এখন ০৩:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তানোর পৌরসভায় কোটেশন নিয়ে ধুম্রজাল

তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধি -ঃ রাজশাহীর তানোর পৌরসভা থেকে গোপণে কথিত কোটেশনের মাধ্যমে কালিগঞ্জহাটে প্রায় সাড়ে ৫ লাখ টাকা ব্যায়ে দু’হাজার ৫০০ মিটার হাট সেট নির্মা করা হয়েছে। তবে কাগজ-কলমের সঙ্গে বাস্তবের কোনো মিল নাই। সম্প্রতি পৌর মেয়র ইমরুল হক এই কাজের উদ্বোধন করেছেন। প্রত্যক্ষদর্শী সুত্র জানায়,কালিগঞ্জহাটে হাট ইজাদার মালিক রনির তত্ববধায়েন এ সময় উপস্থিত ছিলেন তানোর পৌরসভার কার্য সহকারী মাহাবুর রহমান ,হাট ইজাদার উত্তম নন্দী, কাউন্সিলর মোস্তাফিজুর রহমান বাবু ও আব্দুর রাজ্জাকপ্রমুখ।এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কাউন্সিলর বলেন, কোটেশানের নামে নামমাত্র কাজ করে পুরো টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে,তিনি বলেন তদন্ত করলেই অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যাবে। তিনি আরো বলেন, মেয়র তার ঘনিষ্ঠ মাহাবুরকে দিয়ে এই কাজ করিয়েছে। হাটের ব্যবসায়ী জনৈক ভবেশ, অসিম ও সাহিন বলেন, এটা ঈদ সেলামির উন্নয়ন বা উন্নয়নের নামে অর্থ আত্মসাৎ। তারা এই কাজের তদন্ত দাবি করে স্থানীয় সাংসদ ও ডিডিএলজি’র দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। এবিষয়ে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও মেয়র ইমরুল হকের কোনো বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। এবিষয়ে জানতে চাইলে পৌর প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) জাহাঙ্গীর আলম সরদার বলেন, এমন কোটেশনের কথা তার জানা নাই।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

তানোর পৌরসভায় কোটেশন নিয়ে ধুম্রজাল

প্রকাশিত হয়েছে: ০৪:২৪:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ জুলাই ২০২২

তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধি -ঃ রাজশাহীর তানোর পৌরসভা থেকে গোপণে কথিত কোটেশনের মাধ্যমে কালিগঞ্জহাটে প্রায় সাড়ে ৫ লাখ টাকা ব্যায়ে দু’হাজার ৫০০ মিটার হাট সেট নির্মা করা হয়েছে। তবে কাগজ-কলমের সঙ্গে বাস্তবের কোনো মিল নাই। সম্প্রতি পৌর মেয়র ইমরুল হক এই কাজের উদ্বোধন করেছেন। প্রত্যক্ষদর্শী সুত্র জানায়,কালিগঞ্জহাটে হাট ইজাদার মালিক রনির তত্ববধায়েন এ সময় উপস্থিত ছিলেন তানোর পৌরসভার কার্য সহকারী মাহাবুর রহমান ,হাট ইজাদার উত্তম নন্দী, কাউন্সিলর মোস্তাফিজুর রহমান বাবু ও আব্দুর রাজ্জাকপ্রমুখ।এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কাউন্সিলর বলেন, কোটেশানের নামে নামমাত্র কাজ করে পুরো টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে,তিনি বলেন তদন্ত করলেই অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যাবে। তিনি আরো বলেন, মেয়র তার ঘনিষ্ঠ মাহাবুরকে দিয়ে এই কাজ করিয়েছে। হাটের ব্যবসায়ী জনৈক ভবেশ, অসিম ও সাহিন বলেন, এটা ঈদ সেলামির উন্নয়ন বা উন্নয়নের নামে অর্থ আত্মসাৎ। তারা এই কাজের তদন্ত দাবি করে স্থানীয় সাংসদ ও ডিডিএলজি’র দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। এবিষয়ে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও মেয়র ইমরুল হকের কোনো বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। এবিষয়ে জানতে চাইলে পৌর প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) জাহাঙ্গীর আলম সরদার বলেন, এমন কোটেশনের কথা তার জানা নাই।