এখন ০৯:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বামী মৃত্যর ১৫ বছরেও বিধবা ভাতার কাড হয়নি ৬৫ বছরের হালিমা খাতুনের

  • ক্রাইম লেটার ডেস্ক
  • প্রকাশিত হয়েছে: ০৪:৩০:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২২
  • ৬৬৫ পড়া হয়েছে

তপন দাস, নীলফামারী প্রতিনিধি -ঃ স্বামীর মৃত্যুর দীর্ঘ ১৫ বছরেও বিধবা/ বয়স্ক ভাতার কার্ড হয়নি ৬৫ বছরের বৃদ্ধা মোছা : হালিমা খাতুনের।
হালিমা খাতুন নীলফামারী সদর উপজেলার পলাশবাড়ী ইউনিয়নের নীলফামারী ( নটখানা) গ্রামের মৃত তফর উদ্দিনের সহধর্মিনী ও ৭ সন্তানের জননী।
সরজমিনে গিয়ে মোছা: হালিমা খাতুনের সাথে কথা হলে তিনি জানান আমার স্বামীর মৃত্যুর দীর্ঘ ১৫ বছর হয়ে গেলে ও আর আমার বয়স ৬৫ হওয়ার পরেও আমি এখনো সরকারী কোন সাহায্য সহযোগীতা পাইনি এবং চেয়ারম্যান মেম্বার দের কাছে ঘুরে ও আমি কোন সাহায্য সহযোগীতা বা কোন সরকারী ভাতার কার্ড পাইনি এবং আমি এখন আর চলতে পারিনা অন্যের সাহায্যে আমি আর কত দিন চলবো তাই সরকারের কাছে অনুরোধ করছি যে আমাকে একটি সরকারী ভাতার কার্ড করে দেয় যেন।
এবিষয়ে ৪ নং পলাশবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব ইব্রাহিম তালুকদারের সাথে কথা হলে তিনি জানান বিষয়টি আমি আগে জানতাম না আপনাদের মাধ্যমে জানতে পারলাম তবে আমি ঐ বৃদ্ধার বিষয়ে উদ্ধতন কর্তিপক্ষের সাথে কথা বলে দ্রুত একটি বিধবা/ বয়স্ক ভাতার কার্ড করে দেয়ার চেষ্টা করবো ।

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে লালন সাঁইয়ের ১৩৬তম তিরোধান দিবস স্মরণোৎসব, পরিবেশিত হলো লালনসংগীত

স্বামী মৃত্যর ১৫ বছরেও বিধবা ভাতার কাড হয়নি ৬৫ বছরের হালিমা খাতুনের

প্রকাশিত হয়েছে: ০৪:৩০:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২২

তপন দাস, নীলফামারী প্রতিনিধি -ঃ স্বামীর মৃত্যুর দীর্ঘ ১৫ বছরেও বিধবা/ বয়স্ক ভাতার কার্ড হয়নি ৬৫ বছরের বৃদ্ধা মোছা : হালিমা খাতুনের।
হালিমা খাতুন নীলফামারী সদর উপজেলার পলাশবাড়ী ইউনিয়নের নীলফামারী ( নটখানা) গ্রামের মৃত তফর উদ্দিনের সহধর্মিনী ও ৭ সন্তানের জননী।
সরজমিনে গিয়ে মোছা: হালিমা খাতুনের সাথে কথা হলে তিনি জানান আমার স্বামীর মৃত্যুর দীর্ঘ ১৫ বছর হয়ে গেলে ও আর আমার বয়স ৬৫ হওয়ার পরেও আমি এখনো সরকারী কোন সাহায্য সহযোগীতা পাইনি এবং চেয়ারম্যান মেম্বার দের কাছে ঘুরে ও আমি কোন সাহায্য সহযোগীতা বা কোন সরকারী ভাতার কার্ড পাইনি এবং আমি এখন আর চলতে পারিনা অন্যের সাহায্যে আমি আর কত দিন চলবো তাই সরকারের কাছে অনুরোধ করছি যে আমাকে একটি সরকারী ভাতার কার্ড করে দেয় যেন।
এবিষয়ে ৪ নং পলাশবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব ইব্রাহিম তালুকদারের সাথে কথা হলে তিনি জানান বিষয়টি আমি আগে জানতাম না আপনাদের মাধ্যমে জানতে পারলাম তবে আমি ঐ বৃদ্ধার বিষয়ে উদ্ধতন কর্তিপক্ষের সাথে কথা বলে দ্রুত একটি বিধবা/ বয়স্ক ভাতার কার্ড করে দেয়ার চেষ্টা করবো ।