এখন ০৫:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মহানবী (সা.) এর অবমাননার প্রতিবাদে সুন্দরগঞ্জে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

মোঃ আসাদুল ইসলাম, গাইবান্ধা প্রতিনিধি -ঃ ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির মুখপাত্র নুপুর শর্মা ও দিল্লি শাখার গণমাধ্যম প্রধান নবীন কুমার জিন্দাল কর্তৃক মহানবী (সা.) এর অবমাননাকর মন্তব্যের প্রতিবাদে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বাদ জুম্মা উপজেলা ইমাম ওলামা পরিষদ ও সর্বস্তরের মুসলিমবৃন্দের আয়োজনে বিক্ষোভ মিছিলটি বাহিরগোলা জামে মসজিদ মোড় হতে শুরু হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। মিছিলে সাধারণ মুসল্লিরাও অংশ নিয়ে প্রতিবাদ বিক্ষোভ করেন। এরপর বাহিরগোলা গোল চত্বরে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন উপজেলা ইমাম উলামা পরিষদের সভাপতি ও বাহিররগোলা জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা রুহুল আমীন, উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান গোলাম আহসান হাবিব মাসুদ, ইমাম ওলামা পরিষদের সহ-সভাপতি হাফেজ মাওলানা জাবের আল মামুন, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মুহিবুল্লাহ, দপ্তর সম্পাদক হাফেজ মাওলানা মুফতি ওমর ফারুক, প্রচার সম্পাদক হাফেজ মাওলানা হারুন-উর-রশিদ সিদ্দিকী প্রমূখ।
প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা বলেন, কোন মুসলমান রাসূল (সা.) এর অপমান সহ্য করতে পারেনা। সংখ্যা গরিষ্ঠ মুসলমানের দেশে রাষ্ট্রিয়ভাবে প্রতিবাদ হওয়া প্রয়োজন। মহানবী (সা.) কে অতীতে যারা অপমান করেছেন তারা ধ্বংস হয়েছেন। নুপুর শর্মা ও নবীন কুমার জিন্দালের পরিণতিও হবে ভয়াবহ। তাদের বিচারের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি দেওয়ার দাবি জানানো হয় সমাবেশে। বক্তাগণ রাষ্ট্রীয়ভাবে ভারতের এমন ন্যাক্কারজনক আচরণের প্রতিবাদ জানানোর দাবি জানান। ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির দুথজন নেতা নুপুর শর্মা ও নবীন কুমার জিন্দাল কর্তৃক ইসলামের শেষ নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এবং উম্মাহাতুল মুমিন হযরত আয়েশা (রা.) কে অবমাননাকর মন্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান তারা। বক্তারা বলেন, স্বাধীন মতপ্রকাশ একটি সার্বজনীন মানবাধিকার। কিন্তু নিজের এই স্বাধীনতার অপব্যবহার করে অন্যের ধর্মীয় বিশ্বাস ও অনুভূতিতে আঘাত করার কাজে নিজের মত ব্যবহার করলে সেটা মারাত্মক অপরাধ হয়। নুপুর শর্মা এবং নবীন কুমার জিন্দাল যেটা করেছেন সেটা শুধু চরম অসভ্যতাই নয়, বরং এতে কোটি কোটি মুসলমানের হৃদয়ে মারাত্মক আঘাত করা হয়েছে। এতে করে তারা ভারতীয় উপমহাদেশসহ বিশ্বব্যাপী সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও জাতিগত সংঘাত ছড়িয়ে দেওয়ার মত গুরুতর অপরাধ করেছে। শুধু মুসলমানরাই নন, বরং শান্তিকামী কোন বিবেকবান মানুষ এই অপকর্মকে সমর্থন করে না।

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

মহানবী (সা.) এর অবমাননার প্রতিবাদে সুন্দরগঞ্জে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

প্রকাশিত হয়েছে: ১২:৫৯:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুন ২০২২

মোঃ আসাদুল ইসলাম, গাইবান্ধা প্রতিনিধি -ঃ ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির মুখপাত্র নুপুর শর্মা ও দিল্লি শাখার গণমাধ্যম প্রধান নবীন কুমার জিন্দাল কর্তৃক মহানবী (সা.) এর অবমাননাকর মন্তব্যের প্রতিবাদে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বাদ জুম্মা উপজেলা ইমাম ওলামা পরিষদ ও সর্বস্তরের মুসলিমবৃন্দের আয়োজনে বিক্ষোভ মিছিলটি বাহিরগোলা জামে মসজিদ মোড় হতে শুরু হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। মিছিলে সাধারণ মুসল্লিরাও অংশ নিয়ে প্রতিবাদ বিক্ষোভ করেন। এরপর বাহিরগোলা গোল চত্বরে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন উপজেলা ইমাম উলামা পরিষদের সভাপতি ও বাহিররগোলা জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা রুহুল আমীন, উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান গোলাম আহসান হাবিব মাসুদ, ইমাম ওলামা পরিষদের সহ-সভাপতি হাফেজ মাওলানা জাবের আল মামুন, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মুহিবুল্লাহ, দপ্তর সম্পাদক হাফেজ মাওলানা মুফতি ওমর ফারুক, প্রচার সম্পাদক হাফেজ মাওলানা হারুন-উর-রশিদ সিদ্দিকী প্রমূখ।
প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা বলেন, কোন মুসলমান রাসূল (সা.) এর অপমান সহ্য করতে পারেনা। সংখ্যা গরিষ্ঠ মুসলমানের দেশে রাষ্ট্রিয়ভাবে প্রতিবাদ হওয়া প্রয়োজন। মহানবী (সা.) কে অতীতে যারা অপমান করেছেন তারা ধ্বংস হয়েছেন। নুপুর শর্মা ও নবীন কুমার জিন্দালের পরিণতিও হবে ভয়াবহ। তাদের বিচারের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি দেওয়ার দাবি জানানো হয় সমাবেশে। বক্তাগণ রাষ্ট্রীয়ভাবে ভারতের এমন ন্যাক্কারজনক আচরণের প্রতিবাদ জানানোর দাবি জানান। ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির দুথজন নেতা নুপুর শর্মা ও নবীন কুমার জিন্দাল কর্তৃক ইসলামের শেষ নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এবং উম্মাহাতুল মুমিন হযরত আয়েশা (রা.) কে অবমাননাকর মন্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান তারা। বক্তারা বলেন, স্বাধীন মতপ্রকাশ একটি সার্বজনীন মানবাধিকার। কিন্তু নিজের এই স্বাধীনতার অপব্যবহার করে অন্যের ধর্মীয় বিশ্বাস ও অনুভূতিতে আঘাত করার কাজে নিজের মত ব্যবহার করলে সেটা মারাত্মক অপরাধ হয়। নুপুর শর্মা এবং নবীন কুমার জিন্দাল যেটা করেছেন সেটা শুধু চরম অসভ্যতাই নয়, বরং এতে কোটি কোটি মুসলমানের হৃদয়ে মারাত্মক আঘাত করা হয়েছে। এতে করে তারা ভারতীয় উপমহাদেশসহ বিশ্বব্যাপী সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও জাতিগত সংঘাত ছড়িয়ে দেওয়ার মত গুরুতর অপরাধ করেছে। শুধু মুসলমানরাই নন, বরং শান্তিকামী কোন বিবেকবান মানুষ এই অপকর্মকে সমর্থন করে না।