এখন ০৪:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জেলার ৩ দিনের ইস্তেমা বড়লেখায় প্রস্তুতিকালে প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা

আফজাল হোসেন রুমেল, বড়লেখা, মৌলভীবাজার -ঃ জেলা পর্যায়ের ৩ দিনের ইস্তেমা এবার বড়লেখা উপজেলার কাঁঠালতীতে আয়োজনের লক্ষে গত ১৫ দিন ধরে প্রস্তুতি চালাচ্ছে আয়োজক জেলা ও স্থানীয় তাবলিগ জামায়াতের দায়িত্বশীলগণ। বৃহস্পতিবার ফজরের নামাজের পর শুরু করে শনিবার দুপুরে আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে ইস্তেমা সমাপ্তির কথা ছিল। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা প্রশাসন এক জরুরী সভায় অস্বাভাবিক জনসমাগমের সরকারি নির্দেশনা নেই জানিয়ে আয়োজকদের ইস্তেমা স্থগিতের নির্দেশ দিয়েছে।

জানা গেছে, মৌলভীবাজার জেলার ইস্তেমা সর্বশেষ ২০১৮ সালে শ্রীমঙ্গল রোডে অনুষ্ঠিত হয়। গত দুই বছর করোনা সংক্রমণের কারণে ইস্তেমা অনুষ্ঠিত হয়নি। সংশ্লিষ্ট আয়োজকরা এবারের জেলা পর্যায়ের ইস্তেমা বড়লেখা উপজেলায় আয়োজনের সিদ্ধান্তে প্রশাসনের অজ্ঞাতে ৫ হাজার মুসল্লি সমাগমের লক্ষে গত ১৫ দিন ধরে কাঁঠালতলী বাজার সংলগ্ন মাঠে প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছে। বড়ধরণের জনসমাগমের প্রস্তুতি দেখে ইউএনও খন্দকার মুদাচ্ছির বিন আলী মঙ্গলবার দুপুরে আয়োজকদের নিয়ে তার কার্যালয়ে মতবিনিময় করেন। সভায় উপজেলা চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রাহেনা বেগম হাসনা, থানার ওসি মো. জাহাঙ্গীর হোসেন সরদার, ওসি (তদন্ত) রতন দেবনাথ, পৌরমেয়র আবুল ইমাম মো. কামরান চৌধুরী, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. উবায়েদ উল্লাহ খান, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সুপারভাইজার মোহাম্মদ আব্দুল বারী, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান এনাম উদ্দিন, তালিমপুর ইউপি চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা এখলাছুর রহমান, উত্তর শাহবাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান রফিক উদ্দিন আহমদ, সুজানগর ইউপি চেয়ারম্যান বদরুল ইসলাম, দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান নাহিদ আহমদ বাবলু, আয়োজকদের পক্ষে জাহাঙ্গীর আলম, উমর ফারুক, আব্দুল আলিম, খলিল উদ্দিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। সভায় মন্ত্রী পরিষদ বিভাগের ২১ জানুয়ারীর করোনা ভাইরাস সংক্রমণ সংক্রান্ত বিধিনিষেধের নির্দেশনা অনুযায়ী বড়লেখায় ইস্তেমা আয়োজনের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারির সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

ইউএনও খন্দকার মুদাচ্ছির বিন আলী জানান, বড়লেখায় ইস্তেমা আয়োজন নিঃসন্দেহে একটি ভালো উদ্যোগ। কিন্তু আমাদের কাউকেই সরকারি নির্দেশনার বাহিরে যাওয়ার কোন সুযোগ নেই। গত ২১ জানুয়ারি থেকে আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ১০০ জনের বেশি জনসমাগমের ওপর সরকারি নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে। এসময়ের মধ্যে আয়োজকদের ইস্তেমা আয়োজনের সবধরণের কার্যক্রম বন্ধ রাখাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

জেলার ৩ দিনের ইস্তেমা বড়লেখায় প্রস্তুতিকালে প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা

প্রকাশিত হয়েছে: ০৫:৪১:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২২

আফজাল হোসেন রুমেল, বড়লেখা, মৌলভীবাজার -ঃ জেলা পর্যায়ের ৩ দিনের ইস্তেমা এবার বড়লেখা উপজেলার কাঁঠালতীতে আয়োজনের লক্ষে গত ১৫ দিন ধরে প্রস্তুতি চালাচ্ছে আয়োজক জেলা ও স্থানীয় তাবলিগ জামায়াতের দায়িত্বশীলগণ। বৃহস্পতিবার ফজরের নামাজের পর শুরু করে শনিবার দুপুরে আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে ইস্তেমা সমাপ্তির কথা ছিল। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা প্রশাসন এক জরুরী সভায় অস্বাভাবিক জনসমাগমের সরকারি নির্দেশনা নেই জানিয়ে আয়োজকদের ইস্তেমা স্থগিতের নির্দেশ দিয়েছে।

জানা গেছে, মৌলভীবাজার জেলার ইস্তেমা সর্বশেষ ২০১৮ সালে শ্রীমঙ্গল রোডে অনুষ্ঠিত হয়। গত দুই বছর করোনা সংক্রমণের কারণে ইস্তেমা অনুষ্ঠিত হয়নি। সংশ্লিষ্ট আয়োজকরা এবারের জেলা পর্যায়ের ইস্তেমা বড়লেখা উপজেলায় আয়োজনের সিদ্ধান্তে প্রশাসনের অজ্ঞাতে ৫ হাজার মুসল্লি সমাগমের লক্ষে গত ১৫ দিন ধরে কাঁঠালতলী বাজার সংলগ্ন মাঠে প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছে। বড়ধরণের জনসমাগমের প্রস্তুতি দেখে ইউএনও খন্দকার মুদাচ্ছির বিন আলী মঙ্গলবার দুপুরে আয়োজকদের নিয়ে তার কার্যালয়ে মতবিনিময় করেন। সভায় উপজেলা চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রাহেনা বেগম হাসনা, থানার ওসি মো. জাহাঙ্গীর হোসেন সরদার, ওসি (তদন্ত) রতন দেবনাথ, পৌরমেয়র আবুল ইমাম মো. কামরান চৌধুরী, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. উবায়েদ উল্লাহ খান, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সুপারভাইজার মোহাম্মদ আব্দুল বারী, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান এনাম উদ্দিন, তালিমপুর ইউপি চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা এখলাছুর রহমান, উত্তর শাহবাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান রফিক উদ্দিন আহমদ, সুজানগর ইউপি চেয়ারম্যান বদরুল ইসলাম, দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান নাহিদ আহমদ বাবলু, আয়োজকদের পক্ষে জাহাঙ্গীর আলম, উমর ফারুক, আব্দুল আলিম, খলিল উদ্দিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। সভায় মন্ত্রী পরিষদ বিভাগের ২১ জানুয়ারীর করোনা ভাইরাস সংক্রমণ সংক্রান্ত বিধিনিষেধের নির্দেশনা অনুযায়ী বড়লেখায় ইস্তেমা আয়োজনের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারির সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

ইউএনও খন্দকার মুদাচ্ছির বিন আলী জানান, বড়লেখায় ইস্তেমা আয়োজন নিঃসন্দেহে একটি ভালো উদ্যোগ। কিন্তু আমাদের কাউকেই সরকারি নির্দেশনার বাহিরে যাওয়ার কোন সুযোগ নেই। গত ২১ জানুয়ারি থেকে আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ১০০ জনের বেশি জনসমাগমের ওপর সরকারি নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে। এসময়ের মধ্যে আয়োজকদের ইস্তেমা আয়োজনের সবধরণের কার্যক্রম বন্ধ রাখাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।