এখন ০৫:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আলীকদম উপজেলা প্রশাসন কতৃক অবৈধ অনুপ্রবেশকারী গরু আটক

বিশেষ সংবাদদাতা -ঃ গরুগুলো প্রবেশে সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব, পাচার হচ্ছে দেশের অর্থ, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে দেশের খামারিরা, স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়ছে দেশের মানুষ।

বান্দরবানের আলীকদম উপজেলার ৩নং নয়াপাড়া ইউনিয়ন থেকে ২৯টি অবৈধ অনুপ্রবেশকারী থাইল্যান্ড ও মায়ানমারের গরু আটক করেছে আলীকদম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহরুবা ইসলাম।

৪নং কুরুকপাতা ইউনিয়নের পোয়ামুহুরী দূর্গম পাহাড়ি এলাকা দিয়ে মায়ানমার থেকে রাতের আঁধারে দেশে প্রবেশ করছে শত শত গরু। পরবর্তীতে সেগুলো ছড়িয়ে পড়ছে দেশের বিভিন্ন স্থানে।

গরুগুলো প্রবেশে যেমন নেই কোনো বৈধ কাগজপত্র, তেমনি করা হচ্ছেনা স্বাস্থ্য পরিক্ষা। এতে সরকার হারাচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকার রাজস্ব, পাশাপাশি স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়ছে দেশের মানুষ এবং দেশ থেকে পাচার হয়ে যাচ্ছে কোটি কোটি টাকা, বিদেশী গরুর প্রবেশের কারনে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে দেশের খামারিরা।

সারা বিশ্বকে করোনার মতো ভাইরাস দিয়ে কাবু করে ফেলেছিলো চীন। আর চীনের পাশ্ববর্তী দেশ থাইল্যান্ড থেকে আাসা এসব গরুগুলো অন্য কোনো ক্ষতিকর ভাইরাস বহন করছে কিনা অথবা গরুর পেটে কোন মাদক দ্রব্য বহন করছে কিনা তার কোন পরিক্ষা নিরীক্ষা হচ্ছেনা!

খোঁজ নিয়ে জানা যায় থাইল্যান্ড ও মায়ানমার থেকে আলীকদম সীমান্ত দিয়ে দেশে প্রবেশ করছে শত শত গরু, মায়ানমার সীমান্ত থেকে গরুগুলো স্থানীয় মুরং, ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের লোকেরা গ্রহন করে বহিরাগত ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করে দেয়।

সরকারের রাজস্ব, দেশের অর্থ পাচার ও দেশের মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি ও দেশের খামারিদের লোকসানের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের এমন কার্যক্রম পরিচালনায় ধন্যবান জানিয়েছেন সচেতন সমাজ।

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

আলীকদম উপজেলা প্রশাসন কতৃক অবৈধ অনুপ্রবেশকারী গরু আটক

প্রকাশিত হয়েছে: ০৩:৩৭:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মে ২০২২

বিশেষ সংবাদদাতা -ঃ গরুগুলো প্রবেশে সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব, পাচার হচ্ছে দেশের অর্থ, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে দেশের খামারিরা, স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়ছে দেশের মানুষ।

বান্দরবানের আলীকদম উপজেলার ৩নং নয়াপাড়া ইউনিয়ন থেকে ২৯টি অবৈধ অনুপ্রবেশকারী থাইল্যান্ড ও মায়ানমারের গরু আটক করেছে আলীকদম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহরুবা ইসলাম।

৪নং কুরুকপাতা ইউনিয়নের পোয়ামুহুরী দূর্গম পাহাড়ি এলাকা দিয়ে মায়ানমার থেকে রাতের আঁধারে দেশে প্রবেশ করছে শত শত গরু। পরবর্তীতে সেগুলো ছড়িয়ে পড়ছে দেশের বিভিন্ন স্থানে।

গরুগুলো প্রবেশে যেমন নেই কোনো বৈধ কাগজপত্র, তেমনি করা হচ্ছেনা স্বাস্থ্য পরিক্ষা। এতে সরকার হারাচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকার রাজস্ব, পাশাপাশি স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়ছে দেশের মানুষ এবং দেশ থেকে পাচার হয়ে যাচ্ছে কোটি কোটি টাকা, বিদেশী গরুর প্রবেশের কারনে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে দেশের খামারিরা।

সারা বিশ্বকে করোনার মতো ভাইরাস দিয়ে কাবু করে ফেলেছিলো চীন। আর চীনের পাশ্ববর্তী দেশ থাইল্যান্ড থেকে আাসা এসব গরুগুলো অন্য কোনো ক্ষতিকর ভাইরাস বহন করছে কিনা অথবা গরুর পেটে কোন মাদক দ্রব্য বহন করছে কিনা তার কোন পরিক্ষা নিরীক্ষা হচ্ছেনা!

খোঁজ নিয়ে জানা যায় থাইল্যান্ড ও মায়ানমার থেকে আলীকদম সীমান্ত দিয়ে দেশে প্রবেশ করছে শত শত গরু, মায়ানমার সীমান্ত থেকে গরুগুলো স্থানীয় মুরং, ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের লোকেরা গ্রহন করে বহিরাগত ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করে দেয়।

সরকারের রাজস্ব, দেশের অর্থ পাচার ও দেশের মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি ও দেশের খামারিদের লোকসানের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের এমন কার্যক্রম পরিচালনায় ধন্যবান জানিয়েছেন সচেতন সমাজ।