এখন ০৩:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভূরুঙ্গামারীতে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ, সম্পর্ক মেনে না নেওয়ায় কিশোরীর বিষ পান

মোঃ আনোয়ার হোসেন আরিফ, ভূরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি -ঃ কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলা বাগ ভান্ডার উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীতে পড়ুয়া এক ছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সাগর নামের এক বখাটে ছেলের বিরুদ্ধে একাধিকবার ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, ধর্ষণের পর এক পর্যায়ে মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পরে। অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার তিন মাস পার হলে গেলে মেয়েটির শারীরিক পরিবর্তন দেখা দেওয়ায় তার পরিবার অন্তঃসত্ত্বার বিষয়টি বুঝতে পারে। পরে মেয়েটির পরিবার ২ জনের প্রেমের সম্পর্ক ও গর্ভে বাচ্চা আসার বিষয়টি সাগরের পিতা নুরুজ্জামান, মাতা চম্পা বেগম, দাদা শাহাদত হোসেনকে জানায়, পরে সাগরের অভিভাবকগণ তাদের সম্পর্কের বিষয়টি মেনে নিয়ে ২ জনের বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাদের কোর্ট এফিডেভিট করায়। পরে মেয়েটিকে ভুলভাল বুঝিয়ে সাগর মেয়েটিকে ঔষধ খিলিয়ে গর্ভে থাকা ৩ মাসের বাচ্চা নষ্ট করে। গর্ভে থাকা বাচ্চা কৌশলে নষ্ট করিয়ে মেয়েটির প্রেমিক সাগর ও তার পরিবারের লোক জন তার সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়।
পরিশেষে মেয়েটি কোন উপায় না পেয়ে শনিবার (২৮ মে) দুপুরে তার শয়ন কক্ষে বিষ পান করে এক পর্যায়ে মৃত্যু শয্যায় পাঞ্জা লড়তে থাকে। পরে মেয়েটির পরিবার ও এলাকাবাসী দৌড়ে এসে ভূরুঙ্গামারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায়।

ভুক্তভোগীর পরিবার জানায়, “এই বিষয়ে আমরা ভূরুঙ্গামারী থানায় মামলা করতে গেলে অফিসার ইনচার্জ আলমগীর হোসেন মামলা না নিয়ে আমাদের আদালতে যেতে বলেন। থানায় মামলা না নিলে পরে আমরা সার্কেল এ এস পি মোর্শেদুল আলম স্যারের কাছে বিষয়টি জানাই তখন স্যার আমাদের কাছে অভিযোগের বিষয় গুলো শুনে তাৎক্ষণিক হাসতাপালে ও সাগরের বাড়িতে পুলিশ পাঠায়।”

থানায় মামলা না নেওয়ার বিষয়টি অফিসার ইনচার্জ আলমগীর হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি মামলা না নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন। এবং তিনি জানান, এই বিষয় নিয়ে আমার কাছে কেউ মামলা করতে আসেনি। কেউ না আসলে আমি মামলা কি ভাবে নিবো।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

ভূরুঙ্গামারীতে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ, সম্পর্ক মেনে না নেওয়ায় কিশোরীর বিষ পান

প্রকাশিত হয়েছে: ১১:৩১:১৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ মে ২০২২

মোঃ আনোয়ার হোসেন আরিফ, ভূরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি -ঃ কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলা বাগ ভান্ডার উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীতে পড়ুয়া এক ছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সাগর নামের এক বখাটে ছেলের বিরুদ্ধে একাধিকবার ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, ধর্ষণের পর এক পর্যায়ে মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পরে। অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার তিন মাস পার হলে গেলে মেয়েটির শারীরিক পরিবর্তন দেখা দেওয়ায় তার পরিবার অন্তঃসত্ত্বার বিষয়টি বুঝতে পারে। পরে মেয়েটির পরিবার ২ জনের প্রেমের সম্পর্ক ও গর্ভে বাচ্চা আসার বিষয়টি সাগরের পিতা নুরুজ্জামান, মাতা চম্পা বেগম, দাদা শাহাদত হোসেনকে জানায়, পরে সাগরের অভিভাবকগণ তাদের সম্পর্কের বিষয়টি মেনে নিয়ে ২ জনের বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাদের কোর্ট এফিডেভিট করায়। পরে মেয়েটিকে ভুলভাল বুঝিয়ে সাগর মেয়েটিকে ঔষধ খিলিয়ে গর্ভে থাকা ৩ মাসের বাচ্চা নষ্ট করে। গর্ভে থাকা বাচ্চা কৌশলে নষ্ট করিয়ে মেয়েটির প্রেমিক সাগর ও তার পরিবারের লোক জন তার সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়।
পরিশেষে মেয়েটি কোন উপায় না পেয়ে শনিবার (২৮ মে) দুপুরে তার শয়ন কক্ষে বিষ পান করে এক পর্যায়ে মৃত্যু শয্যায় পাঞ্জা লড়তে থাকে। পরে মেয়েটির পরিবার ও এলাকাবাসী দৌড়ে এসে ভূরুঙ্গামারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায়।

ভুক্তভোগীর পরিবার জানায়, “এই বিষয়ে আমরা ভূরুঙ্গামারী থানায় মামলা করতে গেলে অফিসার ইনচার্জ আলমগীর হোসেন মামলা না নিয়ে আমাদের আদালতে যেতে বলেন। থানায় মামলা না নিলে পরে আমরা সার্কেল এ এস পি মোর্শেদুল আলম স্যারের কাছে বিষয়টি জানাই তখন স্যার আমাদের কাছে অভিযোগের বিষয় গুলো শুনে তাৎক্ষণিক হাসতাপালে ও সাগরের বাড়িতে পুলিশ পাঠায়।”

থানায় মামলা না নেওয়ার বিষয়টি অফিসার ইনচার্জ আলমগীর হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি মামলা না নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন। এবং তিনি জানান, এই বিষয় নিয়ে আমার কাছে কেউ মামলা করতে আসেনি। কেউ না আসলে আমি মামলা কি ভাবে নিবো।