এখন ০৩:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নরসিংদীর পলাশে যুবকের দুই হাতের কব্জি কাটার ঘটনায় দুইজন গ্রেপ্তার

এস আলম, নরসিংদী প্রতিনিধি -ঃ নরসিংদীর পলাশে যুবকের দুই হাতের কব্জি কাটার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। মঙ্গলবার ভোরে নারায়ণগঞ্জ জেলার রুপগঞ্জ এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল বাসার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলো পলাশ উপজেলার নোয়াকান্দা গ্রামের মৃত আক্কাস আলীর ছেলে জালাল ওরফে শাহজালাল মিয়া (৫৫) ও শিবপুর উপজেলার মিয়ারগাঁও এলাকার আলফাজ উদ্দিনের ছেলে ফারুক মিয়া (৩৫)।
গোয়েন্দা শাখা থেকে জানানো হয়, গ্রেপ্তারকৃত দুইজনসহ অন্যান্য আসামীরা চাকরি দেওয়ার কথা বলে গত ২৮ জুলাই শিবপুর উপজেলার বাড়ৈগাঁও দক্ষিনপাড়ার মোর্শেদ মিয়ার ছেলে হাদিউল ইসলাম (১৯) কে পলাশ উপজেলার নোয়াকান্দা এলাকায় নিয়ে যায়। পরে কালুর বাড়ি সংলগ্ন শহিদুল এর কলাবাগানে নিয়ে হাত পা ও চোখ বেধে ফেলে মারপিট করে। এসময় চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে হাদিউলের দুই হাত কব্জি থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলা হয়। পরে অভিযুক্তরা হাত এবং মুখের বাধন খুলে চলে গেলে ডাক চিৎকার করে হাদিউল।
খবর পেয়ে থানা পুলিশ তাকে উদ্ধার করে ১০০ শয্যা বিশিষ্ট নরসিংদী জেলা হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে রেফার্ড করেন। এ ঘটনায় আহত হাদিউলের পিতা মোর্শেদ মিয়া বাদী হয়ে গত ২ জুলাই ৪ জনকে আসামী করে পলাশ থানায় মামলা করেন। পরে আসামীদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃত জালালের বিরুদ্ধে ডাকাতি ও খুনসহ ১২টি মামলা বিচারাধীন আছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
কব্জি কাটার ঘটনার পর নেপথ্যে পরকীয়ার জেরের কথা প্রকাশ করা হয়ছিল বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

নরসিংদীর পলাশে যুবকের দুই হাতের কব্জি কাটার ঘটনায় দুইজন গ্রেপ্তার

প্রকাশিত হয়েছে: ১১:৫০:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ জুলাই ২০২২

এস আলম, নরসিংদী প্রতিনিধি -ঃ নরসিংদীর পলাশে যুবকের দুই হাতের কব্জি কাটার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। মঙ্গলবার ভোরে নারায়ণগঞ্জ জেলার রুপগঞ্জ এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল বাসার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলো পলাশ উপজেলার নোয়াকান্দা গ্রামের মৃত আক্কাস আলীর ছেলে জালাল ওরফে শাহজালাল মিয়া (৫৫) ও শিবপুর উপজেলার মিয়ারগাঁও এলাকার আলফাজ উদ্দিনের ছেলে ফারুক মিয়া (৩৫)।
গোয়েন্দা শাখা থেকে জানানো হয়, গ্রেপ্তারকৃত দুইজনসহ অন্যান্য আসামীরা চাকরি দেওয়ার কথা বলে গত ২৮ জুলাই শিবপুর উপজেলার বাড়ৈগাঁও দক্ষিনপাড়ার মোর্শেদ মিয়ার ছেলে হাদিউল ইসলাম (১৯) কে পলাশ উপজেলার নোয়াকান্দা এলাকায় নিয়ে যায়। পরে কালুর বাড়ি সংলগ্ন শহিদুল এর কলাবাগানে নিয়ে হাত পা ও চোখ বেধে ফেলে মারপিট করে। এসময় চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে হাদিউলের দুই হাত কব্জি থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলা হয়। পরে অভিযুক্তরা হাত এবং মুখের বাধন খুলে চলে গেলে ডাক চিৎকার করে হাদিউল।
খবর পেয়ে থানা পুলিশ তাকে উদ্ধার করে ১০০ শয্যা বিশিষ্ট নরসিংদী জেলা হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে রেফার্ড করেন। এ ঘটনায় আহত হাদিউলের পিতা মোর্শেদ মিয়া বাদী হয়ে গত ২ জুলাই ৪ জনকে আসামী করে পলাশ থানায় মামলা করেন। পরে আসামীদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃত জালালের বিরুদ্ধে ডাকাতি ও খুনসহ ১২টি মামলা বিচারাধীন আছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
কব্জি কাটার ঘটনার পর নেপথ্যে পরকীয়ার জেরের কথা প্রকাশ করা হয়ছিল বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে।