এখন ০৪:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দুই হাত-পা বিহীন সালাহ উদ্দিন প্রতিবন্ধী তবুও অদম্য

অনলাইন ডেক্স -ঃ মহেশখালী উপজেলার কালারমারমারছড়ায় সামান্য পায়ের কব্জি দিয়ে লিখে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে অদম্য এক প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী। দুই হাত-পা বিহীন সালাহ উদ্দিন নামের ওই শিক্ষার্থী বেঞ্চের উপর খাতা রেখে পা দিয়ে লিখে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে।

সে উপজেলার কালারমারছড়া ইউনিয়নের উত্তর নলবিলা উচ্চ বিদ্যালয়ের মানবিক বিভাগের ছাত্র। জানা যায়, মহেশখালী উপজেলার কালারমারছড়া ইউনিয়নের উত্তর নলবিলা গ্রামের দিনমজুর মোহাম্মদ জালাল আহমদের ছেলে সালাহ উদ্দিন জন্মগতভাবে দুই হাত ও পা বিহীন। জন্মগতভাবে ছেলেটির দু’টা হাত-পা না থাকলেও লেখাপড়ায় সে বেশ মেধাবী।

এ কারণে পরিবার থেকে তাকে সব রকম সহযোগিতা করা হচ্ছে। পা দিয়ে কলম চালিয়ে স্বপ্ন পূরণের যুদ্ধে ছেলেটি এগিয়ে চলছে। সালাহ উদ্দিনের বাবা পেশায় একজন শ্রমিক। মা আয়েশা বেগম একজন গৃহিনী। মা-বাবা, দুই ভাই ও চার বোন তাদের সংসারে।

বাবার সামান্য আয়ে চলে সংসার ও সালাহ উদ্দিনের লেখাপড়া। সালাহ উদ্দিন জানায়, ছোট বেলা থেকেই পড়াশোনার প্রতি তার ভীষণ আগ্রহ। অভাবের সংসার হলেও মা-বাবা তাকে কখনও লেখাপড়া করা থেকে বিরত থাকতে বলেননি। সাধ্যের মধ্যে থেকেই যতটুকু পারেন তারা তার পেছনে ব্যয় করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

দুই হাত-পা বিহীন সালাহ উদ্দিন প্রতিবন্ধী তবুও অদম্য

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:৫৮:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ নভেম্বর ২০২১

অনলাইন ডেক্স -ঃ মহেশখালী উপজেলার কালারমারমারছড়ায় সামান্য পায়ের কব্জি দিয়ে লিখে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে অদম্য এক প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী। দুই হাত-পা বিহীন সালাহ উদ্দিন নামের ওই শিক্ষার্থী বেঞ্চের উপর খাতা রেখে পা দিয়ে লিখে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে।

সে উপজেলার কালারমারছড়া ইউনিয়নের উত্তর নলবিলা উচ্চ বিদ্যালয়ের মানবিক বিভাগের ছাত্র। জানা যায়, মহেশখালী উপজেলার কালারমারছড়া ইউনিয়নের উত্তর নলবিলা গ্রামের দিনমজুর মোহাম্মদ জালাল আহমদের ছেলে সালাহ উদ্দিন জন্মগতভাবে দুই হাত ও পা বিহীন। জন্মগতভাবে ছেলেটির দু’টা হাত-পা না থাকলেও লেখাপড়ায় সে বেশ মেধাবী।

এ কারণে পরিবার থেকে তাকে সব রকম সহযোগিতা করা হচ্ছে। পা দিয়ে কলম চালিয়ে স্বপ্ন পূরণের যুদ্ধে ছেলেটি এগিয়ে চলছে। সালাহ উদ্দিনের বাবা পেশায় একজন শ্রমিক। মা আয়েশা বেগম একজন গৃহিনী। মা-বাবা, দুই ভাই ও চার বোন তাদের সংসারে।

বাবার সামান্য আয়ে চলে সংসার ও সালাহ উদ্দিনের লেখাপড়া। সালাহ উদ্দিন জানায়, ছোট বেলা থেকেই পড়াশোনার প্রতি তার ভীষণ আগ্রহ। অভাবের সংসার হলেও মা-বাবা তাকে কখনও লেখাপড়া করা থেকে বিরত থাকতে বলেননি। সাধ্যের মধ্যে থেকেই যতটুকু পারেন তারা তার পেছনে ব্যয় করেন।