এখন ০৪:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জালিয়াতি বিসিক উপব্যবস্থাপকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়নি কর্তৃপক্ষ

মনজু হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার -ঃ ঋন জালিয়াতি করে লাখ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গত ১৬ মে দৈনিক ইনকিলাবে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প (বিসিক)পঞ্চগড় উপ-ব্যবস্থাপক শাহ্ মোহাম্মদ জোনায়েদ বিরুদ্ধে। সংবাদ প্রকাশের কয়েকদিনের মধ্যে সুকৌশলে উপব্যবস্থাপক তার পূর্বপরিচিত আব্দুল মালেকের সহযোগিতায় ভুক্তভোগী মিজানুর রহমান, নুরমা বেগম ও বাহারাম আলীর সাথে আপোষ করেছেন। তবে অনিয়ম, ঋন জালিয়াতি হলেও কোন ব্যবস্থা নেয়নি বিসিকের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ। তারা বলছে লিখিত অভিযোগ ছাড়া আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবেনা।
জানা যায়, বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প (বিসিক) পঞ্চগড় উপ ব্যবস্থাপক শাহ মোহাম্মদ জোনায়েদ নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে তার পূর্ব পরিচিত ও দূরসম্পর্কের আত্বীয় দেবীগঞ্জ উপজেলার সাবেক ছিটমহলের খারিজা ভাজনি ভাওলাপাড়া এলাকার আব্দুল মালেকের নামে ৫ লাখ, তার স্ত্রী শিউলী ৫ লাখ, ভাই আহিনুর ৫ লাখ, তার স্ত্রী রানু আক্তার ৫ লাখ, আশিকুর রহমান ৪ লাখ,ভাইয়ের বউ আফরিন নাহার আরিফা ৫ লাখ, শ‌্যালক সাজ্জাত হোসেন ৫ লাখ, রশিদুল চাচাত ভাই ৩ লাখ, রেজাউল মামাত ভাই ৫ লাখ, আব্দুর রাজ্জাক ২ লাখ, তার স্ত্রী ফরিদা বেগম ৫ লাখ, গোলাম রব্বানী ৫ লাখ, তার স্ত্রী আছিয়া খাতুন ৫ লাখ এভাবেই মালেকের ২০ জনেরও অধিক আত্মীয় স্বজনের নামে ঋন দিয়েছেন। ঋন অনুমোদনের নামে অর্থ আদায়, এমনকি উপব্যবস্থাপক কয়েকটি ঋনের জন্য নিজেই জিম্মাদার হয়েছেন।না জানিয়ে কয়েকজনের নামে ঋনও উত্তোলন করেছেন তিনি।এবিষয়ে উপব্যবস্থাপকের বিরুদ্ধে তিনজন লিখিত অভিযোগও করেছিলেন পুলিশ সুপার বরাবরে।পরে তাদের টাকা পরিশোধ করলে আপোষ করেন তারা।
অফিস সূত্রে জানা যায়,করোনাকালীন সময়ের পর সংকট কেটে উঠতে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প ব্যবসায়ীদের জন্য বিসিকের নিজস্ব তহবিল থেকে এক কোটি ২১ লক্ষ ও প্রণোদনা ঋনের আওতায় এক কোটি ৭৫ লক্ষ টাকা ঋন বিতরণ করা হয়েছে।
এবিষয়ে জানতে চাইলে পাবলিক প্রসিকিউটরের (পিপি) মো.আমিনুর ইসলাম জানান, শুধু মোখিক বক্তব্য চাইলেই তাঁরা বারবার একই অপরাধ করতে পারবেন।তবে জালিয়াতি বিষয়ে প্রমাণিত হলে অবশ্যই আইনগত প্রত্যেকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
বিসিকের আঞ্চলিক পরিচালক (উপসচিব) রাজশাহী, রেজাউল আলম সরকার জানান, সংবাদের আলোকে উপব্যবস্থাপকের কাছে বক্তব্য চাওয়া হয়েছে।তবে কেউ লিখিত অভিযোগ করলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

জালিয়াতি বিসিক উপব্যবস্থাপকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়নি কর্তৃপক্ষ

প্রকাশিত হয়েছে: ১০:০৪:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৬ জুলাই ২০২২

মনজু হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার -ঃ ঋন জালিয়াতি করে লাখ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গত ১৬ মে দৈনিক ইনকিলাবে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প (বিসিক)পঞ্চগড় উপ-ব্যবস্থাপক শাহ্ মোহাম্মদ জোনায়েদ বিরুদ্ধে। সংবাদ প্রকাশের কয়েকদিনের মধ্যে সুকৌশলে উপব্যবস্থাপক তার পূর্বপরিচিত আব্দুল মালেকের সহযোগিতায় ভুক্তভোগী মিজানুর রহমান, নুরমা বেগম ও বাহারাম আলীর সাথে আপোষ করেছেন। তবে অনিয়ম, ঋন জালিয়াতি হলেও কোন ব্যবস্থা নেয়নি বিসিকের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ। তারা বলছে লিখিত অভিযোগ ছাড়া আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবেনা।
জানা যায়, বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প (বিসিক) পঞ্চগড় উপ ব্যবস্থাপক শাহ মোহাম্মদ জোনায়েদ নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে তার পূর্ব পরিচিত ও দূরসম্পর্কের আত্বীয় দেবীগঞ্জ উপজেলার সাবেক ছিটমহলের খারিজা ভাজনি ভাওলাপাড়া এলাকার আব্দুল মালেকের নামে ৫ লাখ, তার স্ত্রী শিউলী ৫ লাখ, ভাই আহিনুর ৫ লাখ, তার স্ত্রী রানু আক্তার ৫ লাখ, আশিকুর রহমান ৪ লাখ,ভাইয়ের বউ আফরিন নাহার আরিফা ৫ লাখ, শ‌্যালক সাজ্জাত হোসেন ৫ লাখ, রশিদুল চাচাত ভাই ৩ লাখ, রেজাউল মামাত ভাই ৫ লাখ, আব্দুর রাজ্জাক ২ লাখ, তার স্ত্রী ফরিদা বেগম ৫ লাখ, গোলাম রব্বানী ৫ লাখ, তার স্ত্রী আছিয়া খাতুন ৫ লাখ এভাবেই মালেকের ২০ জনেরও অধিক আত্মীয় স্বজনের নামে ঋন দিয়েছেন। ঋন অনুমোদনের নামে অর্থ আদায়, এমনকি উপব্যবস্থাপক কয়েকটি ঋনের জন্য নিজেই জিম্মাদার হয়েছেন।না জানিয়ে কয়েকজনের নামে ঋনও উত্তোলন করেছেন তিনি।এবিষয়ে উপব্যবস্থাপকের বিরুদ্ধে তিনজন লিখিত অভিযোগও করেছিলেন পুলিশ সুপার বরাবরে।পরে তাদের টাকা পরিশোধ করলে আপোষ করেন তারা।
অফিস সূত্রে জানা যায়,করোনাকালীন সময়ের পর সংকট কেটে উঠতে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প ব্যবসায়ীদের জন্য বিসিকের নিজস্ব তহবিল থেকে এক কোটি ২১ লক্ষ ও প্রণোদনা ঋনের আওতায় এক কোটি ৭৫ লক্ষ টাকা ঋন বিতরণ করা হয়েছে।
এবিষয়ে জানতে চাইলে পাবলিক প্রসিকিউটরের (পিপি) মো.আমিনুর ইসলাম জানান, শুধু মোখিক বক্তব্য চাইলেই তাঁরা বারবার একই অপরাধ করতে পারবেন।তবে জালিয়াতি বিষয়ে প্রমাণিত হলে অবশ্যই আইনগত প্রত্যেকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
বিসিকের আঞ্চলিক পরিচালক (উপসচিব) রাজশাহী, রেজাউল আলম সরকার জানান, সংবাদের আলোকে উপব্যবস্থাপকের কাছে বক্তব্য চাওয়া হয়েছে।তবে কেউ লিখিত অভিযোগ করলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।