এখন ০৫:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বরিশাল নগরীতে গভীর রাতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি

বিশেষ প্রতিনিধি -ঃ বরিশাল নগরীতে গভীর রাতে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। ডাকাতদলের সদস্যরা সাড়ে ৪ ভরি স্বর্ণ ও নগদ ৩২ হাজার টাকা এবং তিনটি মোবাইল ফোন নিয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। তবে গৃহকর্তার সাহসিকতায় এক ডাকাতকে আটক করে গণধোলাই দিয়ে পুলিশের সোপর্দ করেছে স্থানীয়রা।
এছাড়া এ ঘটনায় সন্দেহভাজন দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে নগরীর পুরানপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটলেও বিষয়টি শনিবার সকালে স্থানীয়দের মাধ্যমে প্রকাশ্যে আসে। কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন আজ (রবিবার) এ বিষয়ে প্রেসব্রিফিং করে সাংবাদিকদের জানানো হবে। বাড়ির মালিক মোঃ আতাহার আলী খান জানান, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে তার পাকা ভবনের পেছনের দরজা ভেঙ্গে ৮-১০ জন মুখোশধারী ডাকাত ঘরে প্রবেশ করে এবং তাকে জিম্মি করে ফেলে।
পরে তার মেয়ে ও স্ত্রীকে শ্লীলতাহানীর ভয় দেখিয়ে ডাকচিৎকার দিতে নিষেধ করে। এ সময় ডাকাতদল তার স্ত্রী ও মেয়েকে জিআই পাইপ দিয়ে আঘাত করে। পরে তার ঘরে থাকা ওয়ারড্রপের মধ্য থেকে সাড়ে ৪ ভরি স্বর্ণ ও সুকেসের মধ্য থেকে ৩২ হাজার ৩শ টাকা ও তিনটি মোবাইল ফোন নিয়ে যায়। ডাকাত দলের প্রত্যেক সদস্য মুখোশ পড়ে হাতে জিআই পাইপ ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আসে।
যাওয়ার সময় কৌশলে রেজাউল নামের এক ডাকাত সদস্যকে গৃহকর্তা আতাহার আলী ধরে ফেলেন এবং ডাকচিৎকার দিলে স্থানীয়রা এসে তাকে উত্তম মধ্যম দেয়। পরে থানা পুলিশে খবর দিলে আধাঘন্টা পর পুলিশ এসে ঘটনাস্থল থেকে আটককৃত ডাকাত রেজাউলকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। তিনি আরো জানান, খবর পেয়ে থানার ওসি সহ পুলিশের উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে এসেছেন।
এদিকে এ ঘটনার পর আটককৃত ডাকাত সদস্য বাটনা এলাকার রেজাউলের কাছ থেকে মুঠোফোন উদ্ধার করে তার সূত্র ধরে সন্দেহভাজন দুইজনকে আটক করে পুলিশ। আটককৃতরা হলো কাউনিয়া এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ী সত্তার সিকদার ও শহিদুল। জানা গেছে, আটককৃত সত্তার সিকদারের নামে ইতিপূর্বে বিভিন্ন থানায় অস্ত্র ও মাদক আইনে মামলা রয়েছে।
কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুর রহমান মুকুল ডাকাতির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ক্রাইম লেটার প্রতিনিধিকে জানান, ডাকাতির ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে সত্তার সিকদার ও শহিদুল নামে দু’জনকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া আটককৃত ডাকাত সদস্য রেজাউলকে গ্রেফতার দেখিয়ে শেবাচিম হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

বরিশাল নগরীতে গভীর রাতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি

প্রকাশিত হয়েছে: ০৪:১৮:০৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ জানুয়ারী ২০২২

বিশেষ প্রতিনিধি -ঃ বরিশাল নগরীতে গভীর রাতে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। ডাকাতদলের সদস্যরা সাড়ে ৪ ভরি স্বর্ণ ও নগদ ৩২ হাজার টাকা এবং তিনটি মোবাইল ফোন নিয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। তবে গৃহকর্তার সাহসিকতায় এক ডাকাতকে আটক করে গণধোলাই দিয়ে পুলিশের সোপর্দ করেছে স্থানীয়রা।
এছাড়া এ ঘটনায় সন্দেহভাজন দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে নগরীর পুরানপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটলেও বিষয়টি শনিবার সকালে স্থানীয়দের মাধ্যমে প্রকাশ্যে আসে। কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন আজ (রবিবার) এ বিষয়ে প্রেসব্রিফিং করে সাংবাদিকদের জানানো হবে। বাড়ির মালিক মোঃ আতাহার আলী খান জানান, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে তার পাকা ভবনের পেছনের দরজা ভেঙ্গে ৮-১০ জন মুখোশধারী ডাকাত ঘরে প্রবেশ করে এবং তাকে জিম্মি করে ফেলে।
পরে তার মেয়ে ও স্ত্রীকে শ্লীলতাহানীর ভয় দেখিয়ে ডাকচিৎকার দিতে নিষেধ করে। এ সময় ডাকাতদল তার স্ত্রী ও মেয়েকে জিআই পাইপ দিয়ে আঘাত করে। পরে তার ঘরে থাকা ওয়ারড্রপের মধ্য থেকে সাড়ে ৪ ভরি স্বর্ণ ও সুকেসের মধ্য থেকে ৩২ হাজার ৩শ টাকা ও তিনটি মোবাইল ফোন নিয়ে যায়। ডাকাত দলের প্রত্যেক সদস্য মুখোশ পড়ে হাতে জিআই পাইপ ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আসে।
যাওয়ার সময় কৌশলে রেজাউল নামের এক ডাকাত সদস্যকে গৃহকর্তা আতাহার আলী ধরে ফেলেন এবং ডাকচিৎকার দিলে স্থানীয়রা এসে তাকে উত্তম মধ্যম দেয়। পরে থানা পুলিশে খবর দিলে আধাঘন্টা পর পুলিশ এসে ঘটনাস্থল থেকে আটককৃত ডাকাত রেজাউলকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। তিনি আরো জানান, খবর পেয়ে থানার ওসি সহ পুলিশের উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে এসেছেন।
এদিকে এ ঘটনার পর আটককৃত ডাকাত সদস্য বাটনা এলাকার রেজাউলের কাছ থেকে মুঠোফোন উদ্ধার করে তার সূত্র ধরে সন্দেহভাজন দুইজনকে আটক করে পুলিশ। আটককৃতরা হলো কাউনিয়া এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ী সত্তার সিকদার ও শহিদুল। জানা গেছে, আটককৃত সত্তার সিকদারের নামে ইতিপূর্বে বিভিন্ন থানায় অস্ত্র ও মাদক আইনে মামলা রয়েছে।
কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুর রহমান মুকুল ডাকাতির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ক্রাইম লেটার প্রতিনিধিকে জানান, ডাকাতির ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে সত্তার সিকদার ও শহিদুল নামে দু’জনকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া আটককৃত ডাকাত সদস্য রেজাউলকে গ্রেফতার দেখিয়ে শেবাচিম হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।