এখন ০৫:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বড়লেখায় কেক কেটে ইউএনও’র বর্ষপূর্তি পালন

আফজাল হোসেন রুমেল, বড়লেখা প্রতিনিধি -ঃ বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খন্দকার মুদাচ্ছির বিন আলীর বড়লেখায় দায়িত্বপালনের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে উপজেলা ভুমি অফিস শুক্রবার বিকেলে কেক কাটা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ইউএনও খন্দকার মুদাচ্ছির বিন আলী কেক কাটেন। এসময় সহকারি কমিশনার (ভুমি) মো. জাহাঙ্গীর হোসাইন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. উবায়েদ উল্লাহ খান, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার শাখাওয়াৎ হোসেন ও ভুমি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারিরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য ২০২২ সালের ২০ মে খন্দকার মুদাচ্ছির বিন আলী বড়লেখায় ইউএনও হিসেবে যোগদান করেন। পরের মাসেই মহামারি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার সন্তান সম্ভবা স্ত্রী মারা যান। স্ত্রী হারানোর গভীর ক্ষতকে পেছনে ফেলে কর্মস্থলের বাসিন্দাদের নিজের পরিবার মনে করে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে চালিয়ে যান তার ওপর অর্পিত সরকারি গুরু দায়িত্ব। তার দায়িত্বশীল প্রশাসনিক, সামাজিক ও নানা মানবিক কর্মকান্ড বিভিন্ন মহলে প্রশংসিত হতে থাকে। অল্প দিনেই তিনি বড়লেখাবাসীর হৃদয়ে স্থান করে নিতে সক্ষম হন।

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

বড়লেখায় কেক কেটে ইউএনও’র বর্ষপূর্তি পালন

প্রকাশিত হয়েছে: ০৫:২৫:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মে ২০২২

আফজাল হোসেন রুমেল, বড়লেখা প্রতিনিধি -ঃ বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খন্দকার মুদাচ্ছির বিন আলীর বড়লেখায় দায়িত্বপালনের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে উপজেলা ভুমি অফিস শুক্রবার বিকেলে কেক কাটা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ইউএনও খন্দকার মুদাচ্ছির বিন আলী কেক কাটেন। এসময় সহকারি কমিশনার (ভুমি) মো. জাহাঙ্গীর হোসাইন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. উবায়েদ উল্লাহ খান, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার শাখাওয়াৎ হোসেন ও ভুমি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারিরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য ২০২২ সালের ২০ মে খন্দকার মুদাচ্ছির বিন আলী বড়লেখায় ইউএনও হিসেবে যোগদান করেন। পরের মাসেই মহামারি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার সন্তান সম্ভবা স্ত্রী মারা যান। স্ত্রী হারানোর গভীর ক্ষতকে পেছনে ফেলে কর্মস্থলের বাসিন্দাদের নিজের পরিবার মনে করে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে চালিয়ে যান তার ওপর অর্পিত সরকারি গুরু দায়িত্ব। তার দায়িত্বশীল প্রশাসনিক, সামাজিক ও নানা মানবিক কর্মকান্ড বিভিন্ন মহলে প্রশংসিত হতে থাকে। অল্প দিনেই তিনি বড়লেখাবাসীর হৃদয়ে স্থান করে নিতে সক্ষম হন।