এখন ০৫:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

একে একে বেরিয়ে আসছে ধর্ষক ও প্রতারক তুহিনের গোপন কাহিনী

মেহেদী খাঁন, বিশেষ সংবাদদাতা -ঃ বরিশাল এর বাকেরগঞ্জ উপজেলা ১১নং ভরপাশা ইউনিয়নের দুধলমৌ গ্রামের, মৃত তাজ মোহাম্মদ শিকদারের বখাটে পুত্র ধর্ষক ও প্রতারক তুহিন শিকদারের অপরাধ জগতের না-জানা কাহিনি একে একে বেরিয়ে আসতে শুরু হয়েছে ।

মৃত তাজ মোহাম্মদ শিকদারের জমজ দুই পুত্র ও এক কন্যা ১ মোঃ শাহিন শিকদার ২ তুহিন শিকদার।

শাহিন ছোটবেলা থেকেই নম্র ভদ্র থাকলেও তুহিন ছিল ঠিক তার উল্টো ৭-৮ বসর বয়স থেকেই চুরি ইপটেজিং সহ সকল অপকর্ম করতে শুরু করেন জার ফলে তিনবার এসএসসি পরীক্ষা দিয়ে কোনো মতে পাস করেন। ইন্টারমিডিয়েটে ভর্তি হলেও আর পাস করা হয়নি।এরই মধ্যে প্রেম করে বিয়ে করেন, দুধল মৌ গ্রামের নয়া রাস্তার,১১নং ভরপাশা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি নিঃসন্তানী কেরামত আলী হাওলাদারের পালিতো কন্যা লাকি বেগমকে। স্ত্রী কালো হওয়ায় অন্য নারীদের প্রতি আসক্ত হতে শুরু করেন প্রতারক ও ধর্ষক তুহিন শিকদার তারই ধারাবাহিকতায় নসু হাওলাদারের স্ত্রী, রাবিদে চাচাতো দাদি শাশুড়ীর গোসলের ভিডিও ধারন করে তাকে ব্ল্যাক মিলিং করতে গিয়ে ঝাড়ুর পিঠা খেয়ে এলাকা ছেড়ে সপরিবারে পালিয়ে গিয়ে পারি জমান ঢাকাতে।
ঢাকায় থাকাকালীন এক নারীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক করে গোপনে ভিডিও করে হাতিয়ে নেন মোটা অংকের টাকা। বিষয়টি জানাজানি হলে সপরিবারে পালিয়ে আসেন বাকেরগঞ্জে।

পৌর শহরে বাসা ভাড়া নিয়ে থাকা শুরু করেন, এবং ঔষধ কোম্পানিতে চাকরি দেয়ার নামে সাধারণ যুবক যুবতীদের বোকা বানিয়ে হাতিয়ে নিয়েছেন কয়েক লক্ষাধিক টাকা। এখানেই শেষ নয়। তিনি একাধিক নারীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে শারীরিক সম্পর্ক করে গোপনে মোবাইলে ভিডিও ধারন করে ব্ল্যাক-মেলিং করে একাধিকবার ধর্ষণ ও অর্থ আত্মসাৎ করে আসছিল।

কিছুদিন পূর্বে তার আপন চাচি শাশুড়ী মৃত ফকু হাওলাদারের স্ত্রী পারু বেগমে (ছদ্মনাম) এর সাথে পরকীয়া করার বিষয়টি তার চাচাতো সেলক অবহিত হলে, তুহিন শিকদারের মোবাইটি নিয়ে যায়।

তুহিনের মোবাইলে ১৪-১৫ জন নারীর সাথে শারীরিক সম্পর্কের ছবি ও ভিডিও পেয়ে হতভম্ব হয়ে যান তার চাচাতো সেলক । এছাড়াও তুহিন, একাধিক ব্যক্তির কাছ থেকে চাকরি ও গভীর নলকূপ দেয়ার নামে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন। ভরপাশা ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের কৃষ্ণ কাঠী গ্রামের মৃত মোশাররফ হোসেনের স্ত্রী শাহানাজ বেগমের কাছ থেকে চাকরি পাইয়ে দেয়ার নামে ৩-৪ বৎসর পূর্বে ২০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়ে প্রতারণা করেছেন।
এমনকি ভরপাশা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান খানের কাছ থেকেও ব্যাবসার কথাবলে ৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। গারুড়ীয়া ইউনিয়নে গনি মার্কেটের গ্রাম্য ডাক্তার কাওসার হোসেনের কাছ থেকে বিদুৎ পাইয়ে দেওয়ার জন্য ২৫-৩০ হাজার টাকা এবং মুজাম্মেল হোসেনের কাছ থেকে গভীর নলকূপ দেয়ার নামে ২০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।

এছাড়াও ভরপাশা ইউনিয়নে ৬ নং ওয়ার্ডে এক নারীর কাছ থেকে ঔষধ কোম্পানিতে উচ্চ পদে চাকরি পাইয়ে দেয়ার নামে ৫০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। এরকম অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
এবিষয়ে তুহিন শিকদারের ভাই শাহিন শিকদার জানান তুহিনকে এসকল অপকর্ম থেকে ফিরেয়ে আনতে না পেরে তার সাথে কথাবলা বন্ধ করে দিয়েছি।
ভরপাশা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান খান জানান, তুহিন একটি লম্পট ও প্রতারক আমার সারে চার লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে উধাও হয়েছে।
স্হানীয় মালা এশিয়া প্রবাসী হিরো হাওলাদার (ছদ্মনাম) জানান, তুহিন আমার মামীকে ব্ল্যাক মেইলিং করে তার দাদুর হাটের কাছের ৩০ লক্ষ টাকার জমি আত্মসাৎ করেছে, আমি এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানাচ্ছি। এবিষয়ে বাকেরগঞ্জ থানার এস আই জাকির হোসেন জানান, আমি ভরপাশা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানে মাধ্যমে মোবাইলটি নিয়ে জিডি করে মোবাইলটি মালখানায় রেখেছি। তদন্ত পূর্বক ব্যবস্তা গ্রহণ করা হবে।

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

একে একে বেরিয়ে আসছে ধর্ষক ও প্রতারক তুহিনের গোপন কাহিনী

প্রকাশিত হয়েছে: ০৯:৩৯:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ মে ২০২২

মেহেদী খাঁন, বিশেষ সংবাদদাতা -ঃ বরিশাল এর বাকেরগঞ্জ উপজেলা ১১নং ভরপাশা ইউনিয়নের দুধলমৌ গ্রামের, মৃত তাজ মোহাম্মদ শিকদারের বখাটে পুত্র ধর্ষক ও প্রতারক তুহিন শিকদারের অপরাধ জগতের না-জানা কাহিনি একে একে বেরিয়ে আসতে শুরু হয়েছে ।

মৃত তাজ মোহাম্মদ শিকদারের জমজ দুই পুত্র ও এক কন্যা ১ মোঃ শাহিন শিকদার ২ তুহিন শিকদার।

শাহিন ছোটবেলা থেকেই নম্র ভদ্র থাকলেও তুহিন ছিল ঠিক তার উল্টো ৭-৮ বসর বয়স থেকেই চুরি ইপটেজিং সহ সকল অপকর্ম করতে শুরু করেন জার ফলে তিনবার এসএসসি পরীক্ষা দিয়ে কোনো মতে পাস করেন। ইন্টারমিডিয়েটে ভর্তি হলেও আর পাস করা হয়নি।এরই মধ্যে প্রেম করে বিয়ে করেন, দুধল মৌ গ্রামের নয়া রাস্তার,১১নং ভরপাশা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি নিঃসন্তানী কেরামত আলী হাওলাদারের পালিতো কন্যা লাকি বেগমকে। স্ত্রী কালো হওয়ায় অন্য নারীদের প্রতি আসক্ত হতে শুরু করেন প্রতারক ও ধর্ষক তুহিন শিকদার তারই ধারাবাহিকতায় নসু হাওলাদারের স্ত্রী, রাবিদে চাচাতো দাদি শাশুড়ীর গোসলের ভিডিও ধারন করে তাকে ব্ল্যাক মিলিং করতে গিয়ে ঝাড়ুর পিঠা খেয়ে এলাকা ছেড়ে সপরিবারে পালিয়ে গিয়ে পারি জমান ঢাকাতে।
ঢাকায় থাকাকালীন এক নারীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক করে গোপনে ভিডিও করে হাতিয়ে নেন মোটা অংকের টাকা। বিষয়টি জানাজানি হলে সপরিবারে পালিয়ে আসেন বাকেরগঞ্জে।

পৌর শহরে বাসা ভাড়া নিয়ে থাকা শুরু করেন, এবং ঔষধ কোম্পানিতে চাকরি দেয়ার নামে সাধারণ যুবক যুবতীদের বোকা বানিয়ে হাতিয়ে নিয়েছেন কয়েক লক্ষাধিক টাকা। এখানেই শেষ নয়। তিনি একাধিক নারীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে শারীরিক সম্পর্ক করে গোপনে মোবাইলে ভিডিও ধারন করে ব্ল্যাক-মেলিং করে একাধিকবার ধর্ষণ ও অর্থ আত্মসাৎ করে আসছিল।

কিছুদিন পূর্বে তার আপন চাচি শাশুড়ী মৃত ফকু হাওলাদারের স্ত্রী পারু বেগমে (ছদ্মনাম) এর সাথে পরকীয়া করার বিষয়টি তার চাচাতো সেলক অবহিত হলে, তুহিন শিকদারের মোবাইটি নিয়ে যায়।

তুহিনের মোবাইলে ১৪-১৫ জন নারীর সাথে শারীরিক সম্পর্কের ছবি ও ভিডিও পেয়ে হতভম্ব হয়ে যান তার চাচাতো সেলক । এছাড়াও তুহিন, একাধিক ব্যক্তির কাছ থেকে চাকরি ও গভীর নলকূপ দেয়ার নামে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন। ভরপাশা ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের কৃষ্ণ কাঠী গ্রামের মৃত মোশাররফ হোসেনের স্ত্রী শাহানাজ বেগমের কাছ থেকে চাকরি পাইয়ে দেয়ার নামে ৩-৪ বৎসর পূর্বে ২০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়ে প্রতারণা করেছেন।
এমনকি ভরপাশা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান খানের কাছ থেকেও ব্যাবসার কথাবলে ৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। গারুড়ীয়া ইউনিয়নে গনি মার্কেটের গ্রাম্য ডাক্তার কাওসার হোসেনের কাছ থেকে বিদুৎ পাইয়ে দেওয়ার জন্য ২৫-৩০ হাজার টাকা এবং মুজাম্মেল হোসেনের কাছ থেকে গভীর নলকূপ দেয়ার নামে ২০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।

এছাড়াও ভরপাশা ইউনিয়নে ৬ নং ওয়ার্ডে এক নারীর কাছ থেকে ঔষধ কোম্পানিতে উচ্চ পদে চাকরি পাইয়ে দেয়ার নামে ৫০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। এরকম অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
এবিষয়ে তুহিন শিকদারের ভাই শাহিন শিকদার জানান তুহিনকে এসকল অপকর্ম থেকে ফিরেয়ে আনতে না পেরে তার সাথে কথাবলা বন্ধ করে দিয়েছি।
ভরপাশা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান খান জানান, তুহিন একটি লম্পট ও প্রতারক আমার সারে চার লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে উধাও হয়েছে।
স্হানীয় মালা এশিয়া প্রবাসী হিরো হাওলাদার (ছদ্মনাম) জানান, তুহিন আমার মামীকে ব্ল্যাক মেইলিং করে তার দাদুর হাটের কাছের ৩০ লক্ষ টাকার জমি আত্মসাৎ করেছে, আমি এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানাচ্ছি। এবিষয়ে বাকেরগঞ্জ থানার এস আই জাকির হোসেন জানান, আমি ভরপাশা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানে মাধ্যমে মোবাইলটি নিয়ে জিডি করে মোবাইলটি মালখানায় রেখেছি। তদন্ত পূর্বক ব্যবস্তা গ্রহণ করা হবে।