এখন ০৫:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

”জ্যেতিষি” ছদ্মবেশে অভিনব কৌশলে প্রতারণা–আটক ২

রায়হান হোসাইন, চট্টগ্রাম -ঃ নিখোঁজ ছেলেকে ফেরত দেওয়ার কথা বলে প্রতারনা করে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অপরাধে নোয়াখালী হতে ০২ জন প্রতারককে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম।

গতকাল সকাল ৭টায় নোয়াখালীর সুধারাম থানাধীন এওজবালিয়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মো. জিয়া ও জোনাকী আক্তার মুক্তা নামক দুই প্রতারককে গ্রেফতার করা হয়।

চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড থানার বাড়বকুন্ডের দেলোয়ার হোসেনের ২০ বছর বয়সী ছেলে ইমন ২০১৭ সালে হারিয়ে যায়। অনেক খোজাখুজির পরেও সন্তানকে খুজে না পাওয়ায় দেলোয়ার হোসেন প্রায় পাগলপারা। যখন যে যা বলতো, দেলোয়ার তাই করতো। এক পর্যায়ে এই দুই ডিজিটাল প্রতারকের সন্ধান মেলে আচমকাই।

শুরু হয় ডিজিটাল প্রতারকদের নানান প্রতারণার ফাদ। ছেলেকে বের করে দিবে, ছেলে ওমুক জায়গায় আছে, বিপদে পড়েছে, টাকা লাগবে এইসেই বলে নানা কৌশলে দীর্ঘ চার বছরেরও বেশী সময় ধরে নানা ছলছাতুরী করে কৌশলে হাতিয়ে নিয়েছে লক্ষ লক্ষ টাকা।

এক পর্যায়ে দেলোয়ার হোসেন এ প্রতারকদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করলে বিষয়টি তদন্ত করলে জানা যায় যে, তাদের এ ছদ্মবেশ ছিল নিছক প্রতারণার ফাদ।

র‌্যাব জানায়, প্রতারক চক্রটি দীর্ঘদিন যাবত একাধিক ব্যক্তির সাথে নানা কৌশল অবলম্বন করে প্রতারনা করে আসছিল। তারা এক জায়গায় বেশীদিন থাকতোনা। দ্রুত সময়ের মধ্যে স্থান পরিবর্তন করে ফেলতো।

পরবর্তীতে গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

”জ্যেতিষি” ছদ্মবেশে অভিনব কৌশলে প্রতারণা–আটক ২

প্রকাশিত হয়েছে: ০৪:০৩:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ মার্চ ২০২২

রায়হান হোসাইন, চট্টগ্রাম -ঃ নিখোঁজ ছেলেকে ফেরত দেওয়ার কথা বলে প্রতারনা করে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অপরাধে নোয়াখালী হতে ০২ জন প্রতারককে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম।

গতকাল সকাল ৭টায় নোয়াখালীর সুধারাম থানাধীন এওজবালিয়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মো. জিয়া ও জোনাকী আক্তার মুক্তা নামক দুই প্রতারককে গ্রেফতার করা হয়।

চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড থানার বাড়বকুন্ডের দেলোয়ার হোসেনের ২০ বছর বয়সী ছেলে ইমন ২০১৭ সালে হারিয়ে যায়। অনেক খোজাখুজির পরেও সন্তানকে খুজে না পাওয়ায় দেলোয়ার হোসেন প্রায় পাগলপারা। যখন যে যা বলতো, দেলোয়ার তাই করতো। এক পর্যায়ে এই দুই ডিজিটাল প্রতারকের সন্ধান মেলে আচমকাই।

শুরু হয় ডিজিটাল প্রতারকদের নানান প্রতারণার ফাদ। ছেলেকে বের করে দিবে, ছেলে ওমুক জায়গায় আছে, বিপদে পড়েছে, টাকা লাগবে এইসেই বলে নানা কৌশলে দীর্ঘ চার বছরেরও বেশী সময় ধরে নানা ছলছাতুরী করে কৌশলে হাতিয়ে নিয়েছে লক্ষ লক্ষ টাকা।

এক পর্যায়ে দেলোয়ার হোসেন এ প্রতারকদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করলে বিষয়টি তদন্ত করলে জানা যায় যে, তাদের এ ছদ্মবেশ ছিল নিছক প্রতারণার ফাদ।

র‌্যাব জানায়, প্রতারক চক্রটি দীর্ঘদিন যাবত একাধিক ব্যক্তির সাথে নানা কৌশল অবলম্বন করে প্রতারনা করে আসছিল। তারা এক জায়গায় বেশীদিন থাকতোনা। দ্রুত সময়ের মধ্যে স্থান পরিবর্তন করে ফেলতো।

পরবর্তীতে গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।