এখন ০৫:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রংপুরে গেম খেলতে নিষেধ করায় স্কুল ছাত্রের আত্মহত্যা

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর জেলা প্রতিনিধি -ঃ রংপুরের মিঠাপুকুরে মোবাইল ফোনে গেম নিষেধ করায় ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেছে শ্রী নিরব (১২) নামে এক স্কুল ছাত্র। মঙ্গলবার (০৭ জুন) রাতে আত্মহত্যা করে সে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। বুধবার (০৮ জুন) তার লাশ দাহ করা হয়। নিরব উপজেলার বড়বালা ইউনিয়নের নীশি চন্দ্র শীলের একমাত্র ছেলে এবং ছড়ান উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র।
পুলিশ ও এলাকাবাসি সূত্রে জানা গেছে, নিরবের বাবা নীশি চন্দ্র স্থানীয় ছড়ান বন্দরে সেলুনে কাজ করেন। গত মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে নীশি চন্দ্র বাড়ি গিয়ে দেখেন, নিরব ঘরে বসে মোবাইলে গেম খেলছিল। এসময় গেম খেলতে নিষেধ করেন এবং মোবাইল ফোনটি কেড়ে নেন। এতে ক্ষুদ্ধ হয়ে ছেলেটি শোবার ঘরে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দেয়। অনেকক্ষণ পরও ঘর থেকে বের না হওয়ায় দরজায় কড়া নেড়ে তাকে ডাকাডাকি করেন বাড়ির লোকজন। কিন্তু সাড়াশব্দ না পেয়ে দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে দেখেন, সিলিং ফানের সাথে ঝুলছিল নিরব। তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে পুলিশে খবর দেয় এলাকাবাসি। বড়বালা ইউপি চেয়ারম্যান তারিকুল ইসলাম সরকার স্বপন বলেন, ‘মূলত. বাবা-মার ওপর অভিমান করেই নিরব আত্মহত্যা করেছে। তার পরিবার গরীব মানুষ। তাই, তাদের অনুরোধে ময়না তদন্ত করা হয়নি। লাশ দাহ করা হয়েছে।’
মিঠাপুকুর থানার ওসি মোস্তাফিজার রহমান বলেন, ‘মোবাইল ফোনে গেম খেলতে না দেওয়ায় ছেলেটি আত্মহত্যা করেছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের বাবা নীশি চন্দ্র থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেছেন।’

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

রংপুরে গেম খেলতে নিষেধ করায় স্কুল ছাত্রের আত্মহত্যা

প্রকাশিত হয়েছে: ০৬:৩৭:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুন ২০২২

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর জেলা প্রতিনিধি -ঃ রংপুরের মিঠাপুকুরে মোবাইল ফোনে গেম নিষেধ করায় ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেছে শ্রী নিরব (১২) নামে এক স্কুল ছাত্র। মঙ্গলবার (০৭ জুন) রাতে আত্মহত্যা করে সে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। বুধবার (০৮ জুন) তার লাশ দাহ করা হয়। নিরব উপজেলার বড়বালা ইউনিয়নের নীশি চন্দ্র শীলের একমাত্র ছেলে এবং ছড়ান উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র।
পুলিশ ও এলাকাবাসি সূত্রে জানা গেছে, নিরবের বাবা নীশি চন্দ্র স্থানীয় ছড়ান বন্দরে সেলুনে কাজ করেন। গত মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে নীশি চন্দ্র বাড়ি গিয়ে দেখেন, নিরব ঘরে বসে মোবাইলে গেম খেলছিল। এসময় গেম খেলতে নিষেধ করেন এবং মোবাইল ফোনটি কেড়ে নেন। এতে ক্ষুদ্ধ হয়ে ছেলেটি শোবার ঘরে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দেয়। অনেকক্ষণ পরও ঘর থেকে বের না হওয়ায় দরজায় কড়া নেড়ে তাকে ডাকাডাকি করেন বাড়ির লোকজন। কিন্তু সাড়াশব্দ না পেয়ে দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে দেখেন, সিলিং ফানের সাথে ঝুলছিল নিরব। তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে পুলিশে খবর দেয় এলাকাবাসি। বড়বালা ইউপি চেয়ারম্যান তারিকুল ইসলাম সরকার স্বপন বলেন, ‘মূলত. বাবা-মার ওপর অভিমান করেই নিরব আত্মহত্যা করেছে। তার পরিবার গরীব মানুষ। তাই, তাদের অনুরোধে ময়না তদন্ত করা হয়নি। লাশ দাহ করা হয়েছে।’
মিঠাপুকুর থানার ওসি মোস্তাফিজার রহমান বলেন, ‘মোবাইল ফোনে গেম খেলতে না দেওয়ায় ছেলেটি আত্মহত্যা করেছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের বাবা নীশি চন্দ্র থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেছেন।’