এখন ০৩:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কোটচাঁদপুরের ঘাঘা গ্রামে নিজ গৃহে গলায় রশি দিয়ে আত্মহত্যা

মোঃ রানা আহমেদ, বিশেষ প্রতিনিধি -ঃ কোটচাঁদপুর উপজেলার ঘাঘা গ্রামের মন্ডল পাড়ায় বুধবার দিবাগত রাত গলায় রশি দিয়ে শরিফুল ইসলাম ওরফে শরীফ (৬০) নামে একজন আত্মহত্যা করেছে বলে জানাযায়।

ঘাঘা গ্রামের মৃত আত্তাব আলী মন্ডলের পাঁচ সন্তানের মধ্যে দ্বিতীয় সন্তান মৃত শরিফুল ইসলাম ওরফে শরীফ (৬০)। মৃত শরীফের স্ত্রী গত তিন বছর আগে মারা যায় এক পুত্র ও দুই কন্যা সন্তান রেখে। ছেলে মেয়ে সকলেই বিবাহিত।প্রথম স্ত্রীর মৃত্যুর পরে মৃত শরীফ দ্বীতিয় বিবাহ করেন।দ্বিতীয় স্ত্রীর সহিত মনোমালিন্য না হওয়ায় বিচ্ছেদ ঘটে।বিচ্ছেদের পর ছেলে মোঃ আঃ রাজ্জাকের সাথে একসাথে বসবাস করতে থাকেন।

মৃত শরীফের একমাত্র সন্তান মোঃ আঃ রাজ্জাক জানান গতকাল রাতে খাবার খেয়ে প্রতিদিনের ন্যায় পাশের রুমে আব্বা ঘুমিয়ে ছিল। আমি ফজরের নামাজ পড়ে এসে আব্বার কোন সাড়া শব্দ না পেলে ঘরের দিকে যায়। দেখি আব্বার ঘরের দরজা দিয়ে, আব্বার গলা রশিতে ঝুলে আছে,। তখন চিৎকার চেচামেচি করলে প্রতিবেশীর ছুটে আসেন। আঃ রাজ্জাক বলেন আগের থেকে আব্বার বুকে পিঠে মাথায় সমস্যা নিয়ে অনেক ডাক্তার দেখিয়েছেন। তার রোগ নিয়ে যশোর কুইন্স হাসপাতালে ডাঃ কাজল কান্তির নিকট দেখানো হয়েছে আগে।হয়তো রোগের কারনে গলায় রশি দিয়ে আত্মহত্যা করতে পারে বলে জানান।গলায় রশি দিয়ে আত্মহত্যার বিষয় কথা হয় কোটচাঁদপুর মডেল থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ মঈন উদ্দিনের সাথে তিনি জানান আমি বাহিরে আছি। তালসার পুলিশ ক্যাম্পের আইসি মোঃ মাসুদ আত্মহত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন লাশ ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট শেষে জানানো যাবে হত্যা না আত্মহত্যা।

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

কোটচাঁদপুরের ঘাঘা গ্রামে নিজ গৃহে গলায় রশি দিয়ে আত্মহত্যা

প্রকাশিত হয়েছে: ০১:১৮:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মে ২০২২

মোঃ রানা আহমেদ, বিশেষ প্রতিনিধি -ঃ কোটচাঁদপুর উপজেলার ঘাঘা গ্রামের মন্ডল পাড়ায় বুধবার দিবাগত রাত গলায় রশি দিয়ে শরিফুল ইসলাম ওরফে শরীফ (৬০) নামে একজন আত্মহত্যা করেছে বলে জানাযায়।

ঘাঘা গ্রামের মৃত আত্তাব আলী মন্ডলের পাঁচ সন্তানের মধ্যে দ্বিতীয় সন্তান মৃত শরিফুল ইসলাম ওরফে শরীফ (৬০)। মৃত শরীফের স্ত্রী গত তিন বছর আগে মারা যায় এক পুত্র ও দুই কন্যা সন্তান রেখে। ছেলে মেয়ে সকলেই বিবাহিত।প্রথম স্ত্রীর মৃত্যুর পরে মৃত শরীফ দ্বীতিয় বিবাহ করেন।দ্বিতীয় স্ত্রীর সহিত মনোমালিন্য না হওয়ায় বিচ্ছেদ ঘটে।বিচ্ছেদের পর ছেলে মোঃ আঃ রাজ্জাকের সাথে একসাথে বসবাস করতে থাকেন।

মৃত শরীফের একমাত্র সন্তান মোঃ আঃ রাজ্জাক জানান গতকাল রাতে খাবার খেয়ে প্রতিদিনের ন্যায় পাশের রুমে আব্বা ঘুমিয়ে ছিল। আমি ফজরের নামাজ পড়ে এসে আব্বার কোন সাড়া শব্দ না পেলে ঘরের দিকে যায়। দেখি আব্বার ঘরের দরজা দিয়ে, আব্বার গলা রশিতে ঝুলে আছে,। তখন চিৎকার চেচামেচি করলে প্রতিবেশীর ছুটে আসেন। আঃ রাজ্জাক বলেন আগের থেকে আব্বার বুকে পিঠে মাথায় সমস্যা নিয়ে অনেক ডাক্তার দেখিয়েছেন। তার রোগ নিয়ে যশোর কুইন্স হাসপাতালে ডাঃ কাজল কান্তির নিকট দেখানো হয়েছে আগে।হয়তো রোগের কারনে গলায় রশি দিয়ে আত্মহত্যা করতে পারে বলে জানান।গলায় রশি দিয়ে আত্মহত্যার বিষয় কথা হয় কোটচাঁদপুর মডেল থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ মঈন উদ্দিনের সাথে তিনি জানান আমি বাহিরে আছি। তালসার পুলিশ ক্যাম্পের আইসি মোঃ মাসুদ আত্মহত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন লাশ ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট শেষে জানানো যাবে হত্যা না আত্মহত্যা।