি দিচ্ছেন তাদেরকে যারা কোরবানি দিতে পারছে না তাদের পাশে দাঁড়ানোর আহবান জানান এমপি ফারুক চৌধুরী। তিনি বলেন, ঈদুল আযহার প্রকৃত শিক্ষা গ্রহণ করে আগামীতে সুন্দর সমাজ প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে হবে। তিনি বলেন,যারা কোরবানি দিচ্ছেন তাদের গোশত বিতরনের আগে লক্ষ করতে হবে তার পাশের কোন প্রতিবেশী বা আত্মীয়-স্বজন কোরবানি দিতে পারে নাই তাদের আগে দিতে হবে এবং তারই হক বেশি এটা আমাদের নবী করিম (সাঃ) নির্দেশনা। তিনি বলেন,ঈদুল আযহার শিক্ষা নিয়ে বাকি জীবন পরিচালনাসহ দেশ গঠনে কাজ করি এবং সকল ভেদাভেদ ভুলে আমরা মুসলমান আমরা যেনো একে অপরের কল্যানে কাজ করতে পারি এজন্য মহান আল্লাহ আমাদের কোরবানি, নামাজ রোজা হজ্জ যাকাতসহ সকল নেক আমল যেনো কবুল করেন। তিনি বলেন, আপনারা আমার মা-বাবার জন্য দোয়া করবেন, মহান আল্লাহ যেনো তাদের কবর জান্নাতের বাগান বানিয়ে দেন। তিনি সকলকে করোনা প্রতিরোধে সরকারি বিধিনিষেধ মেনে চলার আহবান জানিয়ে সকলকে ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানান।