এখন ০৫:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আগুনে দগ্ধ কবশোরীকে আশার আলো রক্তদান ফাউন্ডেশনের পক্ষ হইতে আর্থিক অনুদান

নিজস্ব প্রতিবেদক -ঃ চুলার আগুনে দগ্ধ হয়ে শরীরের ২২% অংশ সামনের দিকে স্তন থেকে হাটু পর্যন্ত পুরে যায় রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার শানেরহাট ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মোঃ জিহুল মিয়ার প্রতিবন্ধী মেয়ে মোছাঃ জবা খাতুন।

জানা যায়, কিশোরী জবা খাতুন চুলায় ভাত রান্না করছিলেন। এমন সময় চুলার আগুন ওড়নাতে এসে লেগে যায় প্রতিবন্ধী হওয়াতে আগুন নেভাতে পারেনি। আগুন ধরার সময় পরিবারের কেউ বাসায় ছিলেন না বলে জানা যায়। প্রতিবন্ধী কিশোরীর পিতা জিহুল মিয়া পেশায় একজন দিনমজুর ভ্যানচালক। নিজের কোনো বাড়ি নাই। অন্যর বাড়িতে থাকেন তারা।

প্রতিবন্ধী কিশোরী জবা খাতুন পুড়ে যাওয়ার খবর ভাইরাল হলে, আশার আলো রক্তদান ফাউন্ডেশনের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মাসুম পারভেজের নজরে পড়ে। পরে কমিটিতে ঝানার পর সাংবাদিক পারভেজ সরেজমিনে তদন্ত করতে যান। এবং আশার আলো রক্তদান ফাউন্ডেশনের আহ্বায়ক মোখলেসুর রহমান কে বিষয়টি জানালে তিনি কমিটির সবার সাথে কথা প্রতিবন্ধী কিশোরীকে তিন হাজার টাকা এককালীন আর্থিক সহায়তা প্রদান করার প্রতিশ্রুতি দেন।

গত ২৩শে মার্চ আশার আলো রক্তদান ফাউন্ডেশনের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সাংবাদিক পারভেজ-প্রাইভেট ডিটেকটিভ প্রতিবন্ধী কিশোরীর পিতা মোঃ জিহুল মিয়ার হাতে অনুদানের টাকা তুলে দেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক আনোয়ার-দৈনিক অপরাধ কন্ঠ এবং ১০ নং শানেরহাট ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নং ওয়ার্ডের মেম্বার তারাজুল ইসলাম সহ আরো অনেকে।

চেয়ারম্যানের পক্ষ হতে জনপ্রতিনিধি তারাজুর ইসলাম বলেন সবাই সহযোগিতা করলে মেয়েটি সুস্থ হয়ে যাবে। আর আশার আলো রক্তদান ফাউন্ডেশন কে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

আগুনে দগ্ধ কবশোরীকে আশার আলো রক্তদান ফাউন্ডেশনের পক্ষ হইতে আর্থিক অনুদান

প্রকাশিত হয়েছে: ০৪:১৩:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ মার্চ ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক -ঃ চুলার আগুনে দগ্ধ হয়ে শরীরের ২২% অংশ সামনের দিকে স্তন থেকে হাটু পর্যন্ত পুরে যায় রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার শানেরহাট ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মোঃ জিহুল মিয়ার প্রতিবন্ধী মেয়ে মোছাঃ জবা খাতুন।

জানা যায়, কিশোরী জবা খাতুন চুলায় ভাত রান্না করছিলেন। এমন সময় চুলার আগুন ওড়নাতে এসে লেগে যায় প্রতিবন্ধী হওয়াতে আগুন নেভাতে পারেনি। আগুন ধরার সময় পরিবারের কেউ বাসায় ছিলেন না বলে জানা যায়। প্রতিবন্ধী কিশোরীর পিতা জিহুল মিয়া পেশায় একজন দিনমজুর ভ্যানচালক। নিজের কোনো বাড়ি নাই। অন্যর বাড়িতে থাকেন তারা।

প্রতিবন্ধী কিশোরী জবা খাতুন পুড়ে যাওয়ার খবর ভাইরাল হলে, আশার আলো রক্তদান ফাউন্ডেশনের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মাসুম পারভেজের নজরে পড়ে। পরে কমিটিতে ঝানার পর সাংবাদিক পারভেজ সরেজমিনে তদন্ত করতে যান। এবং আশার আলো রক্তদান ফাউন্ডেশনের আহ্বায়ক মোখলেসুর রহমান কে বিষয়টি জানালে তিনি কমিটির সবার সাথে কথা প্রতিবন্ধী কিশোরীকে তিন হাজার টাকা এককালীন আর্থিক সহায়তা প্রদান করার প্রতিশ্রুতি দেন।

গত ২৩শে মার্চ আশার আলো রক্তদান ফাউন্ডেশনের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সাংবাদিক পারভেজ-প্রাইভেট ডিটেকটিভ প্রতিবন্ধী কিশোরীর পিতা মোঃ জিহুল মিয়ার হাতে অনুদানের টাকা তুলে দেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক আনোয়ার-দৈনিক অপরাধ কন্ঠ এবং ১০ নং শানেরহাট ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নং ওয়ার্ডের মেম্বার তারাজুল ইসলাম সহ আরো অনেকে।

চেয়ারম্যানের পক্ষ হতে জনপ্রতিনিধি তারাজুর ইসলাম বলেন সবাই সহযোগিতা করলে মেয়েটি সুস্থ হয়ে যাবে। আর আশার আলো রক্তদান ফাউন্ডেশন কে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছেন।